বিভিন্ন দেশের নজির পর্যালোচনা করছে কমিটি
jugantor
রিজার্ভের অর্থ ব্যবহার
বিভিন্ন দেশের নজির পর্যালোচনা করছে কমিটি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অর্থ বহুমুখী ব্যবহারে সমীক্ষার শুরুতে বিভিন্ন দেশের রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গঠিত কমিটি। কোন দেশ কীভাবে রিজার্ভের অর্থ বিনিয়োগ ও ব্যবহার করছে, সে সম্পর্কে প্রণীত নীতিমালার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। এসব তথ্য পর্যালোচনা করে দেশের প্রেক্ষাপটে চাহিদা ও প্রয়োজন বিবেচনায় একটি প্রতিবেদন তৈরি করে পর্ষদে উপস্থাপন করবে কমিটি।

ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে সমীক্ষা করতে উচ্চপর্যায়ের ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদের সিদ্ধান্তের আলোকে ওই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ইতোমধ্যে কয়েক দফা বৈঠক করে রিজার্ভের অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে বর্তমান কাঠামো পর্যালোচনা করেছে।

সূত্র জানায়, কমিটি রিজার্ভের অর্থ সরকারি খাতের উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করতে কাজ করছে। যেসব প্রকল্পে রিজার্ভ থেকে ঋণ দেওয়া হবে, সে প্রকল্পের বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ থাকতে হবে। বৈদেশিক মুদ্রা আয় না থাকলে ওই প্রকল্পে রিজার্ভ থেকে অর্থায়ন করা যাবে না। অর্থায়নের বিপরীতে সরকারের শতভাগ গ্যারান্টি থাকতে হবে। কোনো কারণে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ ঋণ শোধ করতে ব্যর্থ হলে পরিশোধ করতে হবে সরকারকে। রিজার্ভের ঋণ কোনোভাবেই খেলাপি করা যাবে না। কমিটি মনে করে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে কোনোক্রমেই ঝুঁকিতে ফেলা যাবে না। বিনিয়োগ হতে হবে শতভাগ নিরাপদ। কেননা দেশের জরুরি প্রয়োজনে কোনো পণ্য আমদানি বা দেনা শোধ করতে হলে এ রিজার্ভ দিয়েই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। যে কারণে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) নীতিমালা অনুযায়ী একটি দেশের তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ থাকলে একে ঝুঁকিমুক্ত ধরা হয়।

কমিটি এ নীতিমালার আলোকে রিজার্ভের বৃদ্ধি ও কমার গতির রেকর্ডও পর্যবেক্ষণ করবে। করোনার কারণে এখন আমদানি ব্যয় কম হওয়ার কারণে রিজার্ভ বাড়ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই আমদানি বেড়ে যাবে। তখন রিজার্ভের ওপরও চাপ বাড়বে। এসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক (ইডি) মো. হুমায়ুন কবিরকে প্রধান করে ওই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও ঝুঁকি নিরূপণ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন।

সম্প্রতিক সময়ে রিজার্ভ থেকে বেসরকারি খাতে বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণ দেওয়ার বিষয়টির পক্ষে-বিপক্ষে বেশ আলোচনা হচ্ছে। রিজার্ভ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণ চেয়ে কয়েকটি আবেদনও কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আলোচনায় আছে সরকারি খাতের বড় প্রকল্পে রিজার্ভ থেকে ঋণ দেওয়ার বিষয়টিও।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রিজার্ভ থেকে সরাসরি ঋণ না দিয়ে সরকারি খাতের উন্নয়ন প্রকল্পে বিকল্পভাবে অর্থায়ন করা যায় কি না, সেটা ভেবে দেখতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন তহবিল গঠন করে, এলসির দেনা শোধে ব্যাংকগুলোকে বৈদেশিক মুদ্রার জোগান দিয়ে ঋণের চাহিদা মেটাতে পারে। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সম্পর্কে বাড়বে। তদারকিও জোরদার হবে। আর সরাসরি ঋণ দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে গ্রাহকদের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপতি হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো গ্রাহকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে না। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে যোগাযোগ করতে হয়। এ রীতি ভঙ্গ করা ঠিক হবে না।

তিনি আরও বলেন, রিজার্ভ থেকে সরাসরি ঋণ দিলে ঝুঁকি বাড়বে। এক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়ানোটা কোনোক্রমেই ঠিক হবে না।

সূত্র জানায়, রিজার্ভ থেকে সরকারি-বেসরকারি কোনো ধরনের প্রকল্পে সরাসরি বাণিজ্যিক ঋণ দেওয়ার এখন পর্যন্ত কোনো নজির পাওয়া যায়নি। তবে ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বা সরকারের গ্যারান্টিতে রিজার্ভের অর্থ থেকে বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে বন্ড আকারে বাজারে ছাড়ে। সেগুলোর সুদের হার বেশ কম।

আরও জানা গেছে, ২০১৮ সালে ভারত সরকার তীব্র অর্থ সংকটের মধ্যে সেদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মতামত উপক্ষো করে সরকারি কর্মচারীদের ব্যয় মেটাতে রিজার্ভ থেকে অর্থ ধার করেছিল।

গত বছরের শুরুতে যখন করোনার কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছিল, তখন যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ব্যাংক অব ইংল্যান্ড’ সরকারকে রিজার্ভ থেকে অর্থ ধার দিয়ে বাজারে টাকার প্রবাহ বাড়াতে সহায়তা করেছিল। একই পদক্ষেপ নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে ও জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

২০০৯ সালে আমেরিকায় অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিলে সেই সময়ের ওবামা সরকার সেদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেমস থেকে অর্থ নিয়ে ব্যাংকগুলোকে জোগান দিয়েছিল, তারল্য পরিস্থিতি বাড়িয়ে সামাল দিয়েছিল আর্থিক দুরবস্থা। তেমনি করোনার শুরুতে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকও নিজস্ব উৎস থেকে অর্থের জোগান দিয়ে ব্যাংকগুলোয় তারল্যপ্রবাহ বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে রিজার্ভ থেকে অর্থ দিয়ে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের আকার বাড়িয়েছে, গঠন করেছে ইউরো তহবিল।

রিজার্ভের অর্থ ব্যবহার

বিভিন্ন দেশের নজির পর্যালোচনা করছে কমিটি

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অর্থ বহুমুখী ব্যবহারে সমীক্ষার শুরুতে বিভিন্ন দেশের রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গঠিত কমিটি। কোন দেশ কীভাবে রিজার্ভের অর্থ বিনিয়োগ ও ব্যবহার করছে, সে সম্পর্কে প্রণীত নীতিমালার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। এসব তথ্য পর্যালোচনা করে দেশের প্রেক্ষাপটে চাহিদা ও প্রয়োজন বিবেচনায় একটি প্রতিবেদন তৈরি করে পর্ষদে উপস্থাপন করবে কমিটি।

ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে সমীক্ষা করতে উচ্চপর্যায়ের ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদের সিদ্ধান্তের আলোকে ওই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ইতোমধ্যে কয়েক দফা বৈঠক করে রিজার্ভের অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে বর্তমান কাঠামো পর্যালোচনা করেছে।

সূত্র জানায়, কমিটি রিজার্ভের অর্থ সরকারি খাতের উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করতে কাজ করছে। যেসব প্রকল্পে রিজার্ভ থেকে ঋণ দেওয়া হবে, সে প্রকল্পের বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ থাকতে হবে। বৈদেশিক মুদ্রা আয় না থাকলে ওই প্রকল্পে রিজার্ভ থেকে অর্থায়ন করা যাবে না। অর্থায়নের বিপরীতে সরকারের শতভাগ গ্যারান্টি থাকতে হবে। কোনো কারণে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ ঋণ শোধ করতে ব্যর্থ হলে পরিশোধ করতে হবে সরকারকে। রিজার্ভের ঋণ কোনোভাবেই খেলাপি করা যাবে না। কমিটি মনে করে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে কোনোক্রমেই ঝুঁকিতে ফেলা যাবে না। বিনিয়োগ হতে হবে শতভাগ নিরাপদ। কেননা দেশের জরুরি প্রয়োজনে কোনো পণ্য আমদানি বা দেনা শোধ করতে হলে এ রিজার্ভ দিয়েই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। যে কারণে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) নীতিমালা অনুযায়ী একটি দেশের তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ থাকলে একে ঝুঁকিমুক্ত ধরা হয়।

