রেজাউলের প্রচারণায় যুবলীগ নেতা ছুরিকাহত
jugantor
বাচ্চু-ফরিদ দ্বন্দ্বের জের
রেজাউলের প্রচারণায় যুবলীগ নেতা ছুরিকাহত

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

২৫ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রেজাউলের প্রচারণায় যুবলীগ নেতা ছুরিকাহত

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরীর পক্ষে গণসংযোগে অংশ নিয়ে ছুরিকাহত হয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আদিত্য নন্দী। রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন কসমোপলিটন আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু ও যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছে, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে রোববার দুপুরে ষোলশহর সামারা কনভেনশন হলে রেজাউলের সমর্থনে সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলে নাঈম। এই সভায় মঞ্চে ওঠা ও বক্তব্য দেওয়া নিয়ে নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু ও যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদের অনুসারীদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। উপস্থিত শীর্ষ নেতারা এই পরিস্থিতি সামাল দেন। সভা শেষে রেজাউলের সমর্থনে গণসংযোগের মিছিল বের হয়। এতে অংশ নিয়েছিলেন আদিত্য নন্দী। মিছিলটি কসমোপলিটন আবাসিক এলাকার মুখে গেলে ভিড়ের মধ্যে পেছন থেকে তার পায়ে ছুরিকাঘাত করা হয়। সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন, শুলকবহর ওয়ার্ড যুবলীগ কর্মী আনোয়ার এই ছুরিকাঘাত করেন। আনোয়ার শুলকবহর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি আবুল বশরের অনুসারী। আর আবুল বশর হলেন নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চুর অনুসারী। মূলত ফরিদ মাহমুদের অনুসারীদের ওপর হামলা করতে গিয়ে না চিনে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতাকেই ছুরিকাঘাত করে বসেন আনোয়ার। তবে নগর যুবলীগের পক্ষ থেকে এ হামলার জন্য কাউকে দায়ী বা চিহ্নিত করা হয়নি। আহত যুবলীগ নেতাকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তিনি বাসায় ফিরে যান। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া আদিত্য নন্দীকে দেখতে গিয়ে বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) বিজয় বসাক জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

বাচ্চু-ফরিদ দ্বন্দ্বের জের

রেজাউলের প্রচারণায় যুবলীগ নেতা ছুরিকাহত

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
রেজাউলের প্রচারণায় যুবলীগ নেতা ছুরিকাহত
কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আদিত্য নন্দী। ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরীর পক্ষে গণসংযোগে অংশ নিয়ে ছুরিকাহত হয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আদিত্য নন্দী। রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন কসমোপলিটন আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু ও যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছে, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে রোববার দুপুরে ষোলশহর সামারা কনভেনশন হলে রেজাউলের সমর্থনে সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলে নাঈম। এই সভায় মঞ্চে ওঠা ও বক্তব্য দেওয়া নিয়ে নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু ও যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদের অনুসারীদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। উপস্থিত শীর্ষ নেতারা এই পরিস্থিতি সামাল দেন। সভা শেষে রেজাউলের সমর্থনে গণসংযোগের মিছিল বের হয়। এতে অংশ নিয়েছিলেন আদিত্য নন্দী। মিছিলটি কসমোপলিটন আবাসিক এলাকার মুখে গেলে ভিড়ের মধ্যে পেছন থেকে তার পায়ে ছুরিকাঘাত করা হয়। সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন, শুলকবহর ওয়ার্ড যুবলীগ কর্মী আনোয়ার এই ছুরিকাঘাত করেন। আনোয়ার শুলকবহর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি আবুল বশরের অনুসারী। আর আবুল বশর হলেন নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চুর অনুসারী। মূলত ফরিদ মাহমুদের অনুসারীদের ওপর হামলা করতে গিয়ে না চিনে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতাকেই ছুরিকাঘাত করে বসেন আনোয়ার। তবে নগর যুবলীগের পক্ষ থেকে এ হামলার জন্য কাউকে দায়ী বা চিহ্নিত করা হয়নি। আহত যুবলীগ নেতাকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তিনি বাসায় ফিরে যান। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া আদিত্য নন্দীকে দেখতে গিয়ে বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) বিজয় বসাক জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন