ভালো পাঠকই ভালো লেখক তৈরি করে
jugantor
শুক্রবারের সাক্ষাৎকার
ভালো পাঠকই ভালো লেখক তৈরি করে

  জুননু রাইন  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক গবেষক ও সাহিত্য সমালোচক রফিকউল্লাহ

বাংলাদেশের বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক গবেষক ও সাহিত্য সমালোচক রফিকউল্লাহ খান ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২১ জানুয়ারি মানিকগঞ্জ জেলার চরগোবিন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

সাহিত্য গবেষণায় তিনি বিষয় ও শৈলীগত পর্যালোচনায় অনন্য ভাষাভঙ্গির আশ্রয় নিয়েছেন, যা তাকে এক্ষেত্রে অনন্য করে তুলেছে।

তার সাধনার প্রিয় বিষয় কবিতা ও কথাসাহিত্য। কথাসাহিত্য নিয়ে তার গবেষণাগ্রন্থ বাংলাদেশের উপন্যাস : বিষয় ও শিল্পরূপ বাংলাদেশের সাহিত্য গবেষণার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন। পেশায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক।

বর্তমানে নেত্রকোনা জেলায় অবস্থিত শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করছেন। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলি : কবিতা ও সমাজ, শতবর্ষের উপন্যাস, মাইকেল রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্য, হাসান হাফিজুর রহমান : জীবন ও সাহিত্য প্রভৃতি।

সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০১৭ সালে লাভ করেছেন বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জুননু রাইন

যুগান্তর : দীর্ঘ সময় ধরে গবেষণা ও বাংলা প্রবন্ধসাহিত্য চর্চা করে যাচ্ছেন। এ দীর্ঘ সাহিত্যযাপনের অভিজ্ঞতায় সামনের দিনগুলোয় সাহিত্যের বিশেষ কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখছেন?

রফিকউল্লাহ খান : বিশেষ কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখছি না। আসলে এক্ষেত্রে যতটা চর্চা ও সাধনা দরকার- তার ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী গবেষকদের অনুকরণ করা হচ্ছে। কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ডিগ্রি প্রাপ্তির জন্য গবেষণা হচ্ছে। কিন্তু মৌলিক কাজ খুব একটা দৃশ্যমান নয়। একটা সাহিত্য আবর্জনা তৈরি হচ্ছে বলা যায়।

যুগান্তর : করোনা-পরবর্তীকালে পাঠকের মানসিকতায় কোন ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে?

রফিকউল্লাহ খান : খুব বেশি পরিবর্তন আসবে বলে মনে হয় না। করোনাকালে দেখা যাচ্ছে, মানুষ আসলে খুব বিশৃঙ্খল প্রাণী। মানুষ গাছপালা ধ্বংস করছে ও প্রকৃতিকে ধ্বংস করছে। এ অবস্থার পরিবর্তন হবে বলে মনে হয় না।

যুগান্তর : আপনার লেখালেখির শুরু থেকে সাহিত্যে বিশেষ পরিবর্তনের সময়টি বলেন, কী ধরনের পরিবর্তন চোখে পড়েছে?

রফিকউল্লাহ খান : আমার সমকালীন সত্তর দশকে যারা ভালো লিখতেন তারা কিন্তু খুব বেশিদূর অগ্রসর হতে পারেননি। তারা বিভিন্নভাবে আত্মাহুতি দিয়েছেন। অন্য যারা লিখেছেন তারা সমকালে যতটা সম্ভাবনা নিয়ে শুরু করেছিলেন, পরবর্তীকালে ততটা উজ্জ্বল হয়ে উঠতে পারেননি। আবার কেউ কেউ সমকালকে ধারণ করেই সীমাবদ্ধ ছিলেন। পরবর্তীকালে কেউ কেউ ভালো লিখেছেন। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ভালো লেখা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আসলে রবীন্দ্রনাথের পর এমন কাউকে পাওয়া যায় না, যিনি প্রতিনিয়ত নিজেকে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চিরকালের হয়ে উঠতে পেরেছেন।

যুগান্তর : বর্তমানে বাংলাদেশের সাহিত্যে ভালো লেখকের অভাব নাকি ভালোমানের পাঠকের অভাব?

রফিকউল্লাহ খান : ভালো পাঠকই আসলে ভালো লেখক তৈরি করে। ততটা অধ্যবসায়ী পাঠকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে বলে মনে হয়। বর্তমানে ভালো লেখা হচ্ছে না- তা বলব না। তবে আবর্জনাও তৈরি হচ্ছে প্রচুর।

যুগান্তর : যাদের লেখা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, জীবিত এমন তিনজন লেখকের নাম-

রফিকউল্লাহ খান : জীবিত এমন লেখক দেখতে পাচ্ছি না। আহমদ ছফা ও আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বেঁচে থাকলে তাদের কথা বলা যেত।

যুগান্তর : লেখক হিসেবে বহুল আলোচিত কিন্তু আপনার বিবেচনায় এদের নিয়ে এতটা আলোচনা হওয়ার কিছু নেই, এমন তিনজন লেখকের নাম-

রফিকউল্লাহ খান : বর্তমান প্রচারের যুগে লেখকদের মধ্যে লেখার চেয়ে আত্মপ্রচারের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। যার নিভৃতে সাহিত্যচর্চা করার কথা, সে টিভি টকশোতে যাচ্ছে। এমন লেখক আছেন, তাদের নাম এখন বলতে চাচ্ছি না।

যুগান্তর : এখানে গুরুত্বপূর্ণ লেখকরা কি কম আলোচিত? যদি সেটি হয় তাহলে কী কী কারণে হচ্ছে?

রফিকউল্লাহ খান : বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের নামও অনেকে জানেন না। শওকত আলী যতটা আলোচিত হওয়া দরকার, ততটা হয়নি। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের যতটা মনোযোগ পাওয়া উচিত ছিল, ততটা পায়নি। গভীর পঠন-পাঠনের মধ্য দিয়ে এদের খুব একটা তুলে ধরা হয়নি।

যুগান্তর : সাহিত্য থেকে হওয়া আপনার দেখা সেরা সিনেমা কোনটি?

রফিকউল্লাহ খান : পথের পাচালি।

যুগান্তর : জীবিত একজন আদর্শ রাজনীতিবিদের নাম বলুন।

রফিকউল্লাহ খান : শেখ হাসিনা।

যুগান্তর : দুই বাংলার সাহিত্য তুলনা করলে বর্তমানে আমরা কোন বিভাগে এগিয়ে আর কোন বিভাগে পিছিয়ে?

রফিকউল্লাহ খান : আমার মনে হয়, প্রবন্ধ সাহিত্যে আমরা এগিয়ে আছি। আর অন্যক্ষেত্রে ততটা নয়।

যুগান্তর : একজন অগ্রজ এবং একজন অনুজ লেখকের নাম বলুন, যারা বাংলা সাহিত্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

রফিকউল্লাহ খান : তাদের নাম এখন বলতে চাচ্ছি না। আর তরুণদের এখনই মূল্যায়নের সময় হয়েছে বলে আমি মনে করি না।

যুগান্তর : এমন দুটো বই, যা অবশ্যই পড়া উচিত বলে পাঠককে পরামর্শ দেবেন।

রফিকউল্লাহ খান : সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ আর আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘খোয়াবনামা’।

যুগান্তর : লেখক না হলে কী হতে চাইতেন।

রফিকউল্লাহ খান : লেখক না হলে আমি বই বিক্রেতা হতে চাইতাম।

যুগান্তর : আপনার সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয় ও খারাপ লাগার বিষয় কী?

রফিকউল্লাহ খান : সামাজিক ও পারিবারিক যেসব মূল্যবোধ আমরা ধরে রাখতে পেরেছি- সেটি আমার ভালো লাগার বিষয়। আর খারাপ লাগে পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণ।

শুক্রবারের সাক্ষাৎকার

ভালো পাঠকই ভালো লেখক তৈরি করে

 জুননু রাইন 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
বাংলাদেশের বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক গবেষক ও সাহিত্য সমালোচক রফিকউল্লাহ
ছবি: যুগান্তর

বাংলাদেশের বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক গবেষক ও সাহিত্য সমালোচক রফিকউল্লাহ খান ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২১ জানুয়ারি মানিকগঞ্জ জেলার চরগোবিন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

সাহিত্য গবেষণায় তিনি বিষয় ও শৈলীগত পর্যালোচনায় অনন্য ভাষাভঙ্গির আশ্রয় নিয়েছেন, যা তাকে এক্ষেত্রে অনন্য করে তুলেছে।

তার সাধনার প্রিয় বিষয় কবিতা ও কথাসাহিত্য। কথাসাহিত্য নিয়ে তার গবেষণাগ্রন্থ বাংলাদেশের উপন্যাস : বিষয় ও শিল্পরূপ বাংলাদেশের সাহিত্য গবেষণার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন। পেশায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক।

বর্তমানে নেত্রকোনা জেলায় অবস্থিত শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করছেন। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলি : কবিতা ও সমাজ, শতবর্ষের উপন্যাস, মাইকেল রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্য, হাসান হাফিজুর রহমান : জীবন ও সাহিত্য প্রভৃতি।

সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০১৭ সালে লাভ করেছেন বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জুননু রাইন

যুগান্তর : দীর্ঘ সময় ধরে গবেষণা ও বাংলা প্রবন্ধসাহিত্য চর্চা করে যাচ্ছেন। এ দীর্ঘ সাহিত্যযাপনের অভিজ্ঞতায় সামনের দিনগুলোয় সাহিত্যের বিশেষ কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখছেন?

রফিকউল্লাহ খান : বিশেষ কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখছি না। আসলে এক্ষেত্রে যতটা চর্চা ও সাধনা দরকার- তার ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী গবেষকদের অনুকরণ করা হচ্ছে। কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ডিগ্রি প্রাপ্তির জন্য গবেষণা হচ্ছে। কিন্তু মৌলিক কাজ খুব একটা দৃশ্যমান নয়। একটা সাহিত্য আবর্জনা তৈরি হচ্ছে বলা যায়।

যুগান্তর : করোনা-পরবর্তীকালে পাঠকের মানসিকতায় কোন ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে?

রফিকউল্লাহ খান : খুব বেশি পরিবর্তন আসবে বলে মনে হয় না। করোনাকালে দেখা যাচ্ছে, মানুষ আসলে খুব বিশৃঙ্খল প্রাণী। মানুষ গাছপালা ধ্বংস করছে ও প্রকৃতিকে ধ্বংস করছে। এ অবস্থার পরিবর্তন হবে বলে মনে হয় না।

যুগান্তর : আপনার লেখালেখির শুরু থেকে সাহিত্যে বিশেষ পরিবর্তনের সময়টি বলেন, কী ধরনের পরিবর্তন চোখে পড়েছে?

রফিকউল্লাহ খান : আমার সমকালীন সত্তর দশকে যারা ভালো লিখতেন তারা কিন্তু খুব বেশিদূর অগ্রসর হতে পারেননি। তারা বিভিন্নভাবে আত্মাহুতি দিয়েছেন। অন্য যারা লিখেছেন তারা সমকালে যতটা সম্ভাবনা নিয়ে শুরু করেছিলেন, পরবর্তীকালে ততটা উজ্জ্বল হয়ে উঠতে পারেননি। আবার কেউ কেউ সমকালকে ধারণ করেই সীমাবদ্ধ ছিলেন। পরবর্তীকালে কেউ কেউ ভালো লিখেছেন। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ভালো লেখা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আসলে রবীন্দ্রনাথের পর এমন কাউকে পাওয়া যায় না, যিনি প্রতিনিয়ত নিজেকে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চিরকালের হয়ে উঠতে পেরেছেন।

যুগান্তর : বর্তমানে বাংলাদেশের সাহিত্যে ভালো লেখকের অভাব নাকি ভালোমানের পাঠকের অভাব?

রফিকউল্লাহ খান : ভালো পাঠকই আসলে ভালো লেখক তৈরি করে। ততটা অধ্যবসায়ী পাঠকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে বলে মনে হয়। বর্তমানে ভালো লেখা হচ্ছে না- তা বলব না। তবে আবর্জনাও তৈরি হচ্ছে প্রচুর।

যুগান্তর : যাদের লেখা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, জীবিত এমন তিনজন লেখকের নাম-

রফিকউল্লাহ খান : জীবিত এমন লেখক দেখতে পাচ্ছি না। আহমদ ছফা ও আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বেঁচে থাকলে তাদের কথা বলা যেত।

যুগান্তর : লেখক হিসেবে বহুল আলোচিত কিন্তু আপনার বিবেচনায় এদের নিয়ে এতটা আলোচনা হওয়ার কিছু নেই, এমন তিনজন লেখকের নাম-

রফিকউল্লাহ খান : বর্তমান প্রচারের যুগে লেখকদের মধ্যে লেখার চেয়ে আত্মপ্রচারের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। যার নিভৃতে সাহিত্যচর্চা করার কথা, সে টিভি টকশোতে যাচ্ছে। এমন লেখক আছেন, তাদের নাম এখন বলতে চাচ্ছি না।

যুগান্তর : এখানে গুরুত্বপূর্ণ লেখকরা কি কম আলোচিত? যদি সেটি হয় তাহলে কী কী কারণে হচ্ছে?

রফিকউল্লাহ খান : বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের নামও অনেকে জানেন না। শওকত আলী যতটা আলোচিত হওয়া দরকার, ততটা হয়নি। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের যতটা মনোযোগ পাওয়া উচিত ছিল, ততটা পায়নি। গভীর পঠন-পাঠনের মধ্য দিয়ে এদের খুব একটা তুলে ধরা হয়নি।

যুগান্তর : সাহিত্য থেকে হওয়া আপনার দেখা সেরা সিনেমা কোনটি?

রফিকউল্লাহ খান : পথের পাচালি।

যুগান্তর : জীবিত একজন আদর্শ রাজনীতিবিদের নাম বলুন।

রফিকউল্লাহ খান : শেখ হাসিনা।

যুগান্তর : দুই বাংলার সাহিত্য তুলনা করলে বর্তমানে আমরা কোন বিভাগে এগিয়ে আর কোন বিভাগে পিছিয়ে?

রফিকউল্লাহ খান : আমার মনে হয়, প্রবন্ধ সাহিত্যে আমরা এগিয়ে আছি। আর অন্যক্ষেত্রে ততটা নয়।

যুগান্তর : একজন অগ্রজ এবং একজন অনুজ লেখকের নাম বলুন, যারা বাংলা সাহিত্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

রফিকউল্লাহ খান : তাদের নাম এখন বলতে চাচ্ছি না। আর তরুণদের এখনই মূল্যায়নের সময় হয়েছে বলে আমি মনে করি না।

যুগান্তর : এমন দুটো বই, যা অবশ্যই পড়া উচিত বলে পাঠককে পরামর্শ দেবেন।

রফিকউল্লাহ খান : সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ আর আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘খোয়াবনামা’।

যুগান্তর : লেখক না হলে কী হতে চাইতেন।

রফিকউল্লাহ খান : লেখক না হলে আমি বই বিক্রেতা হতে চাইতাম।

যুগান্তর : আপনার সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয় ও খারাপ লাগার বিষয় কী?

রফিকউল্লাহ খান : সামাজিক ও পারিবারিক যেসব মূল্যবোধ আমরা ধরে রাখতে পেরেছি- সেটি আমার ভালো লাগার বিষয়। আর খারাপ লাগে পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন