বিশ্বে একদিনে পৌনে ৬ লাখ করোনা শনাক্ত
jugantor
আক্রান্ত সাড়ে ৪ কোটি
বিশ্বে একদিনে পৌনে ৬ লাখ করোনা শনাক্ত

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বে গেল ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড পৌনে ৬ লাখ মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে ২১৬টি দেশ ও অঞ্চলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৪ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। ভয়াবহ এ ভাইরাসে মৃত্যু ১২ লাখ ছুঁই ছুঁই। ইউরোপজুড়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও বেলজিয়ামসহ অনেক দেশই ইতোমধ্যে কড়াকড়ি ও লকডাউন জারি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে শীতের প্রভাবে বাড়ছে সংক্রমণ। দেশটিতে এবার দৈনিক সংক্রমণ এক লাখ ছাড়িয়ে গেছে। খবর বিবিসি ও এএফপিসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের।

বাংলাদেশ সময় শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডওমিটারসের তথ্য অনুযায়ী- বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ কোটি ৬০ লাখ ১৫ হাজার ৯৩৪ জন। মারা গেছেন ১১ লাখ ৯৫ হাজার ৫২২ জন। অবস্থা আশঙ্কাজনক ৮৩ হাজার ৫৭২ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৩৩ লাখ ৬ হাজার ৬১৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন রেকর্ড ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬ জন, মারা গেছেন ৭ হাজার ৫১০ জন। বিশ্ব তালিকায় শীর্ষে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত ৯৩ লাখ ১৮ হাজার ৬২৪, মারা গেছেন ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৮২ জন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারতে রোগী ৮১ লাখ ৩৭ হাজার ১১৯, মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৬৮১ জনের। বিশ্বে তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে আক্রান্ত ৫৫ লাখ ১৯ হাজার ৫২৮, মারা গেছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫৬৩ জন। চতুর্থ স্থানে রাশিয়ায় করোনা রোগীর সংখ্যা ১৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫৪ জন। দেশটিতে মারা গেছেন ২৭ হাজার ৯৯০ জন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চল তথা নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি, পেনসিলভেনিয়া, ভার্জিনিয়া, ওয়াশিংটন ডিসি, ম্যারিল্যান্ড, ম্যাসাচুসেটস ও নিউ হ্যাম্পশায়ার এলাকায় শীতে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আর্দ্রতা, সূর্যের তাপ, ভিটামিন ডি’র অভাব এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াসহ শীতকালে অন্যান্য ভাইরাস ও ফ্লু জাতীয় শ্বাসকষ্টের রোগের লক্ষণ বেশি দেখা দেয় বলে এ সময় মানুষ করোনাভাইরাস নিয়ে আরও বেশি সংবেদনশীল হয়ে ওঠতে পারেন।

ফ্রান্সে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় লকডাউন আরোপের প্রথম দিন ৪৯ হাজার ২১৫ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এদিন মৃত্যু হয়েছে ২৫৬ জনের। এ পর্যন্ত ফ্রান্সে ১৩ লাখ ৩১ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মাত্র ১ লাখ ১৬ হাজার ৫৩৩ জন সুস্থ হতে পেরেছেন। বাকি ১১ লাখ ৭৮ হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসাধীন।

করোনার বিস্তার ঠেকাতে আবারও লকডাউনে ফিরে যাচ্ছে বেলজিয়াম। দেশটির সরকার শুক্রবার এ ঘোষণা দিয়েছে। জরুরি প্রয়োজনীয় দোকান বাদে অন্য সব দোকানপাট ও সেলুনের মতো ব্যক্তিগত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সোমবার থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। জনসমাগমস্থলে একসঙ্গে সর্বোচ্চ চারজনের বেশি উপস্থিত থাকতে পারবেন না।

ইংল্যান্ডে এক মাসের লকডাউন জারি করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ লকডাউন ক্রিসমাসের আগেই শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার নতুন করে ‘স্টে অ্যাট হোম’ অর্ডার ঘোষণা হতে পারে। নতুন বিধিনিষেধের আওতায় সব স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হবে।

চীনা টিকা কিনবে ব্রাজিল : ব্রাজিল সরকার অবশ্যই তাদের দেশে পরীক্ষা করা চীনের একটি কোভিড-১৯ টিকা কিনবে বলে জানিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যামিল্টন মউর ও। শুক্রবার এ মন্তব্য করে তিনি সরাসরি দেশটির প্রেসিডেন্ট জইর বোলসোনারোর বিপক্ষে অবস্থান নিলেন। কারণ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জইর বোলসোনারো দীর্ঘদিন ধরেই চীনের সমালোচক। গত সপ্তাহে তিনি বলেছিলেন, চীনের সিনোভ্যাকের তৈরি করোনার টিকা তার ফেডারেল সরকার কিনবে না।

আক্রান্ত সাড়ে ৪ কোটি

বিশ্বে একদিনে পৌনে ৬ লাখ করোনা শনাক্ত

 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বে গেল ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড পৌনে ৬ লাখ মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে ২১৬টি দেশ ও অঞ্চলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৪ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। ভয়াবহ এ ভাইরাসে মৃত্যু ১২ লাখ ছুঁই ছুঁই। ইউরোপজুড়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও বেলজিয়ামসহ অনেক দেশই ইতোমধ্যে কড়াকড়ি ও লকডাউন জারি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে শীতের প্রভাবে বাড়ছে সংক্রমণ। দেশটিতে এবার দৈনিক সংক্রমণ এক লাখ ছাড়িয়ে গেছে। খবর বিবিসি ও এএফপিসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের।

বাংলাদেশ সময় শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডওমিটারসের তথ্য অনুযায়ী- বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ কোটি ৬০ লাখ ১৫ হাজার ৯৩৪ জন। মারা গেছেন ১১ লাখ ৯৫ হাজার ৫২২ জন। অবস্থা আশঙ্কাজনক ৮৩ হাজার ৫৭২ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৩৩ লাখ ৬ হাজার ৬১৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন রেকর্ড ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬ জন, মারা গেছেন ৭ হাজার ৫১০ জন। বিশ্ব তালিকায় শীর্ষে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত ৯৩ লাখ ১৮ হাজার ৬২৪, মারা গেছেন ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৮২ জন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারতে রোগী ৮১ লাখ ৩৭ হাজার ১১৯, মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৬৮১ জনের। বিশ্বে তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে আক্রান্ত ৫৫ লাখ ১৯ হাজার ৫২৮, মারা গেছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫৬৩ জন। চতুর্থ স্থানে রাশিয়ায় করোনা রোগীর সংখ্যা ১৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫৪ জন। দেশটিতে মারা গেছেন ২৭ হাজার ৯৯০ জন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চল তথা নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি, পেনসিলভেনিয়া, ভার্জিনিয়া, ওয়াশিংটন ডিসি, ম্যারিল্যান্ড, ম্যাসাচুসেটস ও নিউ হ্যাম্পশায়ার এলাকায় শীতে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আর্দ্রতা, সূর্যের তাপ, ভিটামিন ডি’র অভাব এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াসহ শীতকালে অন্যান্য ভাইরাস ও ফ্লু জাতীয় শ্বাসকষ্টের রোগের লক্ষণ বেশি দেখা দেয় বলে এ সময় মানুষ করোনাভাইরাস নিয়ে আরও বেশি সংবেদনশীল হয়ে ওঠতে পারেন।

ফ্রান্সে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় লকডাউন আরোপের প্রথম দিন ৪৯ হাজার ২১৫ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এদিন মৃত্যু হয়েছে ২৫৬ জনের। এ পর্যন্ত ফ্রান্সে ১৩ লাখ ৩১ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মাত্র ১ লাখ ১৬ হাজার ৫৩৩ জন সুস্থ হতে পেরেছেন। বাকি ১১ লাখ ৭৮ হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসাধীন।

করোনার বিস্তার ঠেকাতে আবারও লকডাউনে ফিরে যাচ্ছে বেলজিয়াম। দেশটির সরকার শুক্রবার এ ঘোষণা দিয়েছে। জরুরি প্রয়োজনীয় দোকান বাদে অন্য সব দোকানপাট ও সেলুনের মতো ব্যক্তিগত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সোমবার থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। জনসমাগমস্থলে একসঙ্গে সর্বোচ্চ চারজনের বেশি উপস্থিত থাকতে পারবেন না।

ইংল্যান্ডে এক মাসের লকডাউন জারি করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ লকডাউন ক্রিসমাসের আগেই শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার নতুন করে ‘স্টে অ্যাট হোম’ অর্ডার ঘোষণা হতে পারে। নতুন বিধিনিষেধের আওতায় সব স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হবে।

চীনা টিকা কিনবে ব্রাজিল : ব্রাজিল সরকার অবশ্যই তাদের দেশে পরীক্ষা করা চীনের একটি কোভিড-১৯ টিকা কিনবে বলে জানিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যামিল্টন মউর ও। শুক্রবার এ মন্তব্য করে তিনি সরাসরি দেশটির প্রেসিডেন্ট জইর বোলসোনারোর বিপক্ষে অবস্থান নিলেন। কারণ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জইর বোলসোনারো দীর্ঘদিন ধরেই চীনের সমালোচক। গত সপ্তাহে তিনি বলেছিলেন, চীনের সিনোভ্যাকের তৈরি করোনার টিকা তার ফেডারেল সরকার কিনবে না।