কমিটি এ নীতিমালার আলোকে রিজার্ভের বৃদ্ধি ও কমার গতির রেকর্ডও পর্যবেক্ষণ করবে। করোনার কারণে এখন আমদানি ব্যয় কম হওয়ার কারণে রিজার্ভ বাড়ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই আমদানি বেড়ে যাবে। তখন রিজার্ভের ওপরও চাপ বাড়বে। এসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক (ইডি) মো. হুমায়ুন কবিরকে প্রধান করে ওই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও ঝুঁকি নিরূপণ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন।

সম্প্রতিক সময়ে রিজার্ভ থেকে বেসরকারি খাতে বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণ দেওয়ার বিষয়টির পক্ষে-বিপক্ষে বেশ আলোচনা হচ্ছে। রিজার্ভ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণ চেয়ে কয়েকটি আবেদনও কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আলোচনায় আছে সরকারি খাতের বড় প্রকল্পে রিজার্ভ থেকে ঋণ দেওয়ার বিষয়টিও।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রিজার্ভ থেকে সরাসরি ঋণ না দিয়ে সরকারি খাতের উন্নয়ন প্রকল্পে বিকল্পভাবে অর্থায়ন করা যায় কি না, সেটা ভেবে দেখতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন তহবিল গঠন করে, এলসির দেনা শোধে ব্যাংকগুলোকে বৈদেশিক মুদ্রার জোগান দিয়ে ঋণের চাহিদা মেটাতে পারে। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সম্পর্কে বাড়বে। তদারকিও জোরদার হবে। আর সরাসরি ঋণ দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে গ্রাহকদের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপতি হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো গ্রাহকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে না। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে যোগাযোগ করতে হয়। এ রীতি ভঙ্গ করা ঠিক হবে না।

তিনি আরও বলেন, রিজার্ভ থেকে সরাসরি ঋণ দিলে ঝুঁকি বাড়বে। এক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়ানোটা কোনোক্রমেই ঠিক হবে না।

সূত্র জানায়, রিজার্ভ থেকে সরকারি-বেসরকারি কোনো ধরনের প্রকল্পে সরাসরি বাণিজ্যিক ঋণ দেওয়ার এখন পর্যন্ত কোনো নজির পাওয়া যায়নি। তবে ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বা সরকারের গ্যারান্টিতে রিজার্ভের অর্থ থেকে বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে বন্ড আকারে বাজারে ছাড়ে। সেগুলোর সুদের হার বেশ কম।

আরও জানা গেছে, ২০১৮ সালে ভারত সরকার তীব্র অর্থ সংকটের মধ্যে সেদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মতামত উপক্ষো করে সরকারি কর্মচারীদের ব্যয় মেটাতে রিজার্ভ থেকে অর্থ ধার করেছিল।

গত বছরের শুরুতে যখন করোনার কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছিল, তখন যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ব্যাংক অব ইংল্যান্ড’ সরকারকে রিজার্ভ থেকে অর্থ ধার দিয়ে বাজারে টাকার প্রবাহ বাড়াতে সহায়তা করেছিল। একই পদক্ষেপ নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে ও জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

২০০৯ সালে আমেরিকায় অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিলে সেই সময়ের ওবামা সরকার সেদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেমস থেকে অর্থ নিয়ে ব্যাংকগুলোকে জোগান দিয়েছিল, তারল্য পরিস্থিতি বাড়িয়ে সামাল দিয়েছিল আর্থিক দুরবস্থা। তেমনি করোনার শুরুতে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকও নিজস্ব উৎস থেকে অর্থের জোগান দিয়ে ব্যাংকগুলোয় তারল্যপ্রবাহ বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে রিজার্ভ থেকে অর্থ দিয়ে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের আকার বাড়িয়েছে, গঠন করেছে ইউরো তহবিল।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন