দশম গ্রেডের কর্মকর্তারা চার ধরনের ভাতা চান
jugantor
দশম গ্রেডের কর্মকর্তারা চার ধরনের ভাতা চান

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডের কর্মকর্তারা সরকারের কাছে যাতায়াতসহ চার ধরনের ভাতা দাবি করেছেন। সচিবালয় কর্মজীবী কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদসহ ৮টি সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে লিখিতভাবে এ দাবি জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বেতন স্কেলের সব ধাপের কর্মকর্তা-কর্মচারী যাতায়াত ভাতা পেলেও তাদের দেয়া হচ্ছে না। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আবেদনটি আমলে নিয়ে দাবির বিষয়গুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিবকে ৩০ নভেম্বর চিঠি দিয়েছে।

সূত্র জানায়, দশম গ্রেডে অবস্থানরত সচিবালয়ে কর্মরত বিভিন্ন পদে থাকা দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তাদের কয়েকটি সংগঠনসহ ৮টি সংগঠনের পক্ষ থেকে ২৩ নভেম্বর মন্ত্রিপরিষদ সচিব বরাবর আবেদনটি করা হয়।

এতে স্বাক্ষর করেন সচিবালয় কর্মজীবী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মো. এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাপ মিয়া, সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী লিয়াজোঁ কমিটির সভাপতি রবিউল আলম, সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, সচিবালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সভাপতি শামসুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুজ্জামাল, সচিবালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর কবির, সচিবালয় সা.ক.অ./ক.অ. কল্যাণ সমিতির সভাপতি রোকন-উজ-জামান ও সাধারণ সম্পাদক রাসেল কবীর, সচিবালয় অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কল্যাণ সমিতির সভাপতি কেএম গোলাম আহাদ, সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সচিবালয় অফিস স.ক.ম./ডা. এ.অ. কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্বাস উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম এবং সচিবালয় অফিস সহায়ক কল্যাণ সমিতির সভাপতি শাহ মো. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম।

আবেদনে বলা হয়, ১১ থেকে ২০নং গ্রেডের কর্মচারীদের অফিস সময়ের অতিরিক্ত বা ছুটির দিনে কাজের জন্য দৈনিক ২০ টাকা হারে অতিরিক্ত খাটুনি ভাতা দেয়া হয়। ২০নং গ্রেডের কর্মচারীরা মাসিক ২০০ টাকা টিফিন ভাতা এবং মাসিক ৩০০ টাকা হারে যাতায়াত ভাতা পেয়ে আসছেন। এছাড়া তাদের পোশাক ও রিকশা ভাড়া দেয়া হয়।

অপরদিকে নবম গ্রেড থেকে তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের গাড়ি সুবিধা/গাড়ি নগদায়ন সুবিধার আওতায় গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত ঋণ দেয়া হচ্ছে। এর বাইরে তারা পদমর্যাদা ভেদে বিভিন্ন হারে আপ্যায়ন, মোবাইল, টেলিফোন ও ইন্টারনেট বিল বেতনের সঙ্গে পেয়ে থাকেন। অথচ জাতীয় বেতন স্কেলের ১ থেকে ২০ গ্রেডের মধ্যে শুধু দশম গ্রেডের কর্মকর্তাদের যাতায়াত ভাতাসহ এ ধরনের কোনো ভাতা দেয়া হয় না। তারা বিস্ময়কর এ বৈষম্যের প্রতিকার দাবি করেন। শুধু সচিবালয় নয়, সারা দেশে সরকারি চাকরিতে কর্মরত দশম গ্রেডের কর্মকর্তারা এই বঞ্ছনার শিকার। তারা মনে করেন, নিশ্চয়ই সরকারের নীতিনির্ধারক মহল বিষয়টি আন্তরিকতার সঙ্গে বিবেচনায় নেবে।

দশম গ্রেডের কর্মকর্তারা চার ধরনের ভাতা চান

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডের কর্মকর্তারা সরকারের কাছে যাতায়াতসহ চার ধরনের ভাতা দাবি করেছেন। সচিবালয় কর্মজীবী কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদসহ ৮টি সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে লিখিতভাবে এ দাবি জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বেতন স্কেলের সব ধাপের কর্মকর্তা-কর্মচারী যাতায়াত ভাতা পেলেও তাদের দেয়া হচ্ছে না। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আবেদনটি আমলে নিয়ে দাবির বিষয়গুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিবকে ৩০ নভেম্বর চিঠি দিয়েছে।

সূত্র জানায়, দশম গ্রেডে অবস্থানরত সচিবালয়ে কর্মরত বিভিন্ন পদে থাকা দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তাদের কয়েকটি সংগঠনসহ ৮টি সংগঠনের পক্ষ থেকে ২৩ নভেম্বর মন্ত্রিপরিষদ সচিব বরাবর আবেদনটি করা হয়।

এতে স্বাক্ষর করেন সচিবালয় কর্মজীবী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মো. এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাপ মিয়া, সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী লিয়াজোঁ কমিটির সভাপতি রবিউল আলম, সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, সচিবালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সভাপতি শামসুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুজ্জামাল, সচিবালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর কবির, সচিবালয় সা.ক.অ./ক.অ. কল্যাণ সমিতির সভাপতি রোকন-উজ-জামান ও সাধারণ সম্পাদক রাসেল কবীর, সচিবালয় অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কল্যাণ সমিতির সভাপতি কেএম গোলাম আহাদ, সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সচিবালয় অফিস স.ক.ম./ডা. এ.অ. কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্বাস উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম এবং সচিবালয় অফিস সহায়ক কল্যাণ সমিতির সভাপতি শাহ মো. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম।

আবেদনে বলা হয়, ১১ থেকে ২০নং গ্রেডের কর্মচারীদের অফিস সময়ের অতিরিক্ত বা ছুটির দিনে কাজের জন্য দৈনিক ২০ টাকা হারে অতিরিক্ত খাটুনি ভাতা দেয়া হয়। ২০নং গ্রেডের কর্মচারীরা মাসিক ২০০ টাকা টিফিন ভাতা এবং মাসিক ৩০০ টাকা হারে যাতায়াত ভাতা পেয়ে আসছেন। এছাড়া তাদের পোশাক ও রিকশা ভাড়া দেয়া হয়।

অপরদিকে নবম গ্রেড থেকে তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের গাড়ি সুবিধা/গাড়ি নগদায়ন সুবিধার আওতায় গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত ঋণ দেয়া হচ্ছে। এর বাইরে তারা পদমর্যাদা ভেদে বিভিন্ন হারে আপ্যায়ন, মোবাইল, টেলিফোন ও ইন্টারনেট বিল বেতনের সঙ্গে পেয়ে থাকেন। অথচ জাতীয় বেতন স্কেলের ১ থেকে ২০ গ্রেডের মধ্যে শুধু দশম গ্রেডের কর্মকর্তাদের যাতায়াত ভাতাসহ এ ধরনের কোনো ভাতা দেয়া হয় না। তারা বিস্ময়কর এ বৈষম্যের প্রতিকার দাবি করেন। শুধু সচিবালয় নয়, সারা দেশে সরকারি চাকরিতে কর্মরত দশম গ্রেডের কর্মকর্তারা এই বঞ্ছনার শিকার। তারা মনে করেন, নিশ্চয়ই সরকারের নীতিনির্ধারক মহল বিষয়টি আন্তরিকতার সঙ্গে বিবেচনায় নেবে।