সাভারে দিনদুপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
jugantor
সাভারে দিনদুপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

  সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি  

০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাভার পৌর এলাকায় মিলন (২০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ জামসিং মহল্লায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দক্ষিণ জামসিং মহল্লার ফজলুল হকের ছেলে মিলন টাইলস মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন।

মিলনের বাবা ফজলুল হক বলেন, বাড়ির পাশের একটি ডোবার পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর কয়েকদিন ধরে ওই জমির চারপাশে বাঁশ দিয়ে বেড়া তৈরির কাজ করছিল মিলন ও ইমন। দুপুরে তারা বেড়া নির্মাণকাজ শুরু করে। এর বেশ কিছুক্ষণ পর ওই জমিতে রক্তাক্ত অবস্থায় মিলনের মরদেহ দেখতে পায় সাব্বির (১৩) নামের এক কিশোর।

মিলনের স্ত্রী তনিমা আক্তার মীম জানান, বুধবার রাতে মিলনের মোবাইল ফোনে তার বন্ধু সুজন কল করে। ফোনটি আমি রিসিভ করার পর মিলনকে ফোন ধরিয়ে দিতে অনুরোধ করে। কিন্তু তার সঙ্গে যোগাযোগ করার সুযোগ না করে দেয়ায় সুজন হুমকি দিয়ে বলে, ভাবি মিলনকে ফোনে কথা বলতে বলেন, নাহলে কিন্তু অনেক সমস্যা হবে। পরে আমি ফোনের সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেই। পরদিন সকালে মিলন আমাকে সঙ্গে নিয়ে ওই জমিতে বেড়া নির্মাণে সহযোগিতার জন্য নিয়ে যায়। সাড়ে ৯টার দিকে আমাকে রান্না করার জন্য বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এর পর মিলন বাসায় এসে খাবার খেয়ে ওই জমিতে কাজের উদ্দেশে বের হয়। এর কিছু পর মিলনকে কুপিয়ে হত্যার খবর নিয়ে আসে সাব্বির। আমি ও আমাদের পরিবারের লোকজন দৌড়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে মিলনের নিথর দেহ ওই জমিতে পরে থাকতে দেখি।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) সাইফুল ইসলাম বলেন, মিলন একটি হত্যা মামলার আসামি। সে এলাকার খারাপ ছেলেদের সঙ্গে চলাফেরা করত। খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মিলনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় বৃহস্পতিবার একটি হত্যা মামলা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি সাইফুল।

সাভারে দিনদুপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

 সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি 
০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাভার পৌর এলাকায় মিলন (২০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ জামসিং মহল্লায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দক্ষিণ জামসিং মহল্লার ফজলুল হকের ছেলে মিলন টাইলস মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন।

মিলনের বাবা ফজলুল হক বলেন, বাড়ির পাশের একটি ডোবার পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর কয়েকদিন ধরে ওই জমির চারপাশে বাঁশ দিয়ে বেড়া তৈরির কাজ করছিল মিলন ও ইমন। দুপুরে তারা বেড়া নির্মাণকাজ শুরু করে। এর বেশ কিছুক্ষণ পর ওই জমিতে রক্তাক্ত অবস্থায় মিলনের মরদেহ দেখতে পায় সাব্বির (১৩) নামের এক কিশোর।

মিলনের স্ত্রী তনিমা আক্তার মীম জানান, বুধবার রাতে মিলনের মোবাইল ফোনে তার বন্ধু সুজন কল করে। ফোনটি আমি রিসিভ করার পর মিলনকে ফোন ধরিয়ে দিতে অনুরোধ করে। কিন্তু তার সঙ্গে যোগাযোগ করার সুযোগ না করে দেয়ায় সুজন হুমকি দিয়ে বলে, ভাবি মিলনকে ফোনে কথা বলতে বলেন, নাহলে কিন্তু অনেক সমস্যা হবে। পরে আমি ফোনের সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেই। পরদিন সকালে মিলন আমাকে সঙ্গে নিয়ে ওই জমিতে বেড়া নির্মাণে সহযোগিতার জন্য নিয়ে যায়। সাড়ে ৯টার দিকে আমাকে রান্না করার জন্য বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এর পর মিলন বাসায় এসে খাবার খেয়ে ওই জমিতে কাজের উদ্দেশে বের হয়। এর কিছু পর মিলনকে কুপিয়ে হত্যার খবর নিয়ে আসে সাব্বির। আমি ও আমাদের পরিবারের লোকজন দৌড়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে মিলনের নিথর দেহ ওই জমিতে পরে থাকতে দেখি।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) সাইফুল ইসলাম বলেন, মিলন একটি হত্যা মামলার আসামি। সে এলাকার খারাপ ছেলেদের সঙ্গে চলাফেরা করত। খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মিলনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় বৃহস্পতিবার একটি হত্যা মামলা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি সাইফুল।