নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে ভোলা ডিসির বাসভবন ঘেরাও
jugantor
নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে ভোলা ডিসির বাসভবন ঘেরাও

  ভোলা প্রতিনিধি  

২৩ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলায় আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ের অফিস সহায়ক (পিয়ন) ১৫টি পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও ডিসির বাসভবন ঘেরাও করেন পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষা দিতে আসা শহরের ৫টি কেন্দ্রের ৩ হাজার চাকরিপ্রার্থী এক জোট হয়ে শুক্রবার সকালে প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নামেন। এক পর্যায়ে তারা প্রেস ক্লাব চত্বরে প্রতিবাদ সভা করেন। পরে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের বাসভবন ঘেরাও করে রাখেন। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন।

জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি হিসাবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুজিত কুমার হালদার নিয়োগ পরীক্ষার্থীদের জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় তারা জানতে পারেন ওই পরীক্ষা আদালত স্থগিত করেছেন। কেন করেছেন তা তারা এখনো জানেন না। আবার রাত ১০টার পর স্থগিতাদেশ ভুল হয়েছে মর্মে আদালত আরও একটি তথ্য প্রকাশ করেন। এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। এ অবস্থায় আদালতের প্রথম সিদ্ধান্তের পরই কেন্দ্রে কেন্দ্রে পরীক্ষা বন্ধ থাকার ঘোষণাপত্র টানিয়ে দেওয়া হয়। আদালতের আদেশ রোববার যাচাই করে শিগগিরই এ পরীক্ষা নেওয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক। পরে দুপুর ১টায় আন্দোলনরত পরীক্ষার্থীরা তিন দিনের সময় দিয়ে জেলা প্রশাসক বাসভবনের অবরোধ তুলে নেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম জানান, নিয়োগ পরীক্ষাটি রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির অংশ ছিল। আদালতের এমন আদেশে তাদের রাষ্ট্রীয় কাজ ক্ষতির মুখে পড়ে। এজন্য তারা বিভ্রান্ত হয়েছেন। এর দায় তারা নিতে পারেন না। এ দায় কে নেবেন এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি। জানা যায়, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মাস্টাররোলে চাকরি করেন এমন ১০ জন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষায় স্থগিতাদেশ চেয়ে মামলা করেন। শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার ভোলা সদর সিনিয়র সহকারী জজ মোহাম্মদ নাসিম মাহমুদ এ আদেশ দেন। ওই আদেশ পেয়ে পরীক্ষার কার্যক্রম বন্ধ করে দেন জেলা প্রশাসক। পরে একই আদালতের একই সেরেস্তাদারের স্বাক্ষরে জানানো হয়, অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পরীক্ষার ওপর কোনো স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি। ভুলবশত সার্চিং স্লিপে ওই তথ্য লেখা হয়েছে। জেলা প্রশাসক জানান, লিখিত নিয়োগ পরীক্ষার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরও আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে শুক্রবার ওই পরীক্ষা আর নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, ওই ১৫টি পদের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আবেদনকারী ছিলেন ৩ হাজার ২৩৭ জন।

নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে ভোলা ডিসির বাসভবন ঘেরাও

 ভোলা প্রতিনিধি 
২৩ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলায় আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ের অফিস সহায়ক (পিয়ন) ১৫টি পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও ডিসির বাসভবন ঘেরাও করেন পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষা দিতে আসা শহরের ৫টি কেন্দ্রের ৩ হাজার চাকরিপ্রার্থী এক জোট হয়ে শুক্রবার সকালে প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নামেন। এক পর্যায়ে তারা প্রেস ক্লাব চত্বরে প্রতিবাদ সভা করেন। পরে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের বাসভবন ঘেরাও করে রাখেন। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন।

জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি হিসাবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুজিত কুমার হালদার নিয়োগ পরীক্ষার্থীদের জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় তারা জানতে পারেন ওই পরীক্ষা আদালত স্থগিত করেছেন। কেন করেছেন তা তারা এখনো জানেন না। আবার রাত ১০টার পর স্থগিতাদেশ ভুল হয়েছে মর্মে আদালত আরও একটি তথ্য প্রকাশ করেন। এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। এ অবস্থায় আদালতের প্রথম সিদ্ধান্তের পরই কেন্দ্রে কেন্দ্রে পরীক্ষা বন্ধ থাকার ঘোষণাপত্র টানিয়ে দেওয়া হয়। আদালতের আদেশ রোববার যাচাই করে শিগগিরই এ পরীক্ষা নেওয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক। পরে দুপুর ১টায় আন্দোলনরত পরীক্ষার্থীরা তিন দিনের সময় দিয়ে জেলা প্রশাসক বাসভবনের অবরোধ তুলে নেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম জানান, নিয়োগ পরীক্ষাটি রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির অংশ ছিল। আদালতের এমন আদেশে তাদের রাষ্ট্রীয় কাজ ক্ষতির মুখে পড়ে। এজন্য তারা বিভ্রান্ত হয়েছেন। এর দায় তারা নিতে পারেন না। এ দায় কে নেবেন এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি। জানা যায়, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মাস্টাররোলে চাকরি করেন এমন ১০ জন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষায় স্থগিতাদেশ চেয়ে মামলা করেন। শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার ভোলা সদর সিনিয়র সহকারী জজ মোহাম্মদ নাসিম মাহমুদ এ আদেশ দেন। ওই আদেশ পেয়ে পরীক্ষার কার্যক্রম বন্ধ করে দেন জেলা প্রশাসক। পরে একই আদালতের একই সেরেস্তাদারের স্বাক্ষরে জানানো হয়, অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পরীক্ষার ওপর কোনো স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি। ভুলবশত সার্চিং স্লিপে ওই তথ্য লেখা হয়েছে। জেলা প্রশাসক জানান, লিখিত নিয়োগ পরীক্ষার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরও আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে শুক্রবার ওই পরীক্ষা আর নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, ওই ১৫টি পদের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আবেদনকারী ছিলেন ৩ হাজার ২৩৭ জন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন