‘বাবা পুড়ছে, চেয়ে দেখা ছাড়া উপায় ছিল না’
jugantor
দাউদকান্দিতে বাসে আগুন
‘বাবা পুড়ছে, চেয়ে দেখা ছাড়া উপায় ছিল না’
আহত ২২ জনের মধ্যে বার্ন ইনস্টিটিউটে ৩ জন এবং ঢাকা মেডিকেলে ১ জন চিকিৎসাধীন * চালক ও মালিকের বিরুদ্ধে মামলা

  যুগান্তর প্রতিবেদন ও দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

১৩ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক উজ্জ্বল মিয়ার পুরো পরিবার (৮ সদস্য) মতলব এক্সপ্রেসের বাসে চড়ে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দির তিনপাড়ায় যাচ্ছিলেন। দাউদকান্দির গৌরীপুরে একজন যাত্রী নামানোর জন্য বাসটি ব্রেক কষে। এরপর হঠাৎ করেই বিকট শব্দ। মুহূর্তেই বাসে আগুন ধরে যায়। তখন বাসের দরজা দিয়ে নামার মতো অবস্থা ছিল না। তাই জানালার কাচ ভেঙে উজ্জ্বল তার দুই মেয়েসহ অন্যদের নিয়ে নেমে আসেন।

তবে তার বাবা রফিকুল ইসলাম (৭০) তখনও বাসের মধ্যে ছিলেন। আগুন এত দ্রুত বাসে ছড়িয়ে পড়েছিল যে, তাদের আর কিছুই করার ছিল না। চোখের সামনেই পরিবারের বায়োজ্যেষ্ঠ সদস্যের মৃত্যু দেখতে হলো তাদের। আগুনে দগ্ধ হয়ে উজ্জ্বলের মা শামসুন্নাহার রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নিচ্ছেন। পরিবারের ৬ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার এ দুর্ঘটনায় বাসে দগ্ধ হওয়া ১৮ জনকে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ১৪ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অন্য চারজনের মধ্যে শামসুন্নাহার (৬৫), রওশন আরা (৪৫) এবং গোলাম হোসেন (৭৫) বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছেন