সিভিল এভিয়েশনের নির্বাহী প্রকৌশলীর ১০ বছর কারাদণ্ড
jugantor
সিভিল এভিয়েশনের নির্বাহী প্রকৌশলীর ১০ বছর কারাদণ্ড

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৬ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সিভিল এভিয়েশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আছির উদ্দিনের ১০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামির সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী আসাদুজ্জামান রানা যুগান্তরকে বলেন, আদালত দুটি ধারায় আসামিকে সাজা দিয়েছেন। এক ধারায় ৮ বছর কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং অপর ধারায় ২ বছর কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দুটি ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে। এছাড়া আসামির উত্তরার একটি বাড়ি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ২০১৭ সালের ১৪ মে রমনা থানায় মামলা করে দুদক। প্রায় প্রায় তিন কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি করা হয়। তদন্ত শেষে ২০১৮ সালে তার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় দুদক। এরপর আদালত ওই চার্জশিট আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু করেন।

সিভিল এভিয়েশনের নির্বাহী প্রকৌশলীর ১০ বছর কারাদণ্ড

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৬ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সিভিল এভিয়েশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আছির উদ্দিনের ১০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামির সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী আসাদুজ্জামান রানা যুগান্তরকে বলেন, আদালত দুটি ধারায় আসামিকে সাজা দিয়েছেন। এক ধারায় ৮ বছর কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং অপর ধারায় ২ বছর কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দুটি ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে। এছাড়া আসামির উত্তরার একটি বাড়ি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ২০১৭ সালের ১৪ মে রমনা থানায় মামলা করে দুদক। প্রায় প্রায় তিন কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি করা হয়। তদন্ত শেষে ২০১৮ সালে তার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় দুদক। এরপর আদালত ওই চার্জশিট আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু করেন।