ধর্ম অবমাননা সহিংস উগ্রবাদ উসকে দেয়
jugantor
ধর্ম অবমাননা সহিংস উগ্রবাদ উসকে দেয়
-জাতিসংঘ

  যুগান্তর ডেস্ক  

৩০ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফ্রান্সে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে অবমাননা ঘিরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের উগ্রবাদবিরোধী সংস্থার প্রধান মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল মোরাটিনোস।

বুধবার এক বিবৃতিতে বিভিন্ন ধর্ম ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির লোকজনকে পরস্পরের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল বলেন, উসকানিমূলক ব্যঙ্গচিত্র নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে উৎসাহিত করেছে; যারা শুধু ধর্ম, বিশ্বাস ও নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ের কারণে হামলার শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, ধর্ম ও ধর্মীয় পবিত্রতার প্রতীককে অবমাননা করে বিদ্বেষ ও সহিংস উগ্রবাদকে উসকে দেয়া হয়, যা সমাজকে খণ্ডিত ও মেরুকরণের দিকে ঠেলে দেয়। বিবৃতিতে বলা হয়: মহানবী (সা.)-কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশের জেরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও অসহিষ্ণুতার দৃষ্টান্ত গভীর উদ্বেগের সঙ্গে নজর রাখছে জাতিসংঘের উচ্চ প্রতিনিধি।

ফ্রান্সে ইতিহাসের এক শিক্ষক বাকস্বাধীনতার ক্লাসে শিক্ষার্থীদের মহানবী (স.)-কে ব্যঙ্গ করে কার্টুন দেখানোর পর হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এ ঘটনায় ফ্রান্সজুড়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া হয়। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ দেশের ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা নিয়ে দৃঢ়কণ্ঠে কথা বলেন। তিনি জানান, ফ্রান্স ব্যঙ্গচিত্র দেখানো বন্ধ করবে না।

তার এমন মন্তব্যে বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ‘বিশ্বাসের স্বাধীনতার’ প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন না করা এবং ফ্রান্সের লাখ লাখ মুসলিমকে অবজ্ঞা করার কারণে ম্যাক্রোঁর তীব্র সমালোচনা করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

তাছাড়া ম্যাক্রোঁর মন্তব্যের পর আরব দেশগুলোয় ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাক ওঠে। জর্ডান, কাতার ও কুয়েতের কিছু সুপারমার্কেটের ডিসপ্লে থেকে ফ্রান্সের তৈরি সৌন্দর্যচর্চার উপকরণসহ বিভিন্ন ফরাসি পণ্য সরিয়ে নেয়া হয়। কুয়েতে খুচরা পণ্য বিক্রেতাদের একটি প্রধান সমিতি ফরাসি পণ্য বর্জনের আদেশও দিয়েছেন।

ধর্ম অবমাননা সহিংস উগ্রবাদ উসকে দেয়

-জাতিসংঘ
 যুগান্তর ডেস্ক 
৩০ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফ্রান্সে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে অবমাননা ঘিরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের উগ্রবাদবিরোধী সংস্থার প্রধান মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল মোরাটিনোস।

বুধবার এক বিবৃতিতে বিভিন্ন ধর্ম ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির লোকজনকে পরস্পরের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল বলেন, উসকানিমূলক ব্যঙ্গচিত্র নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে উৎসাহিত করেছে; যারা শুধু ধর্ম, বিশ্বাস ও নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ের কারণে হামলার শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, ধর্ম ও ধর্মীয় পবিত্রতার প্রতীককে অবমাননা করে বিদ্বেষ ও সহিংস উগ্রবাদকে উসকে দেয়া হয়, যা সমাজকে খণ্ডিত ও মেরুকরণের দিকে ঠেলে দেয়। বিবৃতিতে বলা হয়: মহানবী (সা.)-কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশের জেরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও অসহিষ্ণুতার দৃষ্টান্ত গভীর উদ্বেগের সঙ্গে নজর রাখছে জাতিসংঘের উচ্চ প্রতিনিধি।

ফ্রান্সে ইতিহাসের এক শিক্ষক বাকস্বাধীনতার ক্লাসে শিক্ষার্থীদের মহানবী (স.)-কে ব্যঙ্গ করে কার্টুন দেখানোর পর হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এ ঘটনায় ফ্রান্সজুড়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া হয়। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ দেশের ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা নিয়ে দৃঢ়কণ্ঠে কথা বলেন। তিনি জানান, ফ্রান্স ব্যঙ্গচিত্র দেখানো বন্ধ করবে না।

তার এমন মন্তব্যে বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ‘বিশ্বাসের স্বাধীনতার’ প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন না করা এবং ফ্রান্সের লাখ লাখ মুসলিমকে অবজ্ঞা করার কারণে ম্যাক্রোঁর তীব্র সমালোচনা করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

তাছাড়া ম্যাক্রোঁর মন্তব্যের পর আরব দেশগুলোয় ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাক ওঠে। জর্ডান, কাতার ও কুয়েতের কিছু সুপারমার্কেটের ডিসপ্লে থেকে ফ্রান্সের তৈরি সৌন্দর্যচর্চার উপকরণসহ বিভিন্ন ফরাসি পণ্য সরিয়ে নেয়া হয়। কুয়েতে খুচরা পণ্য বিক্রেতাদের একটি প্রধান সমিতি ফরাসি পণ্য বর্জনের আদেশও দিয়েছেন।