ডিএমপিতে ডোপ টেস্ট, ১০ সদস্য চাকরিচ্যুত
jugantor
ডিএমপিতে ডোপ টেস্ট, ১০ সদস্য চাকরিচ্যুত
সাময়িক বরখাস্ত ১৮, ৪৩ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৩ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদকাসক্তির প্রমাণ পাওয়ায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ১০ সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন ১৮ জন। ৪৩ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ২৫ জনের বিরুদ্ধে। ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া) ওয়ালিদ হোসেন রোববার যুগান্তরকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সূত্র জানায়, বর্তমান পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম দায়িত্ব নেয়ার পর পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরপর দেড় মাসে ডোপ টেস্টে ৬৮ জনের মাদক নেয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৭ জন এসআই, একজন সার্জেন্ট, ৫ জন এএসআই, ৫ জন নায়েক এবং ৫০ জন কনস্টেবল। এদের ৪৩ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের বিভাগীয় মামলা করা হয় এবং ১৮ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। মামলা নিষ্পত্তি শেষে ১০ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সূত্র আরও জানায়, শুধু মাদক সেবন নয়, মাদক ব্যবসায় জড়িত ১০ পুলিশ সদস্যের বিষয়েও চলছে তদন্ত। মাদক দিয়ে ফাঁসানো ১০ পুলিশ সদস্যের মধ্যে ৫ জনকে সাজা দেয়া হয়েছে। মাদক উদ্ধারের থেকে কম দেখিয়ে অর্থ গ্রহণের অভিযোগে ৪ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের এ ধরনের অপরাধ এড়াতে চলছে বিশেষ নজরদারি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিসি ওয়ালিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। মাদক গ্রহণ ও এ সংক্রান্ত বিষয়ে যারাই জড়িত থাকুক কোনো ছাড় দেয়া হবে না। গত দেড় থেকে দুই মাস ধরে ডোপ টেস্ট চলছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, যারা সন্দেহভাজন তাদের পরীক্ষা (ডোপ টেস্ট) করা হচ্ছে। পরীক্ষায় পজিটিভ (মাদকাসক্ত) এলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। চূড়ান্ত পর্যায়ে তাদের চাকরিচ্যুতও করা হচ্ছে। আমরা মাদকাসক্ত পুলিশ সদস্য চাই না।

ডিএমপিতে ডোপ টেস্ট, ১০ সদস্য চাকরিচ্যুত

সাময়িক বরখাস্ত ১৮, ৪৩ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা
 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৩ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদকাসক্তির প্রমাণ পাওয়ায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ১০ সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন ১৮ জন। ৪৩ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ২৫ জনের বিরুদ্ধে। ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া) ওয়ালিদ হোসেন রোববার যুগান্তরকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সূত্র জানায়, বর্তমান পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম দায়িত্ব নেয়ার পর পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরপর দেড় মাসে ডোপ টেস্টে ৬৮ জনের মাদক নেয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৭ জন এসআই, একজন সার্জেন্ট, ৫ জন এএসআই, ৫ জন নায়েক এবং ৫০ জন কনস্টেবল। এদের ৪৩ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের বিভাগীয় মামলা করা হয় এবং ১৮ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। মামলা নিষ্পত্তি শেষে ১০ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সূত্র আরও জানায়, শুধু মাদক সেবন নয়, মাদক ব্যবসায় জড়িত ১০ পুলিশ সদস্যের বিষয়েও চলছে তদন্ত। মাদক দিয়ে ফাঁসানো ১০ পুলিশ সদস্যের মধ্যে ৫ জনকে সাজা দেয়া হয়েছে। মাদক উদ্ধারের থেকে কম দেখিয়ে অর্থ গ্রহণের অভিযোগে ৪ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের এ ধরনের অপরাধ এড়াতে চলছে বিশেষ নজরদারি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিসি ওয়ালিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। মাদক গ্রহণ ও এ সংক্রান্ত বিষয়ে যারাই জড়িত থাকুক কোনো ছাড় দেয়া হবে না। গত দেড় থেকে দুই মাস ধরে ডোপ টেস্ট চলছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, যারা সন্দেহভাজন তাদের পরীক্ষা (ডোপ টেস্ট) করা হচ্ছে। পরীক্ষায় পজিটিভ (মাদকাসক্ত) এলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। চূড়ান্ত পর্যায়ে তাদের চাকরিচ্যুতও করা হচ্ছে। আমরা মাদকাসক্ত পুলিশ সদস্য চাই না।