পৌর নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু
jugantor
পৌর নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৩ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যেই শুরু হচ্ছে তৃণমূলে নির্বাচনী হাওয়া। ২৫টি পৌরসভায় ২৮ ডিসেম্বর ভোটের দিন রেখে তফসিল ঘোষণার পরপরই দলীয় মনোনয়ন পেতে নানা তৎপরতা চালাচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।

আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সিনিয়র নেতাদের বাসায় প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন। পাশাপাশি তৃণমূলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদেরও বাগে আনতে বিভিন্ন কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন তারা।

করোনাভাইরাস উপেক্ষা করে নেতাকর্মী ও স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানা উপায়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন। রাজনৈতিক দলগুলোও প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

তৃণমূল থেকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হলেও কেন্দ্রীয়ভাবে তা মনিটরিং করা হচ্ছে। ত্যাগী ও যোগ্যতার পাশাপাশি এলাকায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা রয়েছে এমন প্রার্থীদের মনোনয়ন দিতে কেন্দ্র থেকে বিশেষ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। মনোনয়ন ঘিরে যাতে বাণিজ্যের অভিযোগ না আসে সে ব্যাপারেও দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের করা হয়েছে সতর্ক।

এদিকে পৌরসভা নির্বাচনে প্রত্যেকটি দলেই রয়েছে একাধিক প্রার্থী। তাই একক প্রার্থী চূড়ান্ত করতে তাদের বেশ বেগ পেতে হবে। তবে একক প্রার্থী চূড়ান্তে এবার বেশ কঠোর অবস্থানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে যারাই বিদ্রোহী হবেন তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে।

পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে। ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছেন দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। প্রতিটি পৌরসভায় ক্ষমতাসীন দলে সম্ভাব্য প্রার্থীর ছড়াছড়ি।

মাঠে বিরোধী দলগুলোর তেমন তৎপরতা না থাকায় এখন পর্যন্ত নিজেরাই নিজেদের প্রধান প্রতিপক্ষ। তৃণমূলের তালিকায় নাম আনতে করছেন লবিং। অবস্থান জানান দিতে দিচ্ছেন মহড়াও।

এতে উত্তাপ ছড়ানোর পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে বিবাদে জড়ানোর ঘটনাও ঘটছে কোথাও কোথাও। এমন পরিস্থিতিতে একক প্রার্থী নিশ্চিত করাই দলটির প্রধান চ্যালেঞ্জ। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বলছেন, ত্যাগী ও যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা তৈরিসহ তৃণমূলে দেয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা। কেউ দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়ারির কথাও বলছেন তারা।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ রোববার সন্ধ্যায় যুগান্তরকে বলেন, পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের ভালো প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচন কমিশন যে পৌরসভাগুলোর ভোটের তফসিল দিয়েছে, সেই তফসিল অনুসারে মনোনয়ন দাখিলের সময় শেষ হওয়ার আগেই আমরা (আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ড) দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করব। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে জনপ্রিয়, গ্রহণযোগ্য এবং দলের জন্য নিবেদিত ও ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে।

সারা দেশের প্রায় প্রতিটি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন, সে ক্ষেত্রে একক প্রার্থী করা কঠিন হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন করে মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন, এটা ঠিক।

তবে আমরা যোগ্য প্রার্থীকেই দলীয় মনোনয়ন দেব এবং তার পক্ষেই সবাইকে কাজ করতে হবে। যেমন- ফরিদপুর পৌরসভায় আমাদের প্রায় ১৩ জন প্রার্থী ছিল। সেখানে আমরা একজনকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছি।

অন্যদের তার পক্ষে কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন বলে আমাদের কথাও দিয়েছেন। তবে হ্যাঁ, ২৫টির মধ্যে হয়তো দু-চারটাতে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া আছে।

ভোট নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ থাকলেও পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে বিএনপি। প্রার্থী বাছাইয়ে একটি নীতিমালাও তৈরি করা হয়েছে। তাতে পৌর নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্তে তৃণমূলের পাঁচ সদস্যের কমিটি থাকবে। তারাই চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবেন। তৃণমূলের সুপারিশের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয়ভাবে দেয়া হবে দলীয় মনোনয়ন।

জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না- এমনটা ধরে নিয়েই আমরা ভোটে যাচ্ছি। ভোটের নামে সরকার ও নির্বাচন কমিশন কতটা নিচে নামতে পারে, তা জাতি দেখুক।

এর পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যেও একটা চাঙ্গা ভাব তৈরি হবে। সাংগঠনিকভাবে দলে গতি আসবে। সবকিছু বিবেচনা করে গণতান্ত্রিক দল হিসেবে আমরা নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি ক্ষমতা পরিবর্তনের একমাত্র মাধ্যম হল ভোট।

তিনি আরও বলেন, মনোনয়ন চূড়ান্তে আমরা তৃণমূল নেতাদের মতামতকেই গুরুত্ব দিচ্ছি। তারাই ঠিক করবে তাদের প্রতিনিধি হওয়ার জন্য কে সবচেয়ে যোগ্য। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা সবার সঙ্গে আলোচনা করে যাদের জনপ্রিয়তা রয়েছে তাদের দলীয় মনোনয়ন দেয়ার সুপারিশ করবে বলে আমরা আশা করি। এতে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বা অসন্তোষ তৈরি হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাশাপাশি বিরোধী দল জাতীয় পার্টিও পৌর নির্বাচনে পূর্ণ প্রস্তুতি শুরু করেছে। জানতে চাইলে জাতীয় পার্টর চেয়ারম্যান জিএম কাদের যুগান্তরকে বলেন, নির্বাচনমুখী দল হিসেবে আমরা আসন্ন পৌরসভার ভোটে দলীয় প্রতীকে অংশ নেব। এ লক্ষ্যে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। ইতোমধ্যে তৃণমূল নেতাদের মনোনয়ন বাছাইয়ের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাদের মতামতের ভিত্তিতে যোগ্য ও জনপ্রিয় নেতাদের আমরা মনোনয়ন দেব।

তিনি বলেন, আমরা আশা করি আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। নির্বাচন নিয়ে যাতে কেউ প্রশ্ন তুলতে না পারে সেদিকে তাদের দৃষ্টি দিতে হবে।

পৌর নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৩ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যেই শুরু হচ্ছে তৃণমূলে নির্বাচনী হাওয়া। ২৫টি পৌরসভায় ২৮ ডিসেম্বর ভোটের দিন রেখে তফসিল ঘোষণার পরপরই দলীয় মনোনয়ন পেতে নানা তৎপরতা চালাচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।

আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সিনিয়র নেতাদের বাসায় প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন। পাশাপাশি তৃণমূলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদেরও বাগে আনতে বিভিন্ন কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন তারা।

করোনাভাইরাস উপেক্ষা করে নেতাকর্মী ও স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানা উপায়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন। রাজনৈতিক দলগুলোও প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

তৃণমূল থেকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হলেও কেন্দ্রীয়ভাবে তা মনিটরিং করা হচ্ছে। ত্যাগী ও যোগ্যতার পাশাপাশি এলাকায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা রয়েছে এমন প্রার্থীদের মনোনয়ন দিতে কেন্দ্র থেকে বিশেষ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। মনোনয়ন ঘিরে যাতে বাণিজ্যের অভিযোগ না আসে সে ব্যাপারেও দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের করা হয়েছে সতর্ক।

এদিকে পৌরসভা নির্বাচনে প্রত্যেকটি দলেই রয়েছে একাধিক প্রার্থী। তাই একক প্রার্থী চূড়ান্ত করতে তাদের বেশ বেগ পেতে হবে। তবে একক প্রার্থী চূড়ান্তে এবার বেশ কঠোর অবস্থানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে যারাই বিদ্রোহী হবেন তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে।

পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে। ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছেন দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। প্রতিটি পৌরসভায় ক্ষমতাসীন দলে সম্ভাব্য প্রার্থীর ছড়াছড়ি।

মাঠে বিরোধী দলগুলোর তেমন তৎপরতা না থাকায় এখন পর্যন্ত নিজেরাই নিজেদের প্রধান প্রতিপক্ষ। তৃণমূলের তালিকায় নাম আনতে করছেন লবিং। অবস্থান জানান দিতে দিচ্ছেন মহড়াও।

এতে উত্তাপ ছড়ানোর পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে বিবাদে জড়ানোর ঘটনাও ঘটছে কোথাও কোথাও। এমন পরিস্থিতিতে একক প্রার্থী নিশ্চিত করাই দলটির প্রধান চ্যালেঞ্জ। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বলছেন, ত্যাগী ও যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা তৈরিসহ তৃণমূলে দেয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা। কেউ দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়ারির কথাও বলছেন তারা।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ রোববার সন্ধ্যায় যুগান্তরকে বলেন, পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের ভালো প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচন কমিশন যে পৌরসভাগুলোর ভোটের তফসিল দিয়েছে, সেই তফসিল অনুসারে মনোনয়ন দাখিলের সময় শেষ হওয়ার আগেই আমরা (আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ড) দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করব। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে জনপ্রিয়, গ্রহণযোগ্য এবং দলের জন্য নিবেদিত ও ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে।

সারা দেশের প্রায় প্রতিটি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন, সে ক্ষেত্রে একক প্রার্থী করা কঠিন হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন করে মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন, এটা ঠিক।

তবে আমরা যোগ্য প্রার্থীকেই দলীয় মনোনয়ন দেব এবং তার পক্ষেই সবাইকে কাজ করতে হবে। যেমন- ফরিদপুর পৌরসভায় আমাদের প্রায় ১৩ জন প্রার্থী ছিল। সেখানে আমরা একজনকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছি।

অন্যদের তার পক্ষে কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন বলে আমাদের কথাও দিয়েছেন। তবে হ্যাঁ, ২৫টির মধ্যে হয়তো দু-চারটাতে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া আছে।

ভোট নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ থাকলেও পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে বিএনপি। প্রার্থী বাছাইয়ে একটি নীতিমালাও তৈরি করা হয়েছে। তাতে পৌর নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্তে তৃণমূলের পাঁচ সদস্যের কমিটি থাকবে। তারাই চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবেন। তৃণমূলের সুপারিশের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয়ভাবে দেয়া হবে দলীয় মনোনয়ন।

জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না- এমনটা ধরে নিয়েই আমরা ভোটে যাচ্ছি। ভোটের নামে সরকার ও নির্বাচন কমিশন কতটা নিচে নামতে পারে, তা জাতি দেখুক।

এর পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যেও একটা চাঙ্গা ভাব তৈরি হবে। সাংগঠনিকভাবে দলে গতি আসবে। সবকিছু বিবেচনা করে গণতান্ত্রিক দল হিসেবে আমরা নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি ক্ষমতা পরিবর্তনের একমাত্র মাধ্যম হল ভোট।

তিনি আরও বলেন, মনোনয়ন চূড়ান্তে আমরা তৃণমূল নেতাদের মতামতকেই গুরুত্ব দিচ্ছি। তারাই ঠিক করবে তাদের প্রতিনিধি হওয়ার জন্য কে সবচেয়ে যোগ্য। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা সবার সঙ্গে আলোচনা করে যাদের জনপ্রিয়তা রয়েছে তাদের দলীয় মনোনয়ন দেয়ার সুপারিশ করবে বলে আমরা আশা করি। এতে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বা অসন্তোষ তৈরি হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাশাপাশি বিরোধী দল জাতীয় পার্টিও পৌর নির্বাচনে পূর্ণ প্রস্তুতি শুরু করেছে। জানতে চাইলে জাতীয় পার্টর চেয়ারম্যান জিএম কাদের যুগান্তরকে বলেন, নির্বাচনমুখী দল হিসেবে আমরা আসন্ন পৌরসভার ভোটে দলীয় প্রতীকে অংশ নেব। এ লক্ষ্যে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। ইতোমধ্যে তৃণমূল নেতাদের মনোনয়ন বাছাইয়ের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাদের মতামতের ভিত্তিতে যোগ্য ও জনপ্রিয় নেতাদের আমরা মনোনয়ন দেব।

তিনি বলেন, আমরা আশা করি আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। নির্বাচন নিয়ে যাতে কেউ প্রশ্ন তুলতে না পারে সেদিকে তাদের দৃষ্টি দিতে হবে।