নারী-শিশুর প্রতি হিংসা মহামারী রূপ নিয়েছে
jugantor
নারী-শিশুর প্রতি হিংসা মহামারী রূপ নিয়েছে
-জাতিসংঘ

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৭ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বে নারী ও শিশুর প্রতি হিংসা মহামারী আকার ধারণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস। তিনি বলেন, এক বছর ধরে করোনা মহামারীর ছায়া বিশ্বকে ঢেকে রেখেছে। কিন্তু আরেক পরোক্ষ মহামারীও আমাদের ক্রমেই আচ্ছন্ন করে ফেলছে। তা হল নারী ও শিশুদের ওপর বেড়ে চলা হিংসা। বিশ্বজুড়েই এই ব্যাধির প্রকোপ বাড়ছে। তাই এটিকে এখনই থামাতে হবে। ২৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে এক টুইটবার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

গুতেরেস বলেন, করোনার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে লকডাউন চলছে। ঘরে বসেই কাজ করছেন অনেকে। বেকারত্বে জর্জরিত বিশ্বের এক অংশের মানুষ। ফলে রোজগার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতা এবং পাল্টে যাওয়া পারিবারিক সমীকরণে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঘরোয়া হিংসা। টুইটার বার্তায় তৃণমূল স্তরে বিভিন্ন সংগঠনকে চিহ্নিত করার কাজ চালানো হবে, যারা ঘরোয়া হিংসা রুখতে কাজ করছে বা কাজ করতে পারবে। তারপর এসব সংগঠনকে প্রয়োজনীয় অর্থসাহায্য করবে জাতিসংঘ। হিংসার শিকার হয়েছেন যেসব নারী বা ঘরোয়া হিংসার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন যারা, তাদেরও চিহ্নিত করে সাহায্য করা হবে বলে জানান গুতেরেস।

নারী-শিশুর প্রতি হিংসা মহামারী রূপ নিয়েছে

-জাতিসংঘ
 যুগান্তর ডেস্ক 
২৭ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বে নারী ও শিশুর প্রতি হিংসা মহামারী আকার ধারণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস। তিনি বলেন, এক বছর ধরে করোনা মহামারীর ছায়া বিশ্বকে ঢেকে রেখেছে। কিন্তু আরেক পরোক্ষ মহামারীও আমাদের ক্রমেই আচ্ছন্ন করে ফেলছে। তা হল নারী ও শিশুদের ওপর বেড়ে চলা হিংসা। বিশ্বজুড়েই এই ব্যাধির প্রকোপ বাড়ছে। তাই এটিকে এখনই থামাতে হবে। ২৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে এক টুইটবার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

গুতেরেস বলেন, করোনার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে লকডাউন চলছে। ঘরে বসেই কাজ করছেন অনেকে। বেকারত্বে জর্জরিত বিশ্বের এক অংশের মানুষ। ফলে রোজগার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতা এবং পাল্টে যাওয়া পারিবারিক সমীকরণে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঘরোয়া হিংসা। টুইটার বার্তায় তৃণমূল স্তরে বিভিন্ন সংগঠনকে চিহ্নিত করার কাজ চালানো হবে, যারা ঘরোয়া হিংসা রুখতে কাজ করছে বা কাজ করতে পারবে। তারপর এসব সংগঠনকে প্রয়োজনীয় অর্থসাহায্য করবে জাতিসংঘ। হিংসার শিকার হয়েছেন যেসব নারী বা ঘরোয়া হিংসার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন যারা, তাদেরও চিহ্নিত করে সাহায্য করা হবে বলে জানান গুতেরেস।