রাজৈরে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৫
jugantor
অনুষ্ঠানে ফটোসেশন নিয়ে বিতণ্ডা
রাজৈরে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৫

  টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

০৮ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। এরপর ব্যানারের সামনে ফটোসেশনের সময় কটূক্তির জেরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পাঁচজন আহত হয়েছেন। রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

আহত পৌর যুবলীগ সভাপতি শহীদ মোল্যাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিকল্প খালাশীকে রাজৈর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পালটাপালটি কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে রাজৈর আওয়ামী লীগে বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে। পরিবেশ ক্রমেই সংঘাতের দিকে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জমিরউদ্দিন খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানগুলো সম্পন্ন করার চেষ্টা করলেও একটি পক্ষ প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। ৪ মার্চ আওয়ামী লীগ অফিসে উভয় গ্রুপের যৌথ অংশগ্রহণে ৭ মার্চ পালনে প্রস্তুতি সভা হয়। সেখানে উভয় গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি হয়। ১৫ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাকক্ষে ২৬ মার্চ উদযাপনে প্রস্তুতি সভা হয়। সেখানেও উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘাতের সৃষ্টি হয়। থানার ওসি শেখ সাদিক জানান, ছবি তোলা নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘাতের সৃষ্টি হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

অনুষ্ঠানে ফটোসেশন নিয়ে বিতণ্ডা

রাজৈরে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৫

 টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
০৮ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। এরপর ব্যানারের সামনে ফটোসেশনের সময় কটূক্তির জেরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পাঁচজন আহত হয়েছেন। রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

আহত পৌর যুবলীগ সভাপতি শহীদ মোল্যাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিকল্প খালাশীকে রাজৈর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পালটাপালটি কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে রাজৈর আওয়ামী লীগে বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে। পরিবেশ ক্রমেই সংঘাতের দিকে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জমিরউদ্দিন খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানগুলো সম্পন্ন করার চেষ্টা করলেও একটি পক্ষ প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। ৪ মার্চ আওয়ামী লীগ অফিসে উভয় গ্রুপের যৌথ অংশগ্রহণে ৭ মার্চ পালনে প্রস্তুতি সভা হয়। সেখানে উভয় গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি হয়। ১৫ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাকক্ষে ২৬ মার্চ উদযাপনে প্রস্তুতি সভা হয়। সেখানেও উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘাতের সৃষ্টি হয়। থানার ওসি শেখ সাদিক জানান, ছবি তোলা নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘাতের সৃষ্টি হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন