বৃষ্টিতে খানাখন্দে জলাবদ্ধতা, যানজটে জনভোগান্তি
jugantor
ডেমরা-রামপুরা সড়ক
বৃষ্টিতে খানাখন্দে জলাবদ্ধতা, যানজটে জনভোগান্তি

  মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, ডেমরা  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতার কারণে প্রতিদিনই রাজধানীর ডেমরা-রামপুরা সড়কে লেগে থাকে যানজট। মঙ্গলবার তোলা ছবি। যুগান্তর

রাজধানীর প্রবেশদ্বার ডেমরা-রামপুরা সড়কে খানাখন্দের কারণে জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। সড়ক বিভাগের বিনা নজরদারির কারণে সড়কটিতে অল্প বৃষ্টি হলেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা, দেখা দেয় তীব্র যানজট।

বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দে ভরা কর্দমাক্ত ওই সড়কে ব্যাহত হয় পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল, প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। তার ওপর দিনের বেলায় ডেমরা-যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা-রামপুরা সড়কে বাস, মিনিবাস ও সিএনজি লেগুনা থেকে সিটি কর্পোরেশনের নামে অবৈধভাবে টোল আদায়ের কারণেও যানজটের সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি গভীর রাতে ডেমরা-রামপুরা সড়কের রাসেল পেট্রল পাম্প এলাকায় সড়ক গতিরোধকের সামনে একইভাবে সব ধরনের যানবাহন থেকেও চলে টোল আদায়।

ফলে গভীর রাতে যানজট আরও তীব্র আকার ধারণ করে। যাত্রী ও চালক শ্রেণির দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায় বলে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৬৪ ও ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের কিছু অংশসহ ৬৬ থেকে ৭০ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা হচ্ছে রাজধানীর ডেমরা থানা এলাকা।

সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও অন্যান্য পেশার মানুষসহ রূপগঞ্জ-সিদ্ধিরগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার ৫ লক্ষাধিক মানুষের চলাচল ডেমরা-রামপুরা সড়কে। রাতে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী ভারি যানবাহনসহ ২ লক্ষাধিক বিভিন্ন যানবাহনের চলাচল এ সড়কটিতে। একদিকে দিনে-রাতে চলছে টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজি, অন্যদিকে খানাখন্দে ভরা ডেমরা-রামপুরা সড়কটিতে প্রতিনিয়িত যানজটসহ নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে।

ডেমরা ট্রাফিক জোনের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) মো. সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ডেমরা-যাত্রাবাড়ী সড়ক ৬ লেনে উন্নয়নের কাজ শুরু হওয়ায় সড়ক সংকীর্ণ হয়েছে বলে ডেমরা-রামপুরা সড়কে যানবাহনের চাপ অনেকটাই বেড়ে গেছে। তাছাড়া ওই সড়কে খানাখন্দের পরিমাণ বেশি বলে প্রায়ই আমরা ইট-বালু দিয়ে খানাখন্দ ভরে দিলেও বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে পুনরায় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়। তবে সড়কে সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা রয়েছে বলে মানুষ চলাচল করতে পারছে।

সরেজমিন দেখা যায়, ডেমরা-যাত্রাবাড়ী সড়কে চলছে ছয় লেন উন্নয়নের কাজ। ফলে পার্শ্ববর্তী ডেমরা-রামপুরা সড়কে যানবাহন চলাচলে চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। সড়কটিতে দীর্ঘদিনের খানাখন্দ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তবে মাঝেমধ্যে সড়ক বিভাগের লোক দেখানো সংস্কারকাজ হলেও জলাবদ্ধতার কারণে সড়কে সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ট্রাফিক বিভাগ মাঝেমধ্যে ইট-বালু দিয়ে সড়কে গর্ত ভরাট করলেও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে সড়ক আগের রূপে ফিরে আসে।

টার্মিনাল না থাকায় সড়কটির দু’পাশে বাস ও সিএনজির স্টপেজ হওয়ায় প্রতিনিয়ত যানজট লেগেই থাকে। আর রাত ১১টার পর নিরিবিলি অবস্থায় ডেমরার স্টাফ কোয়ার্টার রাসেল পেট্রল পাম্প সংলগ্নে শুরু হয় সিটি কর্পোরেশনের নামে টোল আদায় যা নিয়মবহির্ভূত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অবৈধ অনুমোদনে দিনে-রাতে ডেমরা-যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা-রামপুরা সড়কে বাস, মিনিবাস, সিএনজি, পিকআপসহ পণ্য ও যাত্রীবাহী বিভিন্ন পরিবহন থেকে ওই চাঁদাবাজরা ৩০-৬০ টাকা ও সিএনজি-অটোরিকশা থেকে ১০ টাকা হারে টোল আদায় করার কথা থাকলেও যানবাহনভেদে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে ৩০-২০০ টাকা। তবে এ এলাকা থেকে সিটি কর্পোরেশনের নামে টোল আদায়ের কোনো নিয়ম নেই বলে সূত্রে জানা গেছে।

এতে সড়কে প্রতিরাতেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সড়কে কোনোভাবেই বিভিন্ন যানবাহন থেকে বৈধভাবে টোল আদায়ের কোনো নিয়ম নেই। এ ক্ষেত্রে ৩০ জুন সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক টোল আদায়ভুক্ত এলাকার মধ্যে গুলিস্তান, জয়কালি মন্দির, (সায়েদাবাদ সিটি) স্টপওভার টার্মিনাল ও আশপাশের এলাকায় শুধু বাস সেক্টর থেকে বৈধভাবে টোল আদায়ের মেয়াদ শেষ হয়েছে। বর্তমানে ডেমরায় সিটি কর্পোরেশনের নামে টোল আদায়ের বিষয়টি একেবারেই অবৈধ। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে এ অবৈধ চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বাহাদুর শাহ্ পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী যানবাহনের চালক যুগান্তরকে বলেন, সিটি কর্পোরেশনের নামে তারা অনেক দিন ধরেই আমাদের কাছে সিলিপের মাধ্যমে ৩০ টাকা করে টোল আদায় করছে। অন্যান্য বড় যানবাহন থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের যাত্রীবাহী যানবাহন থেকেও ৩০-২০০ টাকা টোল নিচ্ছে, যা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজধানীতে টোল আদায়ের সাবেক ইজারাদার মো. শাহাবুদ্দিন মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে বলেন, বর্তমানে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক টোল আদায়ভুক্ত এলাকার মধ্যে গুলিস্তান, জয়কালি মন্দির, (সায়েদাবাদ সিটি) স্টপওভার টার্মিনাল ও আশপাশের এলাকায়, এমনকি ডেমরায় টোল আদায়ে বর্তমানে সরকারি বা সিটি কর্পোরেশনের কোনো ইজারাভিত্তিক অনুমোদন নেই।

তবে নগরভবনের কতিপয় কর্মকর্তা বিভাগীয় ব্যবস্থায় মতিন মৃধা নামে কোনো এক ব্যক্তিকে অবৈধভাবে টোল আদায়ের অনুমোদন দিয়েছে বলে জেনেছি। তাও অবৈধ। ওই অনুমোদনের মেয়াদ গত ৩ সেপ্টেম্বর শেষ হয়েছে। কিন্তু ইজারাভিত্তিক বৈধতা ছাড়া অবৈধভাবে সড়কে টোল আদায় নিয়মবহির্ভূত।

এ বিষয়ে ওয়ারী বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. শাহ ইফতেখার আহমেদ মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে বলেন, সিটি কর্পোরেশনের নামে দিনে-রাতে টোল আদায়ের বৈধতার বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখব। অবৈধভাবে কোনোভাবেই সড়কে টোল আদায় করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে অবৈধ টোল আদায়কারী বা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা হবে।

ডেমরা-রামপুরা সড়ক

বৃষ্টিতে খানাখন্দে জলাবদ্ধতা, যানজটে জনভোগান্তি

 মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, ডেমরা 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতার কারণে প্রতিদিনই রাজধানীর ডেমরা-রামপুরা সড়কে লেগে থাকে যানজট। মঙ্গলবার তোলা ছবি। যুগান্তর
খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতার কারণে প্রতিদিনই রাজধানীর ডেমরা-রামপুরা সড়কে লেগে থাকে যানজট। মঙ্গলবার তোলা ছবি। যুগান্তর

রাজধানীর প্রবেশদ্বার ডেমরা-রামপুরা সড়কে খানাখন্দের কারণে জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। সড়ক বিভাগের বিনা নজরদারির কারণে সড়কটিতে অল্প বৃষ্টি হলেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা, দেখা দেয় তীব্র যানজট।

বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দে ভরা কর্দমাক্ত ওই সড়কে ব্যাহত হয় পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল, প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। তার ওপর দিনের বেলায় ডেমরা-যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা-রামপুরা সড়কে বাস, মিনিবাস ও সিএনজি লেগুনা থেকে সিটি কর্পোরেশনের নামে অবৈধভাবে টোল আদায়ের কারণেও যানজটের সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি গভীর রাতে ডেমরা-রামপুরা সড়কের রাসেল পেট্রল পাম্প এলাকায় সড়ক গতিরোধকের সামনে একইভাবে সব ধরনের যানবাহন থেকেও চলে টোল আদায়।

ফলে গভীর রাতে যানজট আরও তীব্র আকার ধারণ করে। যাত্রী ও চালক শ্রেণির দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায় বলে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৬৪ ও ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের কিছু অংশসহ ৬৬ থেকে ৭০ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা হচ্ছে রাজধানীর ডেমরা থানা এলাকা।

সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও অন্যান্য পেশার মানুষসহ রূপগঞ্জ-সিদ্ধিরগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার ৫ লক্ষাধিক মানুষের চলাচল ডেমরা-রামপুরা সড়কে। রাতে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী ভারি যানবাহনসহ ২ লক্ষাধিক বিভিন্ন যানবাহনের চলাচল এ সড়কটিতে। একদিকে দিনে-রাতে চলছে টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজি, অন্যদিকে খানাখন্দে ভরা ডেমরা-রামপুরা সড়কটিতে প্রতিনিয়িত যানজটসহ নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে।

ডেমরা ট্রাফিক জোনের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) মো. সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ডেমরা-যাত্রাবাড়ী সড়ক ৬ লেনে উন্নয়নের কাজ শুরু হওয়ায় সড়ক সংকীর্ণ হয়েছে বলে ডেমরা-রামপুরা সড়কে যানবাহনের চাপ অনেকটাই বেড়ে গেছে। তাছাড়া ওই সড়কে খানাখন্দের পরিমাণ বেশি বলে প্রায়ই আমরা ইট-বালু দিয়ে খানাখন্দ ভরে দিলেও বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে পুনরায় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়। তবে সড়কে সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা রয়েছে বলে মানুষ চলাচল করতে পারছে।

সরেজমিন দেখা যায়, ডেমরা-যাত্রাবাড়ী সড়কে চলছে ছয় লেন উন্নয়নের কাজ। ফলে পার্শ্ববর্তী ডেমরা-রামপুরা সড়কে যানবাহন চলাচলে চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। সড়কটিতে দীর্ঘদিনের খানাখন্দ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তবে মাঝেমধ্যে সড়ক বিভাগের লোক দেখানো সংস্কারকাজ হলেও জলাবদ্ধতার কারণে সড়কে সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ট্রাফিক বিভাগ মাঝেমধ্যে ইট-বালু দিয়ে সড়কে গর্ত ভরাট করলেও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে সড়ক আগের রূপে ফিরে আসে।

টার্মিনাল না থাকায় সড়কটির দু’পাশে বাস ও সিএনজির স্টপেজ হওয়ায় প্রতিনিয়ত যানজট লেগেই থাকে। আর রাত ১১টার পর নিরিবিলি অবস্থায় ডেমরার স্টাফ কোয়ার্টার রাসেল পেট্রল পাম্প সংলগ্নে শুরু হয় সিটি কর্পোরেশনের নামে টোল আদায় যা নিয়মবহির্ভূত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অবৈধ অনুমোদনে দিনে-রাতে ডেমরা-যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা-রামপুরা সড়কে বাস, মিনিবাস, সিএনজি, পিকআপসহ পণ্য ও যাত্রীবাহী বিভিন্ন পরিবহন থেকে ওই চাঁদাবাজরা ৩০-৬০ টাকা ও সিএনজি-অটোরিকশা থেকে ১০ টাকা হারে টোল আদায় করার কথা থাকলেও যানবাহনভেদে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে ৩০-২০০ টাকা। তবে এ এলাকা থেকে সিটি কর্পোরেশনের নামে টোল আদায়ের কোনো নিয়ম নেই বলে সূত্রে জানা গেছে।

এতে সড়কে প্রতিরাতেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সড়কে কোনোভাবেই বিভিন্ন যানবাহন থেকে বৈধভাবে টোল আদায়ের কোনো নিয়ম নেই। এ ক্ষেত্রে ৩০ জুন সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক টোল আদায়ভুক্ত এলাকার মধ্যে গুলিস্তান, জয়কালি মন্দির, (সায়েদাবাদ সিটি) স্টপওভার টার্মিনাল ও আশপাশের এলাকায় শুধু বাস সেক্টর থেকে বৈধভাবে টোল আদায়ের মেয়াদ শেষ হয়েছে। বর্তমানে ডেমরায় সিটি কর্পোরেশনের নামে টোল আদায়ের বিষয়টি একেবারেই অবৈধ। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে এ অবৈধ চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বাহাদুর শাহ্ পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী যানবাহনের চালক যুগান্তরকে বলেন, সিটি কর্পোরেশনের নামে তারা অনেক দিন ধরেই আমাদের কাছে সিলিপের মাধ্যমে ৩০ টাকা করে টোল আদায় করছে। অন্যান্য বড় যানবাহন থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের যাত্রীবাহী যানবাহন থেকেও ৩০-২০০ টাকা টোল নিচ্ছে, যা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজধানীতে টোল আদায়ের সাবেক ইজারাদার মো. শাহাবুদ্দিন মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে বলেন, বর্তমানে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক টোল আদায়ভুক্ত এলাকার মধ্যে গুলিস্তান, জয়কালি মন্দির, (সায়েদাবাদ সিটি) স্টপওভার টার্মিনাল ও আশপাশের এলাকায়, এমনকি ডেমরায় টোল আদায়ে বর্তমানে সরকারি বা সিটি কর্পোরেশনের কোনো ইজারাভিত্তিক অনুমোদন নেই।

তবে নগরভবনের কতিপয় কর্মকর্তা বিভাগীয় ব্যবস্থায় মতিন মৃধা নামে কোনো এক ব্যক্তিকে অবৈধভাবে টোল আদায়ের অনুমোদন দিয়েছে বলে জেনেছি। তাও অবৈধ। ওই অনুমোদনের মেয়াদ গত ৩ সেপ্টেম্বর শেষ হয়েছে। কিন্তু ইজারাভিত্তিক বৈধতা ছাড়া অবৈধভাবে সড়কে টোল আদায় নিয়মবহির্ভূত।

এ বিষয়ে ওয়ারী বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. শাহ ইফতেখার আহমেদ মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে বলেন, সিটি কর্পোরেশনের নামে দিনে-রাতে টোল আদায়ের বৈধতার বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখব। অবৈধভাবে কোনোভাবেই সড়কে টোল আদায় করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে অবৈধ টোল আদায়কারী বা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা হবে।