ব্যয় ৫০০ কোটি টাকা, বাস্তব অগ্রগতি শূন্য
jugantor
১৭ উন্নয়ন প্রকল্প
ব্যয় ৫০০ কোটি টাকা, বাস্তব অগ্রগতি শূন্য
আইএমইডির প্রতিবেদন: ৪৮৫ প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি সন্তোষজনক নয় * আরও অনুসন্ধান করে দেখা হবে -আইএমইডি সচিব

  হামিদ-উজ-জামান  

০৫ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সরকারের ১৭টি উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। কিন্তু সেগুলোর বাস্তব অগ্রগতি ছিল শূন্য।

কোভিড-১৯-এর কারণে গত বছরের ২৬ মার্চ থেকে সারা দেশে সাধারণ ছুটির আওতায় থাকায় প্রকল্পগুলোর কাজ সাময়িক বন্ধ ছিল। ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) ২০১৯-২০ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, সার্বিকভাবে ওই অর্থবছরের এডিপিভুক্ত ৪৮৫টি প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইএমইডি সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী বুধবার যুগান্তরকে বলেন, অনুসন্ধানের মাধ্যমে এসব প্রকল্প মূল্যায়ন করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত অবস্থা বিবেচনা করা হয়। তখন পর্যন্ত বাস্তব অগ্রগতি শূন্যই ছিল। পরে যদি অগ্রগতি হয়ে থাকে সেটি ভিন্ন বিষয়। এসব প্রকল্প সেক্টরভিত্তিক পর্যালোচনা করে দেখা হবে কেন বাস্তব অগ্রগতি হয়নি।

এক্ষেত্রে আরও অনুসন্ধানের প্রয়োজন রয়েছে। আমরা আরও অনুসন্ধান করে দেখব। তবে ইতোমধ্যে দুর্বল

প্রকল্প খুঁজে বের করে আইএমইডির পক্ষ থেকে ‘ওয়ান টু ওয়ান’ বৈঠক করা শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে ডিও লেটার দিচ্ছেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছর শুরু হয়েছিল জুলাই থেকে, আর করোনার মহামারির কারণে মার্চ থেকে আমাদের দেশে সব বন্ধ ছিল।

সুতরাং অর্থবছরের নয় মাসে এসব প্রকল্পে কেন বাস্তব অগ্রগতি হয়নি তা বোধগম্য নয়। সাধারণত শুষ্ক মৌসুমে প্রকল্পের কাজ হয়, শেষ তিন মাসে বিল পেমেন্ট হয়। করোনার কারণে তো বিল পেমেন্ট বাধাগ্রস্ত হওয়ার কথা নয়। এক্ষেত্রে করোনার দোহাই দেওয়াটা যৌক্তিক মনে হয় না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত।

আইএমইডির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের পাঁচটি প্রকল্পে অর্থ ব্যয় হলেও বাস্তব অগ্রগতি শূন্য। এগুলো হলো : ‘২৩ জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন’ প্রকল্পে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ২৪০ কোটি টাকা।

এর মধ্যে ব্যয় হয়েছে ১৭৮ কোটি ১২ লাখ টাকা। কিন্তু বাস্তব অগ্রগতি শূন্য। এ ছাড়া ‘চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও রংপুর বিভাগে চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন’ প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দ ছিল ৮২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ব্যয় হয়েছে ৪৮ কোটি ১০ লাখ টাকা।

কিন্তু বাস্তব অগ্রগতি শূন্যই রয়েছে। ‘ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট অব ৬৪ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ আন্ডার ডিপার্টমেন্ট অব টেকনিক্যাল এডুকেশন’ শীর্ষক প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল আট কোটি ৯০ লাখ টাকা, ব্যয় হয়েছে এক কোটি ১৯ লাখ টাকা। বাস্তব অগ্রগতি শূন্য। ‘ডেভেলপমেন্ট অব ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফর ক্রিয়েটিং ফ্যাসিলিটিজ ইন এগজিস্টিং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডিশনাল স্টুডেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ শীর্ষক প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল নয় কোটি টাকা, ব্যয় হয়েছে এক কোটি ১৬ লাখ টাকা।

‘সিলেট, বরিশাল, রংপুর এবং ময়মনসিংহ বিভাগের চারটি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন’ প্রকল্পের অনুকূল বরাদ্দ ছিল ৫৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা, ব্যয় হয়েছে ২২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। কিন্তু বাস্তব অগ্রগতি শূন্য।

জানতে চাইলে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) অজিত কুমার ঘোষ যুগান্তরকে বলেন, এটা আইএমইডির তালিকার ভুল হতে পারে।

কেননা, এসব প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ, পরামর্শক নিয়োগসহ আনুষঙ্গিক অনেক কাজই প্রায় শেষ। তাহলে শূন্য অগ্রগতি হবে কেন? তবে যেহেতু প্রকল্পগুলোর ভৌত কাজ এখনো শুরু হয়নি, তাই হয়তো তারা বলেছে বাস্তব অগ্রগতি শূন্য। কিন্তু শত শত কোটি টাকা ব্যয় করে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে বা হচ্ছে এসব কাজকে অগ্রগতি বলা উচিত।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরের এডিপিতে মোট ১৯০৮টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন ছিল। এর মধ্যে ২৪৬টি প্রকল্পের আর্থিক এবং ৬১৪টি প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ছিল প্রশংসনীয়।

এ ছাড়া ৪৯৬টি প্রকল্পের আর্থিক এবং ৩৩০টি প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ছিল সন্তোষজনক। ৫৮৪টি প্রকল্পের আর্থিক এবং ৪৮৫টি প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়।

আইএমইডির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘রিপ্লেসমেন্ট অব আশুগঞ্জ ওল্ড ১৩২ কেভি এআইএস সাবস্টেশন বাই নিউ ১৩২ কেভি জিআইএস সাবস্টেশন প্রজেক্ট’-এর অনুকূলে বরাদ্দ ছিল ১৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, ব্যয় হয়েছে ১৭ কোটি টাকা। কিন্তু বাস্তব অগ্রগতি শূন্য।

এ ছাড়া ‘আরবান রিজিলিয়েন্স প্রজেক্ট (ডিএনসিসি পার্ট)’ শীর্ষক প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ২৯৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা, ব্যয় হয়েছে ১৫৭ কোটি ৯১ লাখ টাকা। অগ্রগতি শূন্য এবং জেনারেশন ব্রেকথ্রু প্রজেক্ট (ফেজ-২)-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে।

১৭ উন্নয়ন প্রকল্প

ব্যয় ৫০০ কোটি টাকা, বাস্তব অগ্রগতি শূন্য

আইএমইডির প্রতিবেদন: ৪৮৫ প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি সন্তোষজনক নয় * আরও অনুসন্ধান করে দেখা হবে -আইএমইডি সচিব
 হামিদ-উজ-জামান 
০৫ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সরকারের ১৭টি উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। কিন্তু সেগুলোর বাস্তব অগ্রগতি ছিল শূন্য।

কোভিড-১৯-এর কারণে গত বছরের ২৬ মার্চ থেকে সারা দেশে সাধারণ ছুটির আওতায় থাকায় প্রকল্পগুলোর কাজ সাময়িক বন্ধ ছিল। ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) ২০১৯-২০ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, সার্বিকভাবে ওই অর্থবছরের এডিপিভুক্ত ৪৮৫টি প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইএমইডি সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী বুধবার যুগান্তরকে বলেন, অনুসন্ধানের মাধ্যমে এসব প্রকল্প মূল্যায়ন করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত অবস্থা বিবেচনা করা হয়। তখন পর্যন্ত বাস্তব অগ্রগতি শূন্যই ছিল। পরে যদি অগ্রগতি হয়ে থাকে সেটি ভিন্ন বিষয়। এসব প্রকল্প সেক্টরভিত্তিক পর্যালোচনা করে দেখা হবে কেন বাস্তব অগ্রগতি হয়নি।

এক্ষেত্রে আরও অনুসন্ধানের প্রয়োজন রয়েছে। আমরা আরও অনুসন্ধান করে দেখব। তবে ইতোমধ্যে দুর্বল

প্রকল্প খুঁজে বের করে আইএমইডির পক্ষ থেকে ‘ওয়ান টু ওয়ান’ বৈঠক করা শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে ডিও লেটার দিচ্ছেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছর শুরু হয়েছিল জুলাই থেকে, আর করোনার মহামারির কারণে মার্চ থেকে আমাদের দেশে সব বন্ধ ছিল।

সুতরাং অর্থবছরের নয় মাসে এসব প্রকল্পে কেন বাস্তব অগ্রগতি হয়নি তা বোধগম্য নয়। সাধারণত শুষ্ক মৌসুমে প্রকল্পের কাজ হয়, শেষ তিন মাসে বিল পেমেন্ট হয়। করোনার কারণে তো বিল পেমেন্ট বাধাগ্রস্ত হওয়ার কথা নয়। এক্ষেত্রে করোনার দোহাই দেওয়াটা যৌক্তিক মনে হয় না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত।

আইএমইডির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের পাঁচটি প্রকল্পে অর্থ ব্যয় হলেও বাস্তব অগ্রগতি শূন্য। এগুলো হলো : ‘২৩ জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন’ প্রকল্পে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ২৪০ কোটি টাকা।

এর মধ্যে ব্যয় হয়েছে ১৭৮ কোটি ১২ লাখ টাকা। কিন্তু বাস্তব অগ্রগতি শূন্য। এ ছাড়া ‘চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও রংপুর বিভাগে চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন’ প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দ ছিল ৮২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ব্যয় হয়েছে ৪৮ কোটি ১০ লাখ টাকা।

কিন্তু বাস্তব অগ্রগতি শূন্যই রয়েছে। ‘ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট অব ৬৪ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ আন্ডার ডিপার্টমেন্ট অব টেকনিক্যাল এডুকেশন’ শীর্ষক প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল আট কোটি ৯০ লাখ টাকা, ব্যয় হয়েছে এক কোটি ১৯ লাখ টাকা। বাস্তব অগ্রগতি শূন্য। ‘ডেভেলপমেন্ট অব ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফর ক্রিয়েটিং ফ্যাসিলিটিজ ইন এগজিস্টিং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডিশনাল স্টুডেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ শীর্ষক প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল নয় কোটি টাকা, ব্যয় হয়েছে এক কোটি ১৬ লাখ টাকা।

‘সিলেট, বরিশাল, রংপুর এবং ময়মনসিংহ বিভাগের চারটি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন’ প্রকল্পের অনুকূল বরাদ্দ ছিল ৫৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা, ব্যয় হয়েছে ২২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। কিন্তু বাস্তব অগ্রগতি শূন্য।

জানতে চাইলে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) অজিত কুমার ঘোষ যুগান্তরকে বলেন, এটা আইএমইডির তালিকার ভুল হতে পারে।

কেননা, এসব প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ, পরামর্শক নিয়োগসহ আনুষঙ্গিক অনেক কাজই প্রায় শেষ। তাহলে শূন্য অগ্রগতি হবে কেন? তবে যেহেতু প্রকল্পগুলোর ভৌত কাজ এখনো শুরু হয়নি, তাই হয়তো তারা বলেছে বাস্তব অগ্রগতি শূন্য। কিন্তু শত শত কোটি টাকা ব্যয় করে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে বা হচ্ছে এসব কাজকে অগ্রগতি বলা উচিত।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরের এডিপিতে মোট ১৯০৮টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন ছিল। এর মধ্যে ২৪৬টি প্রকল্পের আর্থিক এবং ৬১৪টি প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ছিল প্রশংসনীয়।

এ ছাড়া ৪৯৬টি প্রকল্পের আর্থিক এবং ৩৩০টি প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ছিল সন্তোষজনক। ৫৮৪টি প্রকল্পের আর্থিক এবং ৪৮৫টি প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়।

আইএমইডির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘রিপ্লেসমেন্ট অব আশুগঞ্জ ওল্ড ১৩২ কেভি এআইএস সাবস্টেশন বাই নিউ ১৩২ কেভি জিআইএস সাবস্টেশন প্রজেক্ট’-এর অনুকূলে বরাদ্দ ছিল ১৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, ব্যয় হয়েছে ১৭ কোটি টাকা। কিন্তু বাস্তব অগ্রগতি শূন্য।

এ ছাড়া ‘আরবান রিজিলিয়েন্স প্রজেক্ট (ডিএনসিসি পার্ট)’ শীর্ষক প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ২৯৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা, ব্যয় হয়েছে ১৫৭ কোটি ৯১ লাখ টাকা। অগ্রগতি শূন্য এবং জেনারেশন ব্রেকথ্রু প্রজেক্ট (ফেজ-২)-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন