বিশ্বে আক্রান্ত ৩ কোটি ১২ লাখ ছাড়াল
jugantor
বিশ্বে আক্রান্ত ৩ কোটি ১২ লাখ ছাড়াল

  যুগান্তর ডেস্ক  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বে গেল ২৪ ঘণ্টায় আরও আড়াই লাখ মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ১২ লাখ ছাড়িয়েছে। করোনায় মারা গেছেন ৯ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ।

তবে আক্রান্তদের ৯৬ ভাগই সুস্থ হয়ে গেছেন। ইতোমধ্যে সুস্থ ২ কোটি ২৮ লাখের বেশি। করোনা প্রতিরোধে বিশ্বজুড়ে ১৭০টির বেশি ভ্যাকসিন উন্নয়নে কাজ করছেন গবেষকরা।

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথম বলেছেন, ২০২২ সালের আগে সবার কাছে কার্যকর ভ্যাকসিন পৌঁছানো সম্ভব হবে না। তাই সবার উচিত যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।

এদিকে করোনা চলে গেলেও দুই কোটি মেয়ের স্কুলে ফেরা হবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী নারী অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই। খবর বিবিসি, এএফপিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের।

বাংলাদেশ সময় সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ১২ লাখ ৭৪ হাজার ৮৩৪ জন। মারা গেছেন ৯ লাখ ৬৫ হাজার ৬৫০ জন।

অবস্থা আশঙ্কাজনক ৬১ হাজার ২৩৯ জনের। সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৭৪৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৩৪, মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৮৯১ জনের।

বিশ্ব তালিকায় শীর্ষে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৩৪ জন। একই সময়ে মারা গেছেন ২৯৪ জন।

এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্ত ৭০ লাখ ৫ হাজার ৬৩১ জন, মারা গেছেন ২ লাখ ৪ হাজার ১২২ জন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারতে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৭ হাজার ৩৮২ জন, একই সময়ে মারা গেছেন ১ হাজার ১৩৫ জন।

দেশটিতে মোট রোগীর সংখ্যা ৫৪ লাখ ৯১ হাজার ৪৫২ জন, মৃত্যু হয়েছে ৮৭ হাজার ৯৩৩ জনের। বিশ্বে তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে ২৪ ঘণ্টায় ১৬ হাজার ২৮২ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

একই সময়ে মারা গেছেন ৩৩০ জন। দেশটিতে মোট রোগীর সংখ্যা ৪৫ লাখ ৪৪ হাজার ৬৮৬ জন, মারা গেছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৮৯৫ জন।

চতুর্থ স্থানে রাশিয়ায় মোট রোগীর সংখ্যা ১১ লাখ ৯ হাজার ৫৯৫ জন, মারা গেছেন ১৯ হাজার ৪৮৯ জন।

২০২২ এর আগে বিশ্বে সবাই ভ্যাকসিন পাবে না : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথম এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, হয়তো অনেকে ভাবছেন আগামী বছরের জানুয়ারি নাগাদ ভ্যাকসিন আসবে বাজারে এবং এতে সবকিছু আবার স্বাভাবিক হবে।

কিন্তু আপনি যা ভাবছেন, তা হবে না। কারণ নিরাপদে মানুষের চলাচল নিশ্চিত করতে হলে সবার কাছে পৌঁছাতে হবে ভ্যাকসিন।

আর এটা ২০২২ সালের আগে সম্ভব না। তিনি বলেন, ডব্লিউএইচও’র নেতৃত্বে বিভিন্ন দেশের কাছে সমানভাবে ভ্যাকসিন সরবরাহ করার যে উদ্যোগ (কোভ্যাক্স ইনিশিয়েটিভ) নেয়া হয়েছে তাতে করে আগামী বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত কয়েক কোটি ভ্যাকসিন সরবরাহ করা যাবে।

এর মাধ্যমে ১৭০টি দেশ হয়তো কিছু সংখ্যক ভ্যাকসিন ডোজ পাবে। তাই মাস্ক না পরে যদি মানুষ চলতে থাকে, তাহলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

করোনার ১৭০ টিকার উন্নয়ন চলছে : করোনাভাইরাস প্রতিরোধ বিশ্বব্যাপী ১৭০টিরও বেশি টিকার উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছেন গবেষকরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এসব টিকা পর্যবেক্ষণে রেখেছে। সাধারণত টিকার পরীক্ষার জন্য কয়েক বছর সময়ে লেগে যায়। এছাড়া পরীক্ষা শেষে টিকার বিপুল উৎপাদনের জন্য আরও সময়ের প্রয়োজন পড়ে।

দুই কোটি মেয়ের স্কুলে ফেরা হবে না -মালালা : করোনার প্রকোপ শেষ কিংবা বিধিনিষেধ শিথিল হলে হয়তো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে যাবে।

কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে গেলেও দুই কোটি নারী শিক্ষার্থীর আর কখনোই স্কুলে ফেরা হবে না। এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী এবং নারী অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই।

বিশ্বে আক্রান্ত ৩ কোটি ১২ লাখ ছাড়াল

 যুগান্তর ডেস্ক 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বে গেল ২৪ ঘণ্টায় আরও আড়াই লাখ মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ১২ লাখ ছাড়িয়েছে। করোনায় মারা গেছেন ৯ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ।

তবে আক্রান্তদের ৯৬ ভাগই সুস্থ হয়ে গেছেন। ইতোমধ্যে সুস্থ ২ কোটি ২৮ লাখের বেশি। করোনা প্রতিরোধে বিশ্বজুড়ে ১৭০টির বেশি ভ্যাকসিন উন্নয়নে কাজ করছেন গবেষকরা।

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথম বলেছেন, ২০২২ সালের আগে সবার কাছে কার্যকর ভ্যাকসিন পৌঁছানো সম্ভব হবে না। তাই সবার উচিত যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।

এদিকে করোনা চলে গেলেও দুই কোটি মেয়ের স্কুলে ফেরা হবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী নারী অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই। খবর বিবিসি, এএফপিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের।

বাংলাদেশ সময় সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ১২ লাখ ৭৪ হাজার ৮৩৪ জন। মারা গেছেন ৯ লাখ ৬৫ হাজার ৬৫০ জন।

অবস্থা আশঙ্কাজনক ৬১ হাজার ২৩৯ জনের। সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৭৪৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৩৪, মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৮৯১ জনের।

বিশ্ব তালিকায় শীর্ষে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৩৪ জন। একই সময়ে মারা গেছেন ২৯৪ জন।

এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্ত ৭০ লাখ ৫ হাজার ৬৩১ জন, মারা গেছেন ২ লাখ ৪ হাজার ১২২ জন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারতে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৭ হাজার ৩৮২ জন, একই সময়ে মারা গেছেন ১ হাজার ১৩৫ জন।

দেশটিতে মোট রোগীর সংখ্যা ৫৪ লাখ ৯১ হাজার ৪৫২ জন, মৃত্যু হয়েছে ৮৭ হাজার ৯৩৩ জনের। বিশ্বে তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে ২৪ ঘণ্টায় ১৬ হাজার ২৮২ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

একই সময়ে মারা গেছেন ৩৩০ জন। দেশটিতে মোট রোগীর সংখ্যা ৪৫ লাখ ৪৪ হাজার ৬৮৬ জন, মারা গেছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৮৯৫ জন।

চতুর্থ স্থানে রাশিয়ায় মোট রোগীর সংখ্যা ১১ লাখ ৯ হাজার ৫৯৫ জন, মারা গেছেন ১৯ হাজার ৪৮৯ জন। 

২০২২ এর আগে বিশ্বে সবাই ভ্যাকসিন পাবে না : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথম এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, হয়তো অনেকে ভাবছেন আগামী বছরের জানুয়ারি নাগাদ ভ্যাকসিন আসবে বাজারে এবং এতে সবকিছু আবার স্বাভাবিক হবে।

কিন্তু আপনি যা ভাবছেন, তা হবে না। কারণ নিরাপদে মানুষের চলাচল নিশ্চিত করতে হলে সবার কাছে পৌঁছাতে হবে ভ্যাকসিন।

আর এটা ২০২২ সালের আগে সম্ভব না। তিনি বলেন, ডব্লিউএইচও’র নেতৃত্বে বিভিন্ন দেশের কাছে সমানভাবে ভ্যাকসিন সরবরাহ করার যে উদ্যোগ (কোভ্যাক্স ইনিশিয়েটিভ) নেয়া হয়েছে তাতে করে আগামী বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত কয়েক কোটি ভ্যাকসিন সরবরাহ করা যাবে।

এর মাধ্যমে ১৭০টি দেশ হয়তো কিছু সংখ্যক ভ্যাকসিন ডোজ পাবে। তাই মাস্ক না পরে যদি মানুষ চলতে থাকে, তাহলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

করোনার ১৭০ টিকার উন্নয়ন চলছে : করোনাভাইরাস প্রতিরোধ বিশ্বব্যাপী ১৭০টিরও বেশি টিকার উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছেন গবেষকরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এসব টিকা পর্যবেক্ষণে রেখেছে। সাধারণত টিকার পরীক্ষার জন্য কয়েক বছর সময়ে লেগে যায়। এছাড়া পরীক্ষা শেষে টিকার বিপুল উৎপাদনের জন্য আরও সময়ের প্রয়োজন পড়ে। 

দুই কোটি মেয়ের স্কুলে ফেরা হবে না -মালালা : করোনার প্রকোপ শেষ কিংবা বিধিনিষেধ শিথিল হলে হয়তো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে যাবে।

কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে গেলেও দুই কোটি নারী শিক্ষার্থীর আর কখনোই স্কুলে ফেরা হবে না। এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী এবং নারী অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই।