‘জরুরি প্রয়োজনে’ সরাসরি টিকা কেনায় সায়
jugantor
মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক
‘জরুরি প্রয়োজনে’ সরাসরি টিকা কেনায় সায়

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘জরুরি প্রয়োজনে’ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণ করে করোনাভাইরাসের টিকা কেনার নীতিগত প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সভাপতিত্বে কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। এমনিতে অর্থমন্ত্রী এ সভায় সভাপতিত্ব করলেও তিনি দেশের বাইরে থাকায় আইনমন্ত্রী এদিন সভাপতিত্ব করেন।

সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু সালেহ মোস্তফা কামাল এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘ভ্যাকসিন কিনতে হবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে, এ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’ কত টাকায় টিকা কেনা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘টাকা-পয়সার বিষয়টি ক্রয় সংক্রান্ত প্রস্তাবে এলে আলোচিত হবে।’

দরপত্র ছাড়া কেন টিকা কেনা হচ্ছে জানতে চাইল অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘একই সময়ে টিকা নিতে হবে। পিপিআর (সরকারি ক্রয় বিধি) অনুযায়ী এক বছরে এককালীন ৫ কোটি টাকার বেশি ক্রয় করতে গেলে বিষয়টি এ কমিটিতে আসে। এককালীন সরবরাহ নিতে হবে বলে ভ্যালুয়েশন বেশি। পিপিআর, ২০০৮ এর ৭৬ (২) বিধি অনুসরণ করে প্রস্তাবটি এ কমিটির বিবেচনার জন্য এসেছিল।’

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা করোনাভাইরাসের যে টিকা তৈরি করছে, তার তিন কোটি ডোজ কিনতে ইতোমধ্যে চুক্তি করেছে সরকার। এছাড়া গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস-গ্যাভি বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশের জন্য ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে, যা আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যেই বাংলাদেশের হাতে আসতে পারে বলে সরকার আশা করছে।

এর আগে ৩০ নভেম্বর সচিবালয়ে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে কোভিড-১৯ সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবেলা ও ভ্যাকসিন সংগ্রহের সবশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে জনানো হয়, গত ১৪ অক্টোবরে ভারতের সিরাম ইন্সটিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ডের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বাংলাদেশ সরকারের কাছে তিন কোটি ডোজ বিক্রির প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন।

গত ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সঙ্গে সিরাম ইন্সটিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই হয়। এরপর ১৬ নভেম্বর অর্থ বিভাগ ভ্যাকসিন কেনার জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগকে ৭৩৫ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। ভ্যাকসিন কেনার জন্য অর্থনৈতিক ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে প্রস্তাব পাঠালে বুধবার সেই প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়।

মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক

‘জরুরি প্রয়োজনে’ সরাসরি টিকা কেনায় সায়

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘জরুরি প্রয়োজনে’ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণ করে করোনাভাইরাসের টিকা কেনার নীতিগত প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সভাপতিত্বে কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। এমনিতে অর্থমন্ত্রী এ সভায় সভাপতিত্ব করলেও তিনি দেশের বাইরে থাকায় আইনমন্ত্রী এদিন সভাপতিত্ব করেন।

সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু সালেহ মোস্তফা কামাল এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘ভ্যাকসিন কিনতে হবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে, এ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’ কত টাকায় টিকা কেনা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘টাকা-পয়সার বিষয়টি ক্রয় সংক্রান্ত প্রস্তাবে এলে আলোচিত হবে।’

দরপত্র ছাড়া কেন টিকা কেনা হচ্ছে জানতে চাইল অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘একই সময়ে টিকা নিতে হবে। পিপিআর (সরকারি ক্রয় বিধি) অনুযায়ী এক বছরে এককালীন ৫ কোটি টাকার বেশি ক্রয় করতে গেলে বিষয়টি এ কমিটিতে আসে। এককালীন সরবরাহ নিতে হবে বলে ভ্যালুয়েশন বেশি। পিপিআর, ২০০৮ এর ৭৬ (২) বিধি অনুসরণ করে প্রস্তাবটি এ কমিটির বিবেচনার জন্য এসেছিল।’

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা করোনাভাইরাসের যে টিকা তৈরি করছে, তার তিন কোটি ডোজ কিনতে ইতোমধ্যে চুক্তি করেছে সরকার। এছাড়া গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস-গ্যাভি বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশের জন্য ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে, যা আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যেই বাংলাদেশের হাতে আসতে পারে বলে সরকার আশা করছে।

এর আগে ৩০ নভেম্বর সচিবালয়ে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে কোভিড-১৯ সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবেলা ও ভ্যাকসিন সংগ্রহের সবশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে জনানো হয়, গত ১৪ অক্টোবরে ভারতের সিরাম ইন্সটিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ডের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বাংলাদেশ সরকারের কাছে তিন কোটি ডোজ বিক্রির প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন।

গত ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সঙ্গে সিরাম ইন্সটিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই হয়। এরপর ১৬ নভেম্বর অর্থ বিভাগ ভ্যাকসিন কেনার জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগকে ৭৩৫ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। ভ্যাকসিন কেনার জন্য অর্থনৈতিক ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে প্রস্তাব পাঠালে বুধবার সেই প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়।