নেপালের ভূখণ্ড দখল করে চীনের ভবন নির্মাণ!
jugantor
নেপালের ভূখণ্ড দখল করে চীনের ভবন নির্মাণ!

  যুগান্তর ডেস্ক  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নেপালের ভূখণ্ড দখল করে ৯টি ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে চীনের বিরুদ্ধে। নেপালের হুমলা জেলার লাপচা-লিমি এলাকায় ওই ভবনগুলো নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সহকারী জেলা (হুমলা) কর্মকর্তা ডালবাহাদুর হামাল। খবর ইকোনমিক টাইমস ও জাস্টআর্থনিউজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের। খবরে বলা হয়, ডালবাহাদুর হামাল ৩০ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। লামা-লিমি দুর্গম এলাকা হওয়ায় সেখানে সরকারের তেমন কোনো নজরদারি বা প্রভাব নেই। এই সুযোগে চীন নেপাল সীমান্তের অন্তত এক কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে ওইসব ভবন নির্মাণ করে। বিষয়টি নিয়ে ডালবাহাদুর হামাল নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন দিয়েছেন। সেখান থেকে তা দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

ওই পরিদর্শন দলে থাকা একজন নাম প্রকাশ না করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘চীনের তৈরি ভবনগুলো দূর থেকেও দেখা যায়। আমরা প্রথমে লাপচা-লিমি এলাকায় চীন একটি বিল্ডিং তৈরি করেছে বলে খবর পেয়েছিলাম। কিন্তু গোটা এলাকা দূর থেকে ঘুরে দেখে আরও আটটি নতুন বিল্ডিং দেখতে পেয়েছি।’

কিছুদিন আগে একই এলাকা পরিদর্শনে যান নামখা গ্রামের পৌরসভা চেয়ারম্যান বিষ্ণু বাহাদুর লামা। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সম্প্রতি সীমান্তবর্তী এলাকায় এতগুলো ভবন কে তৈরি করেছে, তা জানতে সেখানে যান তিনি। তবে তাকে ওই অঞ্চলে প্রবেশ করতে দেয়নি চীনের সেনাবাহিনী। পরে বহু দূর থেকে চীনের ওইসব ভবনের ছবি তোলেন তিনি।

হুমলার প্রধান জেলা কর্মকর্তা চিরঞ্জিবী গিরি জানিয়েছেন, তারা ঘটনাটি শুনেছেন। নেপালি সেনা, পুলিশ ও জাতীয় তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তা এবং নামখা গ্রামের পৌরসভা চেয়ারম্যানকে নিয়ে তারা লাপচা-লিমি এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এর আগে গেল জুনে নেপালের ভূমি ও কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে জানা যায়, ডোলাখা, গোর্খা, দারচুলা, হুমলা, সিন্ধুপালচক, সঙ্খুওয়াভা ও রাসুয়া জেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম এবং ফাঁকা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেছে চীন। ডোলাখা জেলায় আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে দেড় হাজার মিটার ভেতরে ঢুকে নেপালের বিস্তীর্ণ অঞ্চল নিজেদের দখলে নিয়েছে তারা। পরে অবশ্য নেপালের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়, তাদের দেশের জমি চীন দখল করছে বলে যে খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। এ বিষয়ে তাদের দেশের কৃষি ও পশুপালন মন্ত্রণালয়ের যে রিপোর্টের কথা উল্লেখ করা হচ্ছে তারও কোনো অস্তিত্ব নেই।

নেপালের ভূখণ্ড দখল করে চীনের ভবন নির্মাণ!

 যুগান্তর ডেস্ক 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নেপালের ভূখণ্ড দখল করে ৯টি ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে চীনের বিরুদ্ধে। নেপালের হুমলা জেলার লাপচা-লিমি এলাকায় ওই ভবনগুলো নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সহকারী জেলা (হুমলা) কর্মকর্তা ডালবাহাদুর হামাল। খবর ইকোনমিক টাইমস ও জাস্টআর্থনিউজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের। খবরে বলা হয়, ডালবাহাদুর হামাল ৩০ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। লামা-লিমি দুর্গম এলাকা হওয়ায় সেখানে সরকারের তেমন কোনো নজরদারি বা প্রভাব নেই। এই সুযোগে চীন নেপাল সীমান্তের অন্তত এক কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে ওইসব ভবন নির্মাণ করে। বিষয়টি নিয়ে ডালবাহাদুর হামাল নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন দিয়েছেন। সেখান থেকে তা দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

ওই পরিদর্শন দলে থাকা একজন নাম প্রকাশ না করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘চীনের তৈরি ভবনগুলো দূর থেকেও দেখা যায়। আমরা প্রথমে লাপচা-লিমি এলাকায় চীন একটি বিল্ডিং তৈরি করেছে বলে খবর পেয়েছিলাম। কিন্তু গোটা এলাকা দূর থেকে ঘুরে দেখে আরও আটটি নতুন বিল্ডিং দেখতে পেয়েছি।’

কিছুদিন আগে একই এলাকা পরিদর্শনে যান নামখা গ্রামের পৌরসভা চেয়ারম্যান বিষ্ণু বাহাদুর লামা। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সম্প্রতি সীমান্তবর্তী এলাকায় এতগুলো ভবন কে তৈরি করেছে, তা জানতে সেখানে যান তিনি। তবে তাকে ওই অঞ্চলে প্রবেশ করতে দেয়নি চীনের সেনাবাহিনী। পরে বহু দূর থেকে চীনের ওইসব ভবনের ছবি তোলেন তিনি।

হুমলার প্রধান জেলা কর্মকর্তা চিরঞ্জিবী গিরি জানিয়েছেন, তারা ঘটনাটি শুনেছেন। নেপালি সেনা, পুলিশ ও জাতীয় তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তা এবং নামখা গ্রামের পৌরসভা চেয়ারম্যানকে নিয়ে তারা লাপচা-লিমি এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এর আগে গেল জুনে নেপালের ভূমি ও কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে জানা যায়, ডোলাখা, গোর্খা, দারচুলা, হুমলা, সিন্ধুপালচক, সঙ্খুওয়াভা ও রাসুয়া জেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম এবং ফাঁকা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেছে চীন। ডোলাখা জেলায় আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে দেড় হাজার মিটার ভেতরে ঢুকে নেপালের বিস্তীর্ণ অঞ্চল নিজেদের দখলে নিয়েছে তারা। পরে অবশ্য নেপালের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়, তাদের দেশের জমি চীন দখল করছে বলে যে খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। এ বিষয়ে তাদের দেশের কৃষি ও পশুপালন মন্ত্রণালয়ের যে রিপোর্টের কথা উল্লেখ করা হচ্ছে তারও কোনো অস্তিত্ব নেই।