নাটোরের সিংড়া পৌর শহর পানির নিচে
jugantor
নাটোরের সিংড়া পৌর শহর পানির নিচে
গাইবান্ধায় করতোয়ার বাঁধে ভাঙন

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নাটোরের সিংড়ায় আত্রাই নদীর পানি বিপদসীমার ১০৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। এই এলাকায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সিংড়া পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১১টি পানিতে তলিয়ে গেছে। এদিকে গাইবান্ধায় করতোয়া বইছে বিপদসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে। জেলার সাপমারা ইউনিয়নে বাঁধ ভেঙে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

সিংড়া (নাটোর) : ভারী বর্ষণের ফলে আত্রাই নদীর পানি সিংড়া পয়েন্টে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে বিপদসীমার ১০৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। সিংসোঁতি জালের ফাঁদে পানি আটকে সিংড়া পৌরসভার পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১১টি ওয়ার্ডের সব মানুষ পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনের রাস্তা ও সরকারি অফিসগুলোতে পানি প্রবেশ করায় সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিনিয়তই বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। এদিকে আত্রাই নদীর দু’পাশের সিংড়া-টু-কলম ইউনিয়নের পাকা রাস্তা ভেঙে লক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বন্যা মোকাবেলায় বুধবার দুপুরে জরুরি সভা করেছে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। এখন পর্যন্ত ২২টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। অধিকাংশ স্কুল-কলেজ আশ্রয় কেন্দ্রের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

গাইবান্ধা : গাইবান্ধায় সব নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার কিছুটা নিচে থাকলেও করতোয়া এবং ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার অনেক উপরে। মঙ্গলবার বিকাল ৩টা থেকে বুধবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করতোয়ার পানি গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালি পয়েন্টে ১৫ সেমি. বৃদ্ধি পেয়ে এখন ৯৮ সেমি. উপরে বইয়ে। অপরদিকে ঘাঘট নদীর পানি গাইবান্ধা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৮ সেমি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এদিকে করতোয়ার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভাসহ ১০টি ইউনিয়নের নতুন এলাকা বন্যাকবলিত হয়েছে। সাপমারা ইউনিয়নের চকরহিমাপুরে করতোয়ার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বুধবার গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর ভায়া ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কের তিন কিলোমিটার পানিতে ডুবে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলছে। পলাশবাড়ি উপজেলায় করতোয়ার পানি বাড়ায় কিশোরগাড়ি ও হোসেনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন বুধবার গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা ও ফুলবাড়ি ইউনিয়নের বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। গোবিন্দগঞ্জ বন্যাকবলিত এলাকার জন্য আর ১৫ মে. টন চাল ও ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

নাটোরের সিংড়া পৌর শহর পানির নিচে

গাইবান্ধায় করতোয়ার বাঁধে ভাঙন
 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নাটোরের সিংড়ায় আত্রাই নদীর পানি বিপদসীমার ১০৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। এই এলাকায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সিংড়া পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১১টি পানিতে তলিয়ে গেছে। এদিকে গাইবান্ধায় করতোয়া বইছে বিপদসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে। জেলার সাপমারা ইউনিয়নে বাঁধ ভেঙে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

সিংড়া (নাটোর) : ভারী বর্ষণের ফলে আত্রাই নদীর পানি সিংড়া পয়েন্টে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে বিপদসীমার ১০৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। সিংসোঁতি জালের ফাঁদে পানি আটকে সিংড়া পৌরসভার পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১১টি ওয়ার্ডের সব মানুষ পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনের রাস্তা ও সরকারি অফিসগুলোতে পানি প্রবেশ করায় সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিনিয়তই বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। এদিকে আত্রাই নদীর দু’পাশের সিংড়া-টু-কলম ইউনিয়নের পাকা রাস্তা ভেঙে লক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বন্যা মোকাবেলায় বুধবার দুপুরে জরুরি সভা করেছে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। এখন পর্যন্ত ২২টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। অধিকাংশ স্কুল-কলেজ আশ্রয় কেন্দ্রের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

গাইবান্ধা : গাইবান্ধায় সব নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার কিছুটা নিচে থাকলেও করতোয়া এবং ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার অনেক উপরে। মঙ্গলবার বিকাল ৩টা থেকে বুধবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করতোয়ার পানি গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালি পয়েন্টে ১৫ সেমি. বৃদ্ধি পেয়ে এখন ৯৮ সেমি. উপরে বইয়ে। অপরদিকে ঘাঘট নদীর পানি গাইবান্ধা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৮ সেমি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এদিকে করতোয়ার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভাসহ ১০টি ইউনিয়নের নতুন এলাকা বন্যাকবলিত হয়েছে। সাপমারা ইউনিয়নের চকরহিমাপুরে করতোয়ার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বুধবার গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর ভায়া ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কের তিন কিলোমিটার পানিতে ডুবে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলছে। পলাশবাড়ি উপজেলায় করতোয়ার পানি বাড়ায় কিশোরগাড়ি ও হোসেনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন বুধবার গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা ও ফুলবাড়ি ইউনিয়নের বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। গোবিন্দগঞ্জ বন্যাকবলিত এলাকার জন্য আর ১৫ মে. টন চাল ও ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।