সবচেয়ে বিত্তশালী বেতাগীর বিএনপি প্রার্থী
jugantor
দক্ষিণের ৪ পৌরসভা নির্বাচন
সবচেয়ে বিত্তশালী বেতাগীর বিএনপি প্রার্থী
সম্পদে বাকিদের পেছনে ফেলেছে কুয়াকাটার প্রার্থীরা

  আকতার ফারুক শাহিন, বরিশাল  

০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দক্ষিণের তিন জেলার ৪ পৌরসভায় মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী বরগুনার বেতাগী পৌরসভার বিএনপি সমর্থিত হুমায়ুন কবির। শিক্ষাগত যোগ্যতায় তলানিতে থাকলেও অর্থবিত্তে তার পরই আছেন পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা পৌরসভার প্রার্থীরা।

যে ক’জন প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষিত বেতাগী পৌরসভার বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগের প্রার্থী এবিএম গোলাম কবির। ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে তার। বাকিদের মধ্যে মাত্র একজন স্নাতক এবং আরেকজন বিএ পাস। এছাড়া একজন মাদ্রাসা থেকে স্নাতকোত্তর হলেও বাকিদের কেউই পার হতে পারেননি উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি। ৮ম আর নবম শ্রেণি পাসের পাশাপাশি কয়েকজন আছেন স্বশিক্ষিত। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামা থেকে পাওয়া গেছে এসব তথ্য। নানা অসঙ্গতিও দেখা গেছে এসব হলফনামায়। কয়েকজন প্রার্থীর বর্ণনায় স্ত্রীদের আয়ের উৎস উল্লেখ না থাকলেও সম্পদশালী দেখানো হয়েছে স্ত্রীদের। জমিসহ নগদ অর্থও বেশি স্ত্রীদের হাতে।

বরগুনায় বেতাগী পৌরসভায় বিএনপি’র প্রার্থী হুমায়ুন কবিরের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক। পেশা ঠিকাদারি আর গার্মেন্ট ব্যবসা। কোনো মামলা নেই তার বিরুদ্ধে। অর্থবিত্ত প্রশ্নে অন্য সব প্রার্থীকে টেক্কা দেয়া হুমায়ুনের নগদ ও জমার পরিমাণ ৩৬ লাখ ৪৭ হাজার ৫৯৯ টাকা। বার্ষিক আয় ২৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা উল্লেখ করা এই বিএনপি নেতার নেই কোনো দায়দেনা ব্যাংক ঋণ। দুটি ড্রেজার-যাত্রীবাহী বাসের মালিকানার পাশাপাশি ঢাকায় রয়েছে ৭ তলা ভবন। রাজধানীতে প্রায় ১৮ শতাংশের সঙ্গে বেতাগীতে আছে আরও ২ একর ২৩ শতাংশ জমি। এছাড়া প্রায় ২৭ ডেসিমেল জমি রয়েছে পৌর এলাকায়। বেতাগীতে রয়েছে ২ তলা একটি পাকা ভবন এবং ৭টি টিনশেড ঘর। এর পাশাপাশি ২ লাখ ৩০ হাজার টাকার স্বর্ণ এবং টিভি-ফ্রিজসহ অন্যান্য আসবাবপত্র। বেতাগীর বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগের প্রার্থী এবিএম গোলাম কবিরের মেয়র সম্মানীসহ বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ৪ একর ৩০ শতাংশ জমির মালিক কবিরের নগদ ও জমা অর্থের পরিমাণ ১১ লাখ। এছাড়া ৫০ হাজার টাকা আছে তার স্ত্রীর। একটি দালান, একটি টিনশেড ঘরের মালিক কবিরের ব্যাংক ঋণ এক কোটি টাকা। পেশায় রড-সিমেন্ট বিক্রেতা ও ইটভাটার মালিক। একটি মিনিবাস এবং স্ত্রীর মালিকানায় রয়েছে ৫ ভরি স্বর্ণ। কোনো মামলা নেই তার বিরুদ্ধে। স্বতন্ত্র শিরোনামে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মহসিনের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি। বার্ষিক আয় ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা ছাড়াও রয়েছে ২ ভরি সোনা, ১৪ শতাংশ জমি ও ৩টি টিনের ঘর। কোনো দায়দেনা কিংবা ব্যাংক ঋণ নেই।

পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় মেয়র প্রার্থী ৪ জনের মধ্যে বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগ মনোনীত আবদুল বারেক মোল্লার শিক্ষাগত যোগ্যতা নবম শ্রেণি। মেয়র সম্মানীসহ বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা দেখানো বারেকের নগদ ও ব্যাংকে রয়েছে ৩৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। মুদি দোকান, ঘর ভাড়া, কৃষি জমির আয় থেকে জীবিকা নির্বাহ করা বারেকের জমির পরিমাণ ৩ একর ৩৭ শতাংশ। কোনো দায়দেনা নেই। ৫ ভড়ি স্বর্ণ রয়েছে স্ত্রীর। একটি টিনশেড বিল্ডিংয়ের মালিক তিনি। মামলা রয়েছে দুটি। এখানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ার হাওলাদারের শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি। নগদ অর্থের পরিমাণ ২১ লাখ টাকা দেখানো এই আওয়ামী লীগ নেতার জমি আছে ৬ একর ৫৮ শতাংশ। ৫ ভরি স্বর্ণসহ ২ একর ৫০ শতাংশ জমির মালিক তার স্ত্রী। যৌথ মালিকানার নিজের অংশ হিসেবে আরও ৩০ শতাংশ জমি ও বরফকল রয়েছে তার। তিনতলা আবাসিক ভবনের মালিকানা ছাড়াও ৪ তলাবিশিষ্ট দুটি আবাসিক হোটেল আছে আনোয়ারের। ৪ লাখ ২৬ হাজার ৭৫০ টাকা বার্ষিক আয় দেখানো এই প্রার্থীর দেনার পরিমাণ ৫৫ লাখ টাকা। মামলা রয়েছে ৩টি। এখানে বিএনপি’র প্রার্থী আ. আজিজ মুসল্লির শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি। মামলা ৩টি। কৃষক ও ব্যবসায়ী আজিজের বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। নগদ ৪ লাখ টাকাসহ নিজের ১০ ভরি ও স্ত্রীর ৫ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমির পরিমাণ ১১ একর। স্ত্রীর নামে রয়েছে ৬৬ শতাংশ জমি। দায়দেনা না থাকা আজিজের রয়েছে একটি টিনশেড ঘর। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী নূরুল ইসলাম মুন্সি স্বশিক্ষিত। মামলা নেই। বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৪০ হাজার। দায়দেনা নেই। নগদ টাকা আছে এক হাজার। স্বর্ণ ৫ ভরি। ৯৯ শতাংশ জমিসহ আছে একটি টিনের ঘর।

বাকেরগঞ্জ পৌরসভার বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগ প্রার্থী লোকমান হোসেন ডাকুয়ার পড়াশোনা এইচএসসি। বার্ষিক আয় ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। নেই কোনো নগদ অর্থ। দায়দেনা না থাকা লোকমানের ২০ তোলা স্বর্ণ ছাড়া কোনো জমি বা বাড়ি নেই। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খলিলুর রহমান কামিল পাস। পেশায় শিক্ষক খলিলের বার্ষিক আয় ৬ লাখ টাকা। দায়দেনা না থাকা এই মেয়র প্রার্থীর নগদ অর্থ রয়েছে ১০ লাখ এবং স্বর্ণ ২৫ ভরি। ৬৪ শতাংশ জমি রয়েছে তার। এখানে বিএনপি প্রার্থী মনিরুজ্জামান এসএসসি পাস। মামলা রয়েছে ২টি। নগদ ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা থাকা মনিরের ৫ ভরি স্বর্ণ ছাড়া কোনো জমি বা বাড়ি নেই। উজিরপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন ব্যাপারী বিএ পাস। মেয়র সম্মানীসহ বার্ষিক আয় ১৩ লাখ টাকার কিছু বেশি। কোনো পেশা উল্লেখ না থাকলেও স্ত্রীর আয় দেখিয়েছেন ৪ লাখ ৫২ হাজার টাকা। নগদ ও ব্যাংকে জমা মিলিয়ে ১২ লাখ ৭৭ হাজার টাকার মালিক গিয়াসের স্ত্রীর জমা টাকার পরিমাণ ১৯ লাখ ৭৯ হাজার। স্ত্রী যেখানে ৩ একর ৫০ শতাংশ জমির মালিক সেখানে গিয়াসের জমির পরিমাণ মাত্র ১২ শতাংশ। এছাড়া ২৫ ভরি সোনা ও একটি ডেলিভারি ভ্যান রয়েছে এই মেয়রের। এখানে বিএনপি’র প্রার্থী শহিদুল ইসলাম খান এইচএসসি পাস। মামলা রয়েছে ২টি। বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা দেখানো এই বিএনপি নেতার ৫ ভরি স্বর্ণ থাকলেও নেই কোনো জমি, নগদ জমা কিংবা দেনা। তবে নির্ভরশীলদের নামে ৩০ শতাংশ জমি থাকার তথ্য দিয়েছেন তিনি। এখানে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কাজী শহিদুল স্বশিক্ষিত। ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার বার্ষিক আয় ছাড়া আর কিছুই নেই তার।

দক্ষিণের ৪ পৌরসভা নির্বাচন

সবচেয়ে বিত্তশালী বেতাগীর বিএনপি প্রার্থী

সম্পদে বাকিদের পেছনে ফেলেছে কুয়াকাটার প্রার্থীরা
 আকতার ফারুক শাহিন, বরিশাল 
০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দক্ষিণের তিন জেলার ৪ পৌরসভায় মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী বরগুনার বেতাগী পৌরসভার বিএনপি সমর্থিত হুমায়ুন কবির। শিক্ষাগত যোগ্যতায় তলানিতে থাকলেও অর্থবিত্তে তার পরই আছেন পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা পৌরসভার প্রার্থীরা।

যে ক’জন প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষিত বেতাগী পৌরসভার বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগের প্রার্থী এবিএম গোলাম কবির। ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে তার। বাকিদের মধ্যে মাত্র একজন স্নাতক এবং আরেকজন বিএ পাস। এছাড়া একজন মাদ্রাসা থেকে স্নাতকোত্তর হলেও বাকিদের কেউই পার হতে পারেননি উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি। ৮ম আর নবম শ্রেণি পাসের পাশাপাশি কয়েকজন আছেন স্বশিক্ষিত। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামা থেকে পাওয়া গেছে এসব তথ্য। নানা অসঙ্গতিও দেখা গেছে এসব হলফনামায়। কয়েকজন প্রার্থীর বর্ণনায় স্ত্রীদের আয়ের উৎস উল্লেখ না থাকলেও সম্পদশালী দেখানো হয়েছে স্ত্রীদের। জমিসহ নগদ অর্থও বেশি স্ত্রীদের হাতে।

বরগুনায় বেতাগী পৌরসভায় বিএনপি’র প্রার্থী হুমায়ুন কবিরের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক। পেশা ঠিকাদারি আর গার্মেন্ট ব্যবসা। কোনো মামলা নেই তার বিরুদ্ধে। অর্থবিত্ত প্রশ্নে অন্য সব প্রার্থীকে টেক্কা দেয়া হুমায়ুনের নগদ ও জমার পরিমাণ ৩৬ লাখ ৪৭ হাজার ৫৯৯ টাকা। বার্ষিক আয় ২৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা উল্লেখ করা এই বিএনপি নেতার নেই কোনো দায়দেনা ব্যাংক ঋণ। দুটি ড্রেজার-যাত্রীবাহী বাসের মালিকানার পাশাপাশি ঢাকায় রয়েছে ৭ তলা ভবন। রাজধানীতে প্রায় ১৮ শতাংশের সঙ্গে বেতাগীতে আছে আরও ২ একর ২৩ শতাংশ জমি। এছাড়া প্রায় ২৭ ডেসিমেল জমি রয়েছে পৌর এলাকায়। বেতাগীতে রয়েছে ২ তলা একটি পাকা ভবন এবং ৭টি টিনশেড ঘর। এর পাশাপাশি ২ লাখ ৩০ হাজার টাকার স্বর্ণ এবং টিভি-ফ্রিজসহ অন্যান্য আসবাবপত্র। বেতাগীর বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগের প্রার্থী এবিএম গোলাম কবিরের মেয়র সম্মানীসহ বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ৪ একর ৩০ শতাংশ জমির মালিক কবিরের নগদ ও জমা অর্থের পরিমাণ ১১ লাখ। এছাড়া ৫০ হাজার টাকা আছে তার স্ত্রীর। একটি দালান, একটি টিনশেড ঘরের মালিক কবিরের ব্যাংক ঋণ এক কোটি টাকা। পেশায় রড-সিমেন্ট বিক্রেতা ও ইটভাটার মালিক। একটি মিনিবাস এবং স্ত্রীর মালিকানায় রয়েছে ৫ ভরি স্বর্ণ। কোনো মামলা নেই তার বিরুদ্ধে। স্বতন্ত্র শিরোনামে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মহসিনের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি। বার্ষিক আয় ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা ছাড়াও রয়েছে ২ ভরি সোনা, ১৪ শতাংশ জমি ও ৩টি টিনের ঘর। কোনো দায়দেনা কিংবা ব্যাংক ঋণ নেই।

পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় মেয়র প্রার্থী ৪ জনের মধ্যে বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগ মনোনীত আবদুল বারেক মোল্লার শিক্ষাগত যোগ্যতা নবম শ্রেণি। মেয়র সম্মানীসহ বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা দেখানো বারেকের নগদ ও ব্যাংকে রয়েছে ৩৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। মুদি দোকান, ঘর ভাড়া, কৃষি জমির আয় থেকে জীবিকা নির্বাহ করা বারেকের জমির পরিমাণ ৩ একর ৩৭ শতাংশ। কোনো দায়দেনা নেই। ৫ ভড়ি স্বর্ণ রয়েছে স্ত্রীর। একটি টিনশেড বিল্ডিংয়ের মালিক তিনি। মামলা রয়েছে দুটি। এখানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ার হাওলাদারের শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি। নগদ অর্থের পরিমাণ ২১ লাখ টাকা দেখানো এই আওয়ামী লীগ নেতার জমি আছে ৬ একর ৫৮ শতাংশ। ৫ ভরি স্বর্ণসহ ২ একর ৫০ শতাংশ জমির মালিক তার স্ত্রী। যৌথ মালিকানার নিজের অংশ হিসেবে আরও ৩০ শতাংশ জমি ও বরফকল রয়েছে তার। তিনতলা আবাসিক ভবনের মালিকানা ছাড়াও ৪ তলাবিশিষ্ট দুটি আবাসিক হোটেল আছে আনোয়ারের। ৪ লাখ ২৬ হাজার ৭৫০ টাকা বার্ষিক আয় দেখানো এই প্রার্থীর দেনার পরিমাণ ৫৫ লাখ টাকা। মামলা রয়েছে ৩টি। এখানে বিএনপি’র প্রার্থী আ. আজিজ মুসল্লির শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি। মামলা ৩টি। কৃষক ও ব্যবসায়ী আজিজের বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। নগদ ৪ লাখ টাকাসহ নিজের ১০ ভরি ও স্ত্রীর ৫ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমির পরিমাণ ১১ একর। স্ত্রীর নামে রয়েছে ৬৬ শতাংশ জমি। দায়দেনা না থাকা আজিজের রয়েছে একটি টিনশেড ঘর। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী নূরুল ইসলাম মুন্সি স্বশিক্ষিত। মামলা নেই। বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৪০ হাজার। দায়দেনা নেই। নগদ টাকা আছে এক হাজার। স্বর্ণ ৫ ভরি। ৯৯ শতাংশ জমিসহ আছে একটি টিনের ঘর।

বাকেরগঞ্জ পৌরসভার বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগ প্রার্থী লোকমান হোসেন ডাকুয়ার পড়াশোনা এইচএসসি। বার্ষিক আয় ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। নেই কোনো নগদ অর্থ। দায়দেনা না থাকা লোকমানের ২০ তোলা স্বর্ণ ছাড়া কোনো জমি বা বাড়ি নেই। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খলিলুর রহমান কামিল পাস। পেশায় শিক্ষক খলিলের বার্ষিক আয় ৬ লাখ টাকা। দায়দেনা না থাকা এই মেয়র প্রার্থীর নগদ অর্থ রয়েছে ১০ লাখ এবং স্বর্ণ ২৫ ভরি। ৬৪ শতাংশ জমি রয়েছে তার। এখানে বিএনপি প্রার্থী মনিরুজ্জামান এসএসসি পাস। মামলা রয়েছে ২টি। নগদ ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা থাকা মনিরের ৫ ভরি স্বর্ণ ছাড়া কোনো জমি বা বাড়ি নেই। উজিরপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন ব্যাপারী বিএ পাস। মেয়র সম্মানীসহ বার্ষিক আয় ১৩ লাখ টাকার কিছু বেশি। কোনো পেশা উল্লেখ না থাকলেও স্ত্রীর আয় দেখিয়েছেন ৪ লাখ ৫২ হাজার টাকা। নগদ ও ব্যাংকে জমা মিলিয়ে ১২ লাখ ৭৭ হাজার টাকার মালিক গিয়াসের স্ত্রীর জমা টাকার পরিমাণ ১৯ লাখ ৭৯ হাজার। স্ত্রী যেখানে ৩ একর ৫০ শতাংশ জমির মালিক সেখানে গিয়াসের জমির পরিমাণ মাত্র ১২ শতাংশ। এছাড়া ২৫ ভরি সোনা ও একটি ডেলিভারি ভ্যান রয়েছে এই মেয়রের। এখানে বিএনপি’র প্রার্থী শহিদুল ইসলাম খান এইচএসসি পাস। মামলা রয়েছে ২টি। বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা দেখানো এই বিএনপি নেতার ৫ ভরি স্বর্ণ থাকলেও নেই কোনো জমি, নগদ জমা কিংবা দেনা। তবে নির্ভরশীলদের নামে ৩০ শতাংশ জমি থাকার তথ্য দিয়েছেন তিনি। এখানে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কাজী শহিদুল স্বশিক্ষিত। ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার বার্ষিক আয় ছাড়া আর কিছুই নেই তার।