এফএটিএফের নতুন নির্দেশনা পাকিস্তানের জন্য চ্যালেঞ্জিং
jugantor
সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন
এফএটিএফের নতুন নির্দেশনা পাকিস্তানের জন্য চ্যালেঞ্জিং

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৮ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাকিস্তান স্বীকার করেছে সন্ত্রাসবাদে অর্থ সহায়তা প্রতিরোধের বিষয়ে ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) নতুন নির্দেশনা দেশটির জন্য চ্যালেঞ্জিং এবং ‘যেকোনো দেশকে দেয়া এটি সবচেয়ে বিস্তৃত নির্দেশনা’।

এদিকে এফএটিএফের ২৭টি আদেশের মধ্যে ছয়টি পূরণ করতে সক্ষম না হওয়ায় পাকিস্তান এবারও সংস্থাটির ধূসর তালিকায়ই থাকছে। এফএটিএফের সভাপতি মার্কাস প্লিয়ার সম্প্রতি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। খবর ইকোনমিক টাইমস।

তুরস্ক পাকিস্তানকে এ তালিকা থেকে উত্তোরণের চেষ্টা করলেও দেশটির শেষ রক্ষা হয়নি। এফএটিএফের পাকিস্তানের প্রতিনিধি হামাদ আজহার রোববার দেশটির পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিশ্বব্যাপী মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের তদারকি সংস্থার ধূসর তালিকা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য পাকিস্তান সম্প্রতি প্রণীত সব আইন প্রয়োগে জোর দিচ্ছে। আজহার পাকিস্তানের শিল্প ও উৎপাদনবিষয়ক কেন্দ্রিয় মন্ত্রী।

গত শুক্রবার এফএটিএফ জানায়, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন আটকাতে পাকিস্তান যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি করেছে সেগুলো যথেষ্ট কার্যকর ও শক্তিশালী বলে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।

এফএটিএফ পাকিস্তানকে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধ করতে পাকিস্তানকে আরও বেশি সক্রিয় হতে হবে। সংস্থাটি আরও জানায়, পাকিস্তান এখনও যে ছয়টি বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে পারেনি তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন নিয়ন্ত্রণে একটি পরিকল্পনা ২০১৯ সালের শেষের দিকে কার্যকর করার কথা ছিল পাকিস্তানের। এই সময়সীমা কোভিড অতিমারি সংক্রমণের প্রেক্ষিতে বাড়ানো হয়েছিল।

এফএটিএফ জানিয়েছে, পাকিস্তানকে ধূসর তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা সর্বজনসম্মত ভাবেই নিয়েছেন। আগামী চার মাসের মধ্যে পাকিস্তান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে গাঢ় ধূসর তালিকাভুক্ত করা হবে দেশটিকে।

সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন

এফএটিএফের নতুন নির্দেশনা পাকিস্তানের জন্য চ্যালেঞ্জিং

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৮ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাকিস্তান স্বীকার করেছে সন্ত্রাসবাদে অর্থ সহায়তা প্রতিরোধের বিষয়ে ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) নতুন নির্দেশনা দেশটির জন্য চ্যালেঞ্জিং এবং ‘যেকোনো দেশকে দেয়া এটি সবচেয়ে বিস্তৃত নির্দেশনা’।

এদিকে এফএটিএফের ২৭টি আদেশের মধ্যে ছয়টি পূরণ করতে সক্ষম না হওয়ায় পাকিস্তান এবারও সংস্থাটির ধূসর তালিকায়ই থাকছে। এফএটিএফের সভাপতি মার্কাস প্লিয়ার সম্প্রতি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। খবর ইকোনমিক টাইমস।

তুরস্ক পাকিস্তানকে এ তালিকা থেকে উত্তোরণের চেষ্টা করলেও দেশটির শেষ রক্ষা হয়নি। এফএটিএফের পাকিস্তানের প্রতিনিধি হামাদ আজহার রোববার দেশটির পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিশ্বব্যাপী মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের তদারকি সংস্থার ধূসর তালিকা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য পাকিস্তান সম্প্রতি প্রণীত সব আইন প্রয়োগে জোর দিচ্ছে। আজহার পাকিস্তানের শিল্প ও উৎপাদনবিষয়ক কেন্দ্রিয় মন্ত্রী।

গত শুক্রবার এফএটিএফ জানায়, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন আটকাতে পাকিস্তান যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি করেছে সেগুলো যথেষ্ট কার্যকর ও শক্তিশালী বলে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।

এফএটিএফ পাকিস্তানকে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধ করতে পাকিস্তানকে আরও বেশি সক্রিয় হতে হবে। সংস্থাটি আরও জানায়, পাকিস্তান এখনও যে ছয়টি বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে পারেনি তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন নিয়ন্ত্রণে একটি পরিকল্পনা ২০১৯ সালের শেষের দিকে কার্যকর করার কথা ছিল পাকিস্তানের। এই সময়সীমা কোভিড অতিমারি সংক্রমণের প্রেক্ষিতে বাড়ানো হয়েছিল।

এফএটিএফ জানিয়েছে, পাকিস্তানকে ধূসর তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা সর্বজনসম্মত ভাবেই নিয়েছেন। আগামী চার মাসের মধ্যে পাকিস্তান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে গাঢ় ধূসর তালিকাভুক্ত করা হবে দেশটিকে।