লেনদেন ব্যবসার পরিচালক হতে পারবেন না
jugantor
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপি
লেনদেন ব্যবসার পরিচালক হতে পারবেন না

  মিজান চৌধুরী  

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অর্থ লেনদেন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বা পরিচালক হতে পারবেন না ঋণখেলাপিরা।

এ ধরনের ব্যবসা মূলত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বাইরে ইন্টারনেট ও এজেন্ট ব্যাংকিং, ইলেকট্রনিক তহবিল স্থানান্তর, ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডসহ ফাইন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা পরিচালক হিসাবে নিযুক্ত করতে অনুমতি নিতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের।

এমন বিধান রেখে প্রস্তাবিত ‘পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্টস আইন-২০২১’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। আর এ আইন লঙ্ঘনের দায়ে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা জরিমানা, লাইসেন্স বাতিলসহ সংশ্লিষ্ট পরিচালক, প্রধান নির্বাহী ও অন্যান্য কর্মকর্তাকে ওই প্রতিষ্ঠানের পদ থেকে অপসারণ করারও বিধান রাখা হয়েছে। সম্প্রতি খসড়াটির ওপর অংশীজনদের মতামত চেয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এরপর এটি চূড়ান্ত করে আইনে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ এমকে মুজেরি যুগান্তরকে বলেন, আগেও যে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে ঋণখেলাপিদের অবস্থান ছিল না। এ ধরনের আইনও আছে।

কিন্তু এরপরও আইনের নানা ফাঁকফোকর দিয়ে ঋণখেলাপিরা ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউটের বোর্ডে ঢুকে পড়েন। আইনে ঋণখেলাপি না হলেও ঋণ সিডিউল করে সেখানে বসেন। এসব হচ্ছে আইনের খেলাধুলা।

বর্তমান পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস আইনে ঋণখেলাপিদের ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরোপ করার উদ্যোগটি ভালো। তবে এটি বাস্তবায়ন কতটুকু হবে সেটি দেখার বিষয়। কারণ ঋণখেলাপিরা এতটা প্রভাবশালী যে, আইনকে পাশ কাটিয়ে তারা কাজ করে। অতীতের অভিজ্ঞতা ভালো নয়।

বর্তমান ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনেক ধরনের লেনদেন হচ্ছে। বিশেষ করে বিকাশ, নগদ, রকেট, বিভিন্ন ব্যাংকের ই-ওয়ালেট, ইন্টারনেন্ট ব্যাংকিং, ইলেকট্রনিক মুদ্রা, ইলেট্রনিকভাবে তহবিল স্থানান্তর, চেক ইলেট্রনিকভাবে উপস্থাপন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা, ট্যাংকেটেড চেক, ট্রাস্ট কাম সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্ট, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, সরকারি সিকিউরিটিজ সেটেলমেন্ট সিস্টেম রয়েছে।

প্রতিটি পদ্ধতির মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ, অর্থ গ্রহণ ও গ্রাহকের অর্থ চাহিদা নিষ্পত্তি হচ্ছে। আর এসব পদ্ধতি ব্যবহার করছে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, এজেন্ট ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউট। তাদের কার্যক্রমের তদারকি, নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ঝুঁকি কমানো ও গ্রাহকের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য এ আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখার ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা।

খসড়া আইনে উল্লেখ করা হয়, অর্থ পরিশোধসংক্রান্ত ব্যবসা করতে হলে অবশ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে লাইসেন্স নিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লাইসেন্স ছাড়া এ ব্যবসা করা যাবে না। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে নির্ধারিত পরিমাণে, হারে ও পন্থায় এ ব্যবসার মূলধন সংরক্ষণ করতে হবে। আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া এ ব্যবসা পরিচালনাকারী পরিচালনা পর্ষদের অন্য কোনো উদ্যোক্তা পরিচালকের শেয়ার হস্তান্তর করতে পারবে না। প্রস্তাবিত ‘পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্টস আইন-২০২১’ খসড়াতে ২০৮ ধারা ও উপধারা রয়েছে।

এর কোনো একটি বিধিবিধান লঙ্ঘন করে অর্থ লেনদেন ব্যবসা পরিচালনা করলে সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর বিধিনিষেধ আরোপসহ সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত ও প্রত্যাহার করা হতে পারে।

যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লাইসেন্স না নিয়ে বা কোনো বিধি লঙ্ঘনের দায়ে লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পর এ ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করেন সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ এবং সর্বনিু ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। এরপরও একই কার্যক্রম অব্যাহত রাখলে প্রতিদিনের জন্য ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।

এছাড়া নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় বাধা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে অসহযোগিতা করা, কোম্পানির হিসাব, বহি বা নথিপত্র নষ্ট, ধ্বংস, পরিবর্তন, গোপন বা ভুলভাবে উপস্থাপন এবং অসাধু উদ্দেশ্যে পরিশোধের ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেন এজন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে ১ লাখ টাকা থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

খসড়ায় উল্লেখ করা হয়, গ্রাহক বা জনস্বার্থবিরোধী কোনো কার্যক্রমে লিপ্ত হলে এ সংক্রান্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অবসায়ন করতে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে তৃতীয় কোনো পক্ষের আবেদনে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন হবে না। আর আদালত থেকে অবসায়ন কার্যক্রম জারি করা হলে ওই প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের সঙ্গে কোনো লেনদেন করতে পারবে না।

গ্রাহকের দায়-দেনা প্রশাসকের ওপর বর্তাবে। তবে অবসায়নকালে গ্রাহককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এছাড়া লেনদেন ব্যবস্থা কার্যক্রম ও ঝুঁকি কমাতে এ সংক্রান্ত কাজের আধুনিকায়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতিমালা প্রণয়ন করবে।

ওই নীতিমালায় গ্রাহকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নির্দেশনা থাকবে। আর এ ব্যবসার মানদণ্ড, পদ্ধতি ও বিধান প্রয়োগের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভূমিকা এবং নীতিগত সহায়তা করবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে তারল্য সরবরাহ ও প্রতিষ্ঠানের মূলধন সংরক্ষণ করবে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপি

লেনদেন ব্যবসার পরিচালক হতে পারবেন না

 মিজান চৌধুরী 
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অর্থ লেনদেন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বা পরিচালক হতে পারবেন না ঋণখেলাপিরা।

এ ধরনের ব্যবসা মূলত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বাইরে ইন্টারনেট ও এজেন্ট ব্যাংকিং, ইলেকট্রনিক তহবিল স্থানান্তর, ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডসহ ফাইন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা পরিচালক হিসাবে নিযুক্ত করতে অনুমতি নিতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের।

এমন বিধান রেখে প্রস্তাবিত ‘পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্টস আইন-২০২১’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। আর এ আইন লঙ্ঘনের দায়ে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা জরিমানা, লাইসেন্স বাতিলসহ সংশ্লিষ্ট পরিচালক, প্রধান নির্বাহী ও অন্যান্য কর্মকর্তাকে ওই প্রতিষ্ঠানের পদ থেকে অপসারণ করারও বিধান রাখা হয়েছে। সম্প্রতি খসড়াটির ওপর অংশীজনদের মতামত চেয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এরপর এটি চূড়ান্ত করে আইনে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ এমকে মুজেরি যুগান্তরকে বলেন, আগেও যে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে ঋণখেলাপিদের অবস্থান ছিল না। এ ধরনের আইনও আছে।

কিন্তু এরপরও আইনের নানা ফাঁকফোকর দিয়ে ঋণখেলাপিরা ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউটের বোর্ডে ঢুকে পড়েন। আইনে ঋণখেলাপি না হলেও ঋণ সিডিউল করে সেখানে বসেন। এসব হচ্ছে আইনের খেলাধুলা।

বর্তমান পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস আইনে ঋণখেলাপিদের ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরোপ করার উদ্যোগটি ভালো। তবে এটি বাস্তবায়ন কতটুকু হবে সেটি দেখার বিষয়। কারণ ঋণখেলাপিরা এতটা প্রভাবশালী যে, আইনকে পাশ কাটিয়ে তারা কাজ করে। অতীতের অভিজ্ঞতা ভালো নয়।

বর্তমান ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনেক ধরনের লেনদেন হচ্ছে। বিশেষ করে বিকাশ, নগদ, রকেট, বিভিন্ন ব্যাংকের ই-ওয়ালেট, ইন্টারনেন্ট ব্যাংকিং, ইলেকট্রনিক মুদ্রা, ইলেট্রনিকভাবে তহবিল স্থানান্তর, চেক ইলেট্রনিকভাবে উপস্থাপন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা, ট্যাংকেটেড চেক, ট্রাস্ট কাম সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্ট, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, সরকারি সিকিউরিটিজ সেটেলমেন্ট সিস্টেম রয়েছে।

প্রতিটি পদ্ধতির মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ, অর্থ গ্রহণ ও গ্রাহকের অর্থ চাহিদা নিষ্পত্তি হচ্ছে। আর এসব পদ্ধতি ব্যবহার করছে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, এজেন্ট ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউট। তাদের কার্যক্রমের তদারকি, নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ঝুঁকি কমানো ও গ্রাহকের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য এ আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখার ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা।

খসড়া আইনে উল্লেখ করা হয়, অর্থ পরিশোধসংক্রান্ত ব্যবসা করতে হলে অবশ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে লাইসেন্স নিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লাইসেন্স ছাড়া এ ব্যবসা করা যাবে না। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে নির্ধারিত পরিমাণে, হারে ও পন্থায় এ ব্যবসার মূলধন সংরক্ষণ করতে হবে। আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া এ ব্যবসা পরিচালনাকারী পরিচালনা পর্ষদের অন্য কোনো উদ্যোক্তা পরিচালকের শেয়ার হস্তান্তর করতে পারবে না। প্রস্তাবিত ‘পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্টস আইন-২০২১’ খসড়াতে ২০৮ ধারা ও উপধারা রয়েছে।

এর কোনো একটি বিধিবিধান লঙ্ঘন করে অর্থ লেনদেন ব্যবসা পরিচালনা করলে সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর বিধিনিষেধ আরোপসহ সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত ও প্রত্যাহার করা হতে পারে।

যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লাইসেন্স না নিয়ে বা কোনো বিধি লঙ্ঘনের দায়ে লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পর এ ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করেন সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ এবং সর্বনিু ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। এরপরও একই কার্যক্রম অব্যাহত রাখলে প্রতিদিনের জন্য ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।

এছাড়া নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় বাধা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে অসহযোগিতা করা, কোম্পানির হিসাব, বহি বা নথিপত্র নষ্ট, ধ্বংস, পরিবর্তন, গোপন বা ভুলভাবে উপস্থাপন এবং অসাধু উদ্দেশ্যে পরিশোধের ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেন এজন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে ১ লাখ টাকা থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

খসড়ায় উল্লেখ করা হয়, গ্রাহক বা জনস্বার্থবিরোধী কোনো কার্যক্রমে লিপ্ত হলে এ সংক্রান্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অবসায়ন করতে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে তৃতীয় কোনো পক্ষের আবেদনে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন হবে না। আর আদালত থেকে অবসায়ন কার্যক্রম জারি করা হলে ওই প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের সঙ্গে কোনো লেনদেন করতে পারবে না।

গ্রাহকের দায়-দেনা প্রশাসকের ওপর বর্তাবে। তবে অবসায়নকালে গ্রাহককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এছাড়া লেনদেন ব্যবস্থা কার্যক্রম ও ঝুঁকি কমাতে এ সংক্রান্ত কাজের আধুনিকায়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতিমালা প্রণয়ন করবে।

ওই নীতিমালায় গ্রাহকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নির্দেশনা থাকবে। আর এ ব্যবসার মানদণ্ড, পদ্ধতি ও বিধান প্রয়োগের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভূমিকা এবং নীতিগত সহায়তা করবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে তারল্য সরবরাহ ও প্রতিষ্ঠানের মূলধন সংরক্ষণ করবে।