বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক দৃঢ় ও গতিশীল
jugantor
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক দৃঢ় ও গতিশীল

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৫ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে। ভারতে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পরে তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারতের বর্তমান সরকার বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনর্গঠন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের আন্তরিক সমর্থন বাড়িয়েছে। খবর এএনআই।

বিনিময়ে শেখ হাসিনা সরকার সহযোগিতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। যার মাধ্যমে উভয় দেশের মানুষ দারুণভাবে উপকৃত হচ্ছে। ট্রানজিট, ট্রান্স-শিপমেন্ট এবং আঞ্চলিক সংযোগ স্থাপনের ফলে দু’দেশের বাণিজ্য ও পর্যটনে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

দু’দেশের প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সীমান্তবর্তী ছিটমহল সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে নতুন ইতিহাস তৈরি করেন। যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অর্জন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে একটি চুক্তি সই হওয়া সত্ত্বেও প্রায় ৪০ বছর ধরে ঝুলে থাকা জটিল সীমান্ত সমস্যা ভারতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে অভূতপূর্ব বিল পাসের মাধ্যমে সমাধান হয়েছে।

তার বিনিময়ে শেখ হাসিনা সরকার সহযোগিতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে তার কড়া পদক্ষেপের ফলে ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলগুলোতে শান্তি নেমে এসেছে। যার ফলে নরেন্দ্র মোদির সরকার তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদীদেরকে নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস ও জঙ্গিদের কঠোরভাবে দমন করার ফলে এ অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদ কমে এসেছে, যার সুফল পাচ্ছে ভারত। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক মূলত ঐতিহাসিক সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তার মাধ্যমে ভারত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

ভারত প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয়। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে ভারত। বাংলাদেশ ও ভারত ইতিহাস, ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা এবং আত্মীয়তার অবিচ্ছেদ্য বন্ধনে আবদ্ধ দুটি দেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ সম্পর্কের স্থপতি।

বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক দৃঢ় ও গতিশীল

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৫ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে। ভারতে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পরে তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারতের বর্তমান সরকার বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনর্গঠন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের আন্তরিক সমর্থন বাড়িয়েছে। খবর এএনআই।

বিনিময়ে শেখ হাসিনা সরকার সহযোগিতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। যার মাধ্যমে উভয় দেশের মানুষ দারুণভাবে উপকৃত হচ্ছে। ট্রানজিট, ট্রান্স-শিপমেন্ট এবং আঞ্চলিক সংযোগ স্থাপনের ফলে দু’দেশের বাণিজ্য ও পর্যটনে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

দু’দেশের প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সীমান্তবর্তী ছিটমহল সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে নতুন ইতিহাস তৈরি করেন। যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অর্জন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে একটি চুক্তি সই হওয়া সত্ত্বেও প্রায় ৪০ বছর ধরে ঝুলে থাকা জটিল সীমান্ত সমস্যা ভারতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে অভূতপূর্ব বিল পাসের মাধ্যমে সমাধান হয়েছে।

তার বিনিময়ে শেখ হাসিনা সরকার সহযোগিতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে তার কড়া পদক্ষেপের ফলে ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলগুলোতে শান্তি নেমে এসেছে। যার ফলে নরেন্দ্র মোদির সরকার তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদীদেরকে নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস ও জঙ্গিদের কঠোরভাবে দমন করার ফলে এ অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদ কমে এসেছে, যার সুফল পাচ্ছে ভারত। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক মূলত ঐতিহাসিক সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তার মাধ্যমে ভারত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

ভারত প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয়। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে ভারত। বাংলাদেশ ও ভারত ইতিহাস, ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা এবং আত্মীয়তার অবিচ্ছেদ্য বন্ধনে আবদ্ধ দুটি দেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ সম্পর্কের স্থপতি।