সোহরাওয়ার্দীতে ৩০ মার্চ মহাসমাবেশের ঘোষণা বিএনপির
jugantor
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী
সোহরাওয়ার্দীতে ৩০ মার্চ মহাসমাবেশের ঘোষণা বিএনপির

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে আগামী ৩০ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশসহ মার্চ মাসে ১৯ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে দলের স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। শুরুতে সদ্যপ্রয়াত সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালিদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তাদের আ ত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ড. খন্দকার মোশাররফ। সংবাদ সম্মেলনে স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম ছাড়াও চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, তথ্য গবেষণা সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন নসু এবং চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।

ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপি ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে আমরা এ দেশের দলমত নির্বিশেষ সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি তারা যেন অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং গুরুত্বের সঙ্গে যার যার অবস্থান থেকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করেন। কারণ এই স্বাধীনতা এ দেশের জনগণের প্রস্ফুটিত স্বাধীনতা, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা, এ দেশের জনগণের জন্য জনগণের স্বার্থে এই স্বাধীনতা।

তাই আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী সবাই উদযাপন করতে চাই। আমাদের এসব অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং সুষ্ঠুভাবে যাতে করতে পারি তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চাইব। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তির এই যে আমাদের আবেগ, আমাদের যে উচ্ছ্বাস, যাতে করে নির্বিগ্নে সুন্দরভাবে পালন করতে পারি তার জন্য সরকারের কাছ থেকে সর্বা ত্মক সহযোগিতা চাই। এক প্রশ্নের জবাবে দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তির দাবি জানান খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে বিএনপি সারা বছরের কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে। বুধবার মার্চ মাসের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতি মাসের শেষে পরবর্তী মাসের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। মার্চ মাসের ঘোষিত কর্মসূচিগুলো হচ্ছে, ১ মার্চ সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচির উদ্বোধন, ২ মার্চ ছাত্র সমাজের স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন শীর্ষক আলোচনা সভা, ৩ মার্চ ছাত্র সমাজের স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ শীর্ষক আলোচনা সভা, ৭ মার্চ আলোচনা সভা, ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবস পালন, ৯ মার্চ সেমিনার, ১০ মার্চ রচনা প্রতিযোগিতা, ১৩ মার্চ বছরব্যাপী রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন।

এছাড়া ১৫ মার্চ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ২০ মার্চ আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতাবিষয়ক সেমিনার, ২২ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধ, জেড ফোর্স এবং বীরউত্তম জিয়াউর রহমান শীর্ষক সেমিনার, ২৩ মার্চ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য মেলা, ২৪ মার্চ নির্বাচিত বিএনপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল শীর্ষক সেমিনার, ২৫ মার্চ কালরাত্রি শীর্ষক আলোচনা সভা, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শেরেবাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ, রক্তদান কর্মসূচি, সারা দেশে র‌্যালি। কর্মসূচির মধ্যে আরও রয়েছে, ২৭ মার্চ চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে গমন ও বগুড়ায় বাগবাড়ী গমন এবং দুই জায়গায় আলোচনা সভা, ২৮ মার্চ মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, ৩০ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুবর্ণজয়ন্তী মহাসমাবেশ এবং ৩১ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের বইমেলা ও চিত্রাঙ্কন প্রদর্শনীর উদ্বোধন।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

সোহরাওয়ার্দীতে ৩০ মার্চ মহাসমাবেশের ঘোষণা বিএনপির

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে আগামী ৩০ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশসহ মার্চ মাসে ১৯ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে দলের স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। শুরুতে সদ্যপ্রয়াত সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালিদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তাদের আ ত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ড. খন্দকার মোশাররফ। সংবাদ সম্মেলনে স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম ছাড়াও চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, তথ্য গবেষণা সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন নসু এবং চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।

ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপি ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে আমরা এ দেশের দলমত নির্বিশেষ সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি তারা যেন অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং গুরুত্বের সঙ্গে যার যার অবস্থান থেকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করেন। কারণ এই স্বাধীনতা এ দেশের জনগণের প্রস্ফুটিত স্বাধীনতা, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা, এ দেশের জনগণের জন্য জনগণের স্বার্থে এই স্বাধীনতা।

তাই আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী সবাই উদযাপন করতে চাই। আমাদের এসব অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং সুষ্ঠুভাবে যাতে করতে পারি তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চাইব। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তির এই যে আমাদের আবেগ, আমাদের যে উচ্ছ্বাস, যাতে করে নির্বিগ্নে সুন্দরভাবে পালন করতে পারি তার জন্য সরকারের কাছ থেকে সর্বা ত্মক সহযোগিতা চাই। এক প্রশ্নের জবাবে দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তির দাবি জানান খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে বিএনপি সারা বছরের কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে। বুধবার মার্চ মাসের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতি মাসের শেষে পরবর্তী মাসের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। মার্চ মাসের ঘোষিত কর্মসূচিগুলো হচ্ছে, ১ মার্চ সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচির উদ্বোধন, ২ মার্চ ছাত্র সমাজের স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন শীর্ষক আলোচনা সভা, ৩ মার্চ ছাত্র সমাজের স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ শীর্ষক আলোচনা সভা, ৭ মার্চ আলোচনা সভা, ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবস পালন, ৯ মার্চ সেমিনার, ১০ মার্চ রচনা প্রতিযোগিতা, ১৩ মার্চ বছরব্যাপী রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন।

এছাড়া ১৫ মার্চ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ২০ মার্চ আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতাবিষয়ক সেমিনার, ২২ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধ, জেড ফোর্স এবং বীরউত্তম জিয়াউর রহমান শীর্ষক সেমিনার, ২৩ মার্চ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য মেলা, ২৪ মার্চ নির্বাচিত বিএনপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল শীর্ষক সেমিনার, ২৫ মার্চ কালরাত্রি শীর্ষক আলোচনা সভা, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শেরেবাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ, রক্তদান কর্মসূচি, সারা দেশে র‌্যালি। কর্মসূচির মধ্যে আরও রয়েছে, ২৭ মার্চ চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে গমন ও বগুড়ায় বাগবাড়ী গমন এবং দুই জায়গায় আলোচনা সভা, ২৮ মার্চ মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, ৩০ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুবর্ণজয়ন্তী মহাসমাবেশ এবং ৩১ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের বইমেলা ও চিত্রাঙ্কন প্রদর্শনীর উদ্বোধন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন