সমস্যা যেমন আছে সমাধানও আছে
jugantor
শান্তি চুক্তির ২৩ বছরপূর্তি উদযাপন
সমস্যা যেমন আছে সমাধানও আছে
-পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়কমন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আলোচনা সভা, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বুধবার শান্তি চুক্তির ২৩ বর্ষপূর্তি উদযাপিত হয়েছে। রাজনৈতিক উপায়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এদিন আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমস্যা হলে অভিযোগ না করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুই প্রথমবারের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি ছাত্র-ছাত্রীদের মেডিকেল, প্রকৌশল ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কোটায় ভর্তির সুযোগ করে দেন। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রেও সমাজভিত্তিক সুযোগ সৃষ্টিতে ১৯৭২ সালের সেপ্টেম্বরে পদ সংরক্ষণ নীতিমালা বঙ্গবন্ধু সরকার সমর্থন করেন। সেখানে উপজাতিদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা নির্ধারিত হয়েছিল।

খাগড়াছড়ি বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ : খাগড়াছড়ি ও মাটিরাঙা প্রতিনিধি জানান, শান্তি চুক্তির তেইশ বছর উপলক্ষে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা ও মাটিরাঙ্গায় বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান ও ওষুধ বিতরণ করা হয়।

সকালে দীঘিনালা সেনা জোনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উপজেলার ডকইয়ার্ড মাঠে আয়োজিত মেডিকেল ক্যাম্পে ৫টি ইউনিয়নের গরিব দুস্থ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়। এ সময় দীঘিনালা সেনা জোন কমান্ডার লে. কর্নেল তৌহিদুল ইসলাম ও স্টাফ অফিসার মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন উপস্থিত ছিলেন। মেডিকেল ক্যাম্প থেকে উপজেলার অন্তত ১২শ’ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বানছড়া এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করে সেনাবাহিনী।

এদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাটিরাঙ্গা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত চক্ষু শিবির উদ্বোধন করেন গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শাহরিয়ার জামান। এ সময় তিনি বলেন, ‘পাহাড়ে দীর্ঘ সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তি চুক্তি হওয়ায় পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ে উন্নয়ন নিশ্চিত হয়েছে।’

এ সময় মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ নওরোজ নিকোশিয়ার, মাটিরাঙ্গার নবাগত জোন অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মোহসীন, গুইমারা রিজিয়নের জিটুআই মেজর মঈনুল আলম, মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ তৃলা দেব, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম হুমায়ুন মোরশেদ খান, পৌর মেয়র শামছুল হক ও মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিরন জয় ত্রিপুরা উপস্থিত ছিলেন।

চক্ষু শিবিরে চট্টগ্রাম লায়ন্স আই হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তিন শতাধিক পাহাড়ি-বাঙালি রোগীকে নানা ধরনের চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। এ সময় রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধ ও চশমা প্রদানের পাশাপাশি মাস্ক দেয়া হয়।

এদিন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শরণার্থী পুনর্বাসন বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। তিনি বলেন, পার্বত্য চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। পার্বত্য চুক্তি দেশে ও বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এম এনলারমা) পার্বত্য চুক্তির ২৩ বছর উপলক্ষে পৃথক কর্মসূচি পালন করে।

বান্দরবানে আলোচনা সভা ও বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা : বান্দরবান প্রতিনিধি জানান, দিনটি উপলক্ষে এ জেলায় নেয়া বিভিন্ন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ক্যশৈহ্ণা। পরে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে কেক কাটা হয়। এখানে আয়োজিত আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লুৎফর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আছাদ, সিভিল সার্জন ডা. অংসুই প্রু, পরিষদের সদস্য ক্যসাপ্রু মারমা, প্রেস ক্লাব সভাপতি মনিরুল ইসলাম মনু প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন সেনাবাহিনীর ৬৯ রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খন্দকার শাহীদুল ইমরান। এ সময় সদর জোন আকতার উজ সামাদ রাফি, সেনাবাহিনীর বান্দরবান সেভেন ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর মাফমিদা উপস্থিত ছিলেন। ক্যাম্প থেকে চক্ষুসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ৯৩৪ জন পাহাড়ি-বাঙালি রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ সরবরাহ করা হয়।

রাঙ্গামাটিতে নৌকা বাইচ : রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি জানান, দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০টায় নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে রাঙ্গামাটি সদর জোন। জেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন কাপ্তাই লেকে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙ্গামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইফতেকুর রহমান।

শান্তি চুক্তির ২৩ বছরপূর্তি উদযাপন

সমস্যা যেমন আছে সমাধানও আছে

-পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়কমন্ত্রী
 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আলোচনা সভা, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বুধবার শান্তি চুক্তির ২৩ বর্ষপূর্তি উদযাপিত হয়েছে। রাজনৈতিক উপায়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এদিন আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমস্যা হলে অভিযোগ না করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুই প্রথমবারের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি ছাত্র-ছাত্রীদের মেডিকেল, প্রকৌশল ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কোটায় ভর্তির সুযোগ করে দেন। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রেও সমাজভিত্তিক সুযোগ সৃষ্টিতে ১৯৭২ সালের সেপ্টেম্বরে পদ সংরক্ষণ নীতিমালা বঙ্গবন্ধু সরকার সমর্থন করেন। সেখানে উপজাতিদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা নির্ধারিত হয়েছিল।

খাগড়াছড়ি বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ : খাগড়াছড়ি ও মাটিরাঙা প্রতিনিধি জানান, শান্তি চুক্তির তেইশ বছর উপলক্ষে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা ও মাটিরাঙ্গায় বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান ও ওষুধ বিতরণ করা হয়।

সকালে দীঘিনালা সেনা জোনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উপজেলার ডকইয়ার্ড মাঠে আয়োজিত মেডিকেল ক্যাম্পে ৫টি ইউনিয়নের গরিব দুস্থ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়। এ সময় দীঘিনালা সেনা জোন কমান্ডার লে. কর্নেল তৌহিদুল ইসলাম ও স্টাফ অফিসার মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন উপস্থিত ছিলেন। মেডিকেল ক্যাম্প থেকে উপজেলার অন্তত ১২শ’ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বানছড়া এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করে সেনাবাহিনী।

এদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাটিরাঙ্গা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত চক্ষু শিবির উদ্বোধন করেন গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শাহরিয়ার জামান। এ সময় তিনি বলেন, ‘পাহাড়ে দীর্ঘ সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তি চুক্তি হওয়ায় পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ে উন্নয়ন নিশ্চিত হয়েছে।’

এ সময় মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ নওরোজ নিকোশিয়ার, মাটিরাঙ্গার নবাগত জোন অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মোহসীন, গুইমারা রিজিয়নের জিটুআই মেজর মঈনুল আলম, মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ তৃলা দেব, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম হুমায়ুন মোরশেদ খান, পৌর মেয়র শামছুল হক ও মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিরন জয় ত্রিপুরা উপস্থিত ছিলেন।

চক্ষু শিবিরে চট্টগ্রাম লায়ন্স আই হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তিন শতাধিক পাহাড়ি-বাঙালি রোগীকে নানা ধরনের চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। এ সময় রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধ ও চশমা প্রদানের পাশাপাশি মাস্ক দেয়া হয়।

এদিন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শরণার্থী পুনর্বাসন বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। তিনি বলেন, পার্বত্য চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। পার্বত্য চুক্তি দেশে ও বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এম এনলারমা) পার্বত্য চুক্তির ২৩ বছর উপলক্ষে পৃথক কর্মসূচি পালন করে।

বান্দরবানে আলোচনা সভা ও বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা : বান্দরবান প্রতিনিধি জানান, দিনটি উপলক্ষে এ জেলায় নেয়া বিভিন্ন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ক্যশৈহ্ণা। পরে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে কেক কাটা হয়। এখানে আয়োজিত আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লুৎফর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আছাদ, সিভিল সার্জন ডা. অংসুই প্রু, পরিষদের সদস্য ক্যসাপ্রু মারমা, প্রেস ক্লাব সভাপতি মনিরুল ইসলাম মনু প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন সেনাবাহিনীর ৬৯ রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খন্দকার শাহীদুল ইমরান। এ সময় সদর জোন আকতার উজ সামাদ রাফি, সেনাবাহিনীর বান্দরবান সেভেন ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর মাফমিদা উপস্থিত ছিলেন। ক্যাম্প থেকে চক্ষুসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ৯৩৪ জন পাহাড়ি-বাঙালি রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ সরবরাহ করা হয়।

রাঙ্গামাটিতে নৌকা বাইচ : রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি জানান, দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০টায় নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে রাঙ্গামাটি সদর জোন। জেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন কাপ্তাই লেকে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙ্গামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইফতেকুর রহমান।