চট্টগ্রামে ফানুসের আলোয় ঝলমলে আকাশ
jugantor
প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপিত
চট্টগ্রামে ফানুসের আলোয় ঝলমলে আকাশ

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

০২ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ সারা দেশে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা বৃহস্পতিবার উদযাপিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ পূজা, পঞ্চশীল প্রার্থনা, শীলগ্রহণ ও প্রদীপ পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

এর মাধ্যমে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা ভিক্ষুদের কাছে পাপমোচনের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। সন্ধ্যায় ওড়ানো হয় ফানুস।

চট্টগ্রামে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারসহ বিভিন্ন স্থানে ফানুস ওড়ানো হয়। এ সময় ফানুসের আলোয় ঝলমলে হয়ে ওঠে নগরীর আকাশ।

এছাড়া দিনভর বুদ্ধপূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুখর ছিল মন্দিরগুলো। প্রবারণা পূর্ণিমা ঘিরে বৌদ্ধ বিহারগুলোর আশপাশে বসে নানা সামগ্রীর মেলা।

এদিকে শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বৃহস্পতিবার সকালে নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহার ও কাতালগঞ্জ বৌদ্ধ বিহারে উপস্থিত হয়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় তিনি বলেন, প্রবারণার মূল প্রতিপাদ্য আত্মশুদ্ধি, শুভ, সত্য ও সুন্দরকে বরণ করে অসত্য ও অসুন্দরকে বর্জন করা।

এ সময় চসিক প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, রাজনীতিক জামশেদুল আলম চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন, চসিক নির্বাহী প্রকৌশলী অসীম বড়ুয়া, জয়সেন বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির চেয়ারম্যান অজিত রঞ্জন বড়ুয়া, সমাজকল্যাণ সম্পাদক টিংকু বড়ুয়া, সচিভূষণ বড়ুয়া, সাধন বড়ুয়া, দীলিপ বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মতে, এ শুভ তিথিতে ভগবান বুদ্ধ দেবলোক হতে সাংকশ্য নগরে অবতরণ করেছিলেন। প্রবারণা শব্দের অর্থ আশার তৃপ্তি, অভিলাষ পূরণ, ধ্যান বা শিক্ষা সমাপ্তি বোঝায়।

আত্মশুদ্ধি বা আত্মসমালোচনাও বলে। এটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব। বিশেষ সূত্রপাঠের মধ্য দিয়ে বিশ্বশান্তি কামনায় দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।

সকাল ৭টায় দেশের প্রতিটি বিহার প্রাঙ্গণে উত্তোলন করা হয় জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা। এরপর দিনবাপী বৌদ্ধ পূজা, উপাসক-উপাসিকা, দায়ক-দায়িকারা পঞ্চশীলে প্রতিষ্ঠিত হয়ে অষ্টশীল গ্রহণ করেন।

সন্ধ্যায় আলো-ঝলমলে বাতি দিয়ে বিহারে করা হয় আলোকসজ্জা। প্রদীপ পূজার পাশাপাশি সকালের মতো প্রার্থনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

নিয়ম অনুযায়ী, পরের দিন (আজ) থেকেই বিভিন্ন বিহারে পালিত হবে কঠিন চীবরদান উৎসব। তবে করোনা মহামারীর কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে এবারের আয়োজন হচ্ছে।

প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপিত

চট্টগ্রামে ফানুসের আলোয় ঝলমলে আকাশ

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
০২ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ সারা দেশে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা বৃহস্পতিবার উদযাপিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ পূজা, পঞ্চশীল প্রার্থনা, শীলগ্রহণ ও প্রদীপ পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

এর মাধ্যমে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা ভিক্ষুদের কাছে পাপমোচনের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। সন্ধ্যায় ওড়ানো হয় ফানুস।

চট্টগ্রামে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারসহ বিভিন্ন স্থানে ফানুস ওড়ানো হয়। এ সময় ফানুসের আলোয় ঝলমলে হয়ে ওঠে নগরীর আকাশ।

এছাড়া দিনভর বুদ্ধপূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুখর ছিল মন্দিরগুলো। প্রবারণা পূর্ণিমা ঘিরে বৌদ্ধ বিহারগুলোর আশপাশে বসে নানা সামগ্রীর মেলা।

এদিকে শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বৃহস্পতিবার সকালে নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহার ও কাতালগঞ্জ বৌদ্ধ বিহারে উপস্থিত হয়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় তিনি বলেন, প্রবারণার মূল প্রতিপাদ্য আত্মশুদ্ধি, শুভ, সত্য ও সুন্দরকে বরণ করে অসত্য ও অসুন্দরকে বর্জন করা।

এ সময় চসিক প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, রাজনীতিক জামশেদুল আলম চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন, চসিক নির্বাহী প্রকৌশলী অসীম বড়ুয়া, জয়সেন বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির চেয়ারম্যান অজিত রঞ্জন বড়ুয়া, সমাজকল্যাণ সম্পাদক টিংকু বড়ুয়া, সচিভূষণ বড়ুয়া, সাধন বড়ুয়া, দীলিপ বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মতে, এ শুভ তিথিতে ভগবান বুদ্ধ দেবলোক হতে সাংকশ্য নগরে অবতরণ করেছিলেন। প্রবারণা শব্দের অর্থ আশার তৃপ্তি, অভিলাষ পূরণ, ধ্যান বা শিক্ষা সমাপ্তি বোঝায়।

আত্মশুদ্ধি বা আত্মসমালোচনাও বলে। এটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব। বিশেষ সূত্রপাঠের মধ্য দিয়ে বিশ্বশান্তি কামনায় দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।

সকাল ৭টায় দেশের প্রতিটি বিহার প্রাঙ্গণে উত্তোলন করা হয় জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা। এরপর দিনবাপী বৌদ্ধ পূজা, উপাসক-উপাসিকা, দায়ক-দায়িকারা পঞ্চশীলে প্রতিষ্ঠিত হয়ে অষ্টশীল গ্রহণ করেন।

সন্ধ্যায় আলো-ঝলমলে বাতি দিয়ে বিহারে করা হয় আলোকসজ্জা। প্রদীপ পূজার পাশাপাশি সকালের মতো প্রার্থনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

নিয়ম অনুযায়ী, পরের দিন (আজ) থেকেই বিভিন্ন বিহারে পালিত হবে কঠিন চীবরদান উৎসব। তবে করোনা মহামারীর কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে এবারের আয়োজন হচ্ছে।