ওসির বিরুদ্ধে নারীকে লাথি দেওয়ার অভিযোগ
jugantor
ওসির বিরুদ্ধে নারীকে লাথি দেওয়ার অভিযোগ

  মাদারীপুর প্রতিনিধি  

০৮ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদারীপুর সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে নারীর পেটে লাথি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সন্ধ্যায় পৌর শহরের উকিলপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশের দাবি বিবদমান দুপক্ষ পুলিশের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুপক্ষের ১৭ জনের নামে মামলা করেছে।

শহরের উকিলপাড়ায় ফেরদৌস স্মৃতিসঙ্ঘ ক্লাবের ৬০ লিংক খালি জমি রয়েছে। শনিবার সকালে ওই জমিতে বাঁশ, টিন দিয়ে বেড়া দেন একই এলাকার সোবহান মিয়া। মৃত ফেরদৌস বেপারির বোন ইয়াসমিন দিপা তার ছেলেসহ কয়েকজন নিয়ে ক্লাবের জমির কাছে যান ও সোবহানের সঙ্গে কথা বলেন। একপর্যায় দুপক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। খবর পেয়ে সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশের উপস্থিতিতে দুপক্ষ বাগবিতণ্ডা করে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ দেশ ও সাগর মাল নামে দুজনকে আটক করে।

উকিলপাড়ার মফিউদ্দিনের স্ত্রী সাজেদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ নারীসহ সবাইকে গালাগাল করে চুল ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি চুল ছেড়ে দিতে বলেছিলাম- তার জন্য পুলিশ আমার পেটে লাথি দিয়ে আমাকে মাটিতে ফেলে দিয়েছে। আমি এর বিচার চাই। জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক রেহানা পারভিন লিপা বলেন, ক্লাবের জায়গাটা আমাদের, সোবহান এটা দখল করার পাঁয়তারা করছে। আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম। পুলিশ আমার সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনার মূলহোতা সোবহানকে এক নম্বর আসামি না করে আমাকে আসামি করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সঠিক তদন্ত করে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিয়া বলেন, দুপক্ষের দ্বন্দ্ব ছাড়ানোর সময় কিছু একটা হতে পারে, কিন্তু আমি কাউকে কিছু বলিনি। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় রোববার দুপুরে দুপক্ষের ১৭ জনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করা হয়েছে। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার মাহাবুব ইসলাম বলেন, ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

ওসির বিরুদ্ধে নারীকে লাথি দেওয়ার অভিযোগ

 মাদারীপুর প্রতিনিধি 
০৮ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদারীপুর সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে নারীর পেটে লাথি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সন্ধ্যায় পৌর শহরের উকিলপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশের দাবি বিবদমান দুপক্ষ পুলিশের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুপক্ষের ১৭ জনের নামে মামলা করেছে।

শহরের উকিলপাড়ায় ফেরদৌস স্মৃতিসঙ্ঘ ক্লাবের ৬০ লিংক খালি জমি রয়েছে। শনিবার সকালে ওই জমিতে বাঁশ, টিন দিয়ে বেড়া দেন একই এলাকার সোবহান মিয়া। মৃত ফেরদৌস বেপারির বোন ইয়াসমিন দিপা তার ছেলেসহ কয়েকজন নিয়ে ক্লাবের জমির কাছে যান ও সোবহানের সঙ্গে কথা বলেন। একপর্যায় দুপক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। খবর পেয়ে সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশের উপস্থিতিতে দুপক্ষ বাগবিতণ্ডা করে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ দেশ ও সাগর মাল নামে দুজনকে আটক করে।

উকিলপাড়ার মফিউদ্দিনের স্ত্রী সাজেদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ নারীসহ সবাইকে গালাগাল করে চুল ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি চুল ছেড়ে দিতে বলেছিলাম- তার জন্য পুলিশ আমার পেটে লাথি দিয়ে আমাকে মাটিতে ফেলে দিয়েছে। আমি এর বিচার চাই। জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক রেহানা পারভিন লিপা বলেন, ক্লাবের জায়গাটা আমাদের, সোবহান এটা দখল করার পাঁয়তারা করছে। আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম। পুলিশ আমার সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনার মূলহোতা সোবহানকে এক নম্বর আসামি না করে আমাকে আসামি করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সঠিক তদন্ত করে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিয়া বলেন, দুপক্ষের দ্বন্দ্ব ছাড়ানোর সময় কিছু একটা হতে পারে, কিন্তু আমি কাউকে কিছু বলিনি। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় রোববার দুপুরে দুপক্ষের ১৭ জনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করা হয়েছে। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার মাহাবুব ইসলাম বলেন, ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন