কানাডায় সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়ির তালিকা চেয়েছে দুদক
jugantor
কানাডায় সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়ির তালিকা চেয়েছে দুদক

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৪ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সরকারের কাছে কানাডার ‘বেগমপাড়ায়’ সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়ির তালিকা চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান দুদক সচিব দিলওয়ার বখত। তিনি বলেন, কানাডার বেগমপাড়ায় সরকারি কর্মকর্তাদের ২৮টি বাড়ির বিষয়ে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। আমরা সরকারের কাছে তালিকা চেয়েছি। এ বিষয়ে আমাদের চেয়ারম্যানও কথা বলেছেন। আমরা এই তালিকা খুঁজছি। তালিকা পাওয়া গেলে আমরা কাজ শুরু করব।

এদিকে দুদক সচিব সাংবাদিকদের জানান, যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ৫টি ব্যাংকের মাধ্যমে ৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বিদেশে পাচার ও ৪২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

তিনি বলেন, মামলার তদন্তকালে খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়ার নামে ৪২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ছয় কোটি ৫৪ লাখ টাকা অবৈধ প্রক্রিয়ায় বিদেশে পাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

গত বছর সেপ্টেম্বরে রাজধানীতে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের প্রথম দিনই যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়াকে অস্ত্র ও ক্যাসিনো সামগ্রীসহ গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলা করে দুদক। প্রায় এক বছর তদন্ত শেষে সোমবার খালেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দেয়া হল। দুদকের তদন্ত কাজ তদারক করেন পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।

দুদকের তদন্তে খালেদের নামে মালয়েশিয়ার ‘ম্যাব্যাংক ইসলামিক বরহেড’-এ ২০১৮ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ ২ হাজার ৬৯৬ টাকা জমার তথ্য মিলে। তার নামে ওই দেশের ‘আরএইচবি ব্যাংক বারহাড কেএলসিসি’তে ২ কোটি ৪৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫৭৬ টাকা জমার তথ্য পায় দুদক। একই ব্যাংকে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬০ লাখ ৫৪ হাজার টাকার এফডিআরের তথ্য পায় দুদক। এ ছাড়া সিঙ্গাপুরে ‘ইউনাইটেড ওভারসিজ ব্যাংক’-এ বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ কোটি ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ৮২৪ টাকা স্থিতি হিসেবে সন্ধান পায়। ২০১৭ সালে তিনি এই টাকা পাচার করেন। অপরদিকে ব্যাংককেও তিনি টাকা পাচার করেন। যার পরিমাণ ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ওই টাকা তিনি ব্যাংককের ‘ব্যাংকক ব্যাংক পিসিএল’-এ জমা রাখেন।

কানাডায় সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়ির তালিকা চেয়েছে দুদক

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৪ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সরকারের কাছে কানাডার ‘বেগমপাড়ায়’ সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়ির তালিকা চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান দুদক সচিব দিলওয়ার বখত। তিনি বলেন, কানাডার বেগমপাড়ায় সরকারি কর্মকর্তাদের ২৮টি বাড়ির বিষয়ে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। আমরা সরকারের কাছে তালিকা চেয়েছি। এ বিষয়ে আমাদের চেয়ারম্যানও কথা বলেছেন। আমরা এই তালিকা খুঁজছি। তালিকা পাওয়া গেলে আমরা কাজ শুরু করব।

এদিকে দুদক সচিব সাংবাদিকদের জানান, যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ৫টি ব্যাংকের মাধ্যমে ৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বিদেশে পাচার ও ৪২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

তিনি বলেন, মামলার তদন্তকালে খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়ার নামে ৪২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ছয় কোটি ৫৪ লাখ টাকা অবৈধ প্রক্রিয়ায় বিদেশে পাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

গত বছর সেপ্টেম্বরে রাজধানীতে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের প্রথম দিনই যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়াকে অস্ত্র ও ক্যাসিনো সামগ্রীসহ গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলা করে দুদক। প্রায় এক বছর তদন্ত শেষে সোমবার খালেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দেয়া হল। দুদকের তদন্ত কাজ তদারক করেন পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।

দুদকের তদন্তে খালেদের নামে মালয়েশিয়ার ‘ম্যাব্যাংক ইসলামিক বরহেড’-এ ২০১৮ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ ২ হাজার ৬৯৬ টাকা জমার তথ্য মিলে। তার নামে ওই দেশের ‘আরএইচবি ব্যাংক বারহাড কেএলসিসি’তে ২ কোটি ৪৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫৭৬ টাকা জমার তথ্য পায় দুদক। একই ব্যাংকে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬০ লাখ ৫৪ হাজার টাকার এফডিআরের তথ্য পায় দুদক। এ ছাড়া সিঙ্গাপুরে ‘ইউনাইটেড ওভারসিজ ব্যাংক’-এ বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ কোটি ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ৮২৪ টাকা স্থিতি হিসেবে সন্ধান পায়। ২০১৭ সালে তিনি এই টাকা পাচার করেন। অপরদিকে ব্যাংককেও তিনি টাকা পাচার করেন। যার পরিমাণ ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ওই টাকা তিনি ব্যাংককের ‘ব্যাংকক ব্যাংক পিসিএল’-এ জমা রাখেন।