কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে সুদ হার কমল
jugantor
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে ব্যাংকগুলোর বিশেষ তহবিল
কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে সুদ হার কমল

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ২০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের নীতিমালায় ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ তহবিল গঠন করতে ব্যাংকগুলো এখন বাংলাদেশ ব্যাংকে সরকারি বিল বা বন্ড বন্ধক রেখে কম সুদে ঋণ নিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারণী ট্রেজারি বিল পুনরায় কিনে নেয়া বা রেপো সুদের হার কমিয়ে দেয়া হয়েছে।

এছাড়া যে কোনো মেয়াদের সরকারি-বেসরকারি বিল বা বন্ড বিক্রি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া যাবে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আলোচ্য তহবিলের জন্য বর্তমানে রেপো সুদের হার ৫ শতাংশ। ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের তহবিল গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে রেপোর আওতায় ঋণ নিলে সুদ দিতে হবে ৪ দশমকি ৭৫ শতাংশ। এক্ষেত্রে সুদের হার শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ কমানো হয়েছে।

ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নিলামের মাধ্যমে বিভিন্ন ট্রেজারি বিল বা বন্ড কিনে সরকারকে ঋণের জোগান দিয়ে থাকে। এসব বিল বা বন্ড আবার বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিক্রি (রেপো) করে নগদ টাকা তুলে নিতে পারে।

এই প্রক্রিয়ায় ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য তহবিল গঠন করতে পারবে। এক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে উৎসাহিত করার জন্য রেপোর সুদের হার কমানো হয়েছে।

এছাড়াও শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব বিল বা বন্ডের সুদের হার কমপক্ষে ১০ শতাংশ সেগুলোও কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বন্ধক রেখে ঋণ নেয়া যাবে। সাধারণত ১৫ ও ২০ বছর মেয়াদি বন্ডের সুদের হার ১০ শতাংশের ওপরে হয়।

১০ বছর মেয়াদি বন্ডের বিপরীতে টাকা নিতে হলে এর সুদের হারের সঙ্গে ১ শতাংশ যোগ করে নিতে হবে। বর্তমানে এ বন্ডের সুদের হার ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ। এর সঙ্গে ১ শতাংশ যোগ করলে সুদের হার হবে ১০ দশমিক ১৫ শতাংশ।

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কর্তৃক ঘোষিত সম্পদের বিপরীতে কোম্পানিগুলোর ইস্যু করা বন্ড কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বন্ধক রেখেও ঋণ নেয়া যাবে। এক্ষেত্রে সুদের হার কমপক্ষে ৮ শতাংশ হতে হবে।

সার্কুলারে বলা হয়, যেসব রেপোর মেয়াদ চলমান আছে সেগুলোর মেয়াদ শেষ হলে নতুন সুদের হার কার্যকর হবে। নতুন রেপোর ক্ষেত্রে নতুন সুদ হার কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য, শেয়ারবাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়ানোর জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক সার্কুলারের মাধ্যমে প্রতিটি ব্যাংকে ২০০ কোটি টাকার তহবিল গঠনের পরামর্শ দেয়। প্রথমে নিজস্ব অর্থ থেকে এ তহবিল গঠন করতে হবে। পরে অর্থের প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে রেপোর মাধ্যমে অর্থ নিতে পারবে।

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে ব্যাংকগুলোর বিশেষ তহবিল

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে সুদ হার কমল

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ২০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের নীতিমালায় ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ তহবিল গঠন করতে ব্যাংকগুলো এখন বাংলাদেশ ব্যাংকে সরকারি বিল বা বন্ড বন্ধক রেখে কম সুদে ঋণ নিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারণী ট্রেজারি বিল পুনরায় কিনে নেয়া বা রেপো সুদের হার কমিয়ে দেয়া হয়েছে।

এছাড়া যে কোনো মেয়াদের সরকারি-বেসরকারি বিল বা বন্ড বিক্রি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া যাবে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আলোচ্য তহবিলের জন্য বর্তমানে রেপো সুদের হার ৫ শতাংশ। ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের তহবিল গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে রেপোর আওতায় ঋণ নিলে সুদ দিতে হবে ৪ দশমকি ৭৫ শতাংশ। এক্ষেত্রে সুদের হার শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ কমানো হয়েছে।

ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নিলামের মাধ্যমে বিভিন্ন ট্রেজারি বিল বা বন্ড কিনে সরকারকে ঋণের জোগান দিয়ে থাকে। এসব বিল বা বন্ড আবার বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিক্রি (রেপো) করে নগদ টাকা তুলে নিতে পারে।

এই প্রক্রিয়ায় ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য তহবিল গঠন করতে পারবে। এক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে উৎসাহিত করার জন্য রেপোর সুদের হার কমানো হয়েছে।

এছাড়াও শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব বিল বা বন্ডের সুদের হার কমপক্ষে ১০ শতাংশ সেগুলোও কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বন্ধক রেখে ঋণ নেয়া যাবে। সাধারণত ১৫ ও ২০ বছর মেয়াদি বন্ডের সুদের হার ১০ শতাংশের ওপরে হয়।

১০ বছর মেয়াদি বন্ডের বিপরীতে টাকা নিতে হলে এর সুদের হারের সঙ্গে ১ শতাংশ যোগ করে নিতে হবে। বর্তমানে এ বন্ডের সুদের হার ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ। এর সঙ্গে ১ শতাংশ যোগ করলে সুদের হার হবে ১০ দশমিক ১৫ শতাংশ।

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কর্তৃক ঘোষিত সম্পদের বিপরীতে কোম্পানিগুলোর ইস্যু করা বন্ড কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বন্ধক রেখেও ঋণ নেয়া যাবে। এক্ষেত্রে সুদের হার কমপক্ষে ৮ শতাংশ হতে হবে।

সার্কুলারে বলা হয়, যেসব রেপোর মেয়াদ চলমান আছে সেগুলোর মেয়াদ শেষ হলে নতুন সুদের হার কার্যকর হবে। নতুন রেপোর ক্ষেত্রে নতুন সুদ হার কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য, শেয়ারবাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়ানোর জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক সার্কুলারের মাধ্যমে প্রতিটি ব্যাংকে ২০০ কোটি টাকার তহবিল গঠনের পরামর্শ দেয়। প্রথমে নিজস্ব অর্থ থেকে এ তহবিল গঠন করতে হবে। পরে অর্থের প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে রেপোর মাধ্যমে অর্থ নিতে পারবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন