ঋণ পরিশোধের সময় ছয় মাস বাড়ল
jugantor
শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন
ঋণ পরিশোধের সময় ছয় মাস বাড়ল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য সরকার গঠিত আট হাজার কোটি টাকা তহবিলের ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। আগামী মার্চ থেকে ঋণগ্রহীতারা আরও ছয় মাস ‘গ্রেস পিরিয়ড’ পাবেন। এরপর সমান ১৮টি কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি পরিপত্র জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর আলোকে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রপ্তানিকারকদের দাবির মুখে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানালে এর আলোকে বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই পরিপত্র জারি করে।

সূত্র জানায়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরুতে রপ্তানিমুখী শিল্পে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য গত বছরের ২৫ মার্চ প্রধানমন্ত্রী পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের ঘোষণা দেন। ২ এপ্রিল পরিপত্রের মাধ্যমে একটি নীতিমালা জারি করা হয়। এতে সচল রপ্তানিমুখী শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের এপ্রিল থেকে জুলাই মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য প্রথমে পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করা হয়। পরে এর আকার আরও তিন হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে আট হাজার কোটি টাকা করা হয়।

ইতোমধ্যে সমুদয় ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এ ঋণ বিতরণের পর থেকে ছয় মাসের গ্রেড পিরিয়ড পাবেন উদ্যোক্তারা। এরপর থেকে সমান ১৮টি কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ করার শর্ত ছিল। এ হিসাবে এ তহিলের প্রথম কিস্তি পরিশোধের কথা ছিল গত জানুয়ারির মধ্যে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের সময় দু’বছর থেকে আরও তিন বছর বাড়িয়ে পাঁচ বছর করার দাবি ওঠে। এরপরই ঋণ পরিশোধের সীমা বাড়ানো হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়, ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে গ্রহীতারা চলতি বছরের মার্চ থেকে আরও ছয় মাস সময় পাবেন। এই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সমান ১৮টি কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এক্ষেত্রে ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বাড়ানো হলো ছয় মাস।

উল্লেখ্য, রপ্তানি বাণিজ্যের ওপর করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলার জন্য গত ২৫ মার্চ জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনা তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এর আলোকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট বরাদ্দ থেকে পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করা হয়েছে। এর বিপরীতে গ্রাহকের কাছ থেকে ব্যাংকগুলো ২ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ আদায় করবে। এ ছাড়া অন্য কোনো চার্জ আদায় করা যাবে না।

শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন

ঋণ পরিশোধের সময় ছয় মাস বাড়ল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য সরকার গঠিত আট হাজার কোটি টাকা তহবিলের ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। আগামী মার্চ থেকে ঋণগ্রহীতারা আরও ছয় মাস ‘গ্রেস পিরিয়ড’ পাবেন। এরপর সমান ১৮টি কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি পরিপত্র জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর আলোকে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রপ্তানিকারকদের দাবির মুখে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানালে এর আলোকে বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই পরিপত্র জারি করে।

সূত্র জানায়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরুতে রপ্তানিমুখী শিল্পে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য গত বছরের ২৫ মার্চ প্রধানমন্ত্রী পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের ঘোষণা দেন। ২ এপ্রিল পরিপত্রের মাধ্যমে একটি নীতিমালা জারি করা হয়। এতে সচল রপ্তানিমুখী শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের এপ্রিল থেকে জুলাই মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য প্রথমে পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করা হয়। পরে এর আকার আরও তিন হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে আট হাজার কোটি টাকা করা হয়।

ইতোমধ্যে সমুদয় ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এ ঋণ বিতরণের পর থেকে ছয় মাসের গ্রেড পিরিয়ড পাবেন উদ্যোক্তারা। এরপর থেকে সমান ১৮টি কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ করার শর্ত ছিল। এ হিসাবে এ তহিলের প্রথম কিস্তি পরিশোধের কথা ছিল গত জানুয়ারির মধ্যে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের সময় দু’বছর থেকে আরও তিন বছর বাড়িয়ে পাঁচ বছর করার দাবি ওঠে। এরপরই ঋণ পরিশোধের সীমা বাড়ানো হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়, ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে গ্রহীতারা চলতি বছরের মার্চ থেকে আরও ছয় মাস সময় পাবেন। এই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সমান ১৮টি কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এক্ষেত্রে ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বাড়ানো হলো ছয় মাস।

উল্লেখ্য, রপ্তানি বাণিজ্যের ওপর করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলার জন্য গত ২৫ মার্চ জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনা তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এর আলোকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট বরাদ্দ থেকে পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করা হয়েছে। এর বিপরীতে গ্রাহকের কাছ থেকে ব্যাংকগুলো ২ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ আদায় করবে। এ ছাড়া অন্য কোনো চার্জ আদায় করা যাবে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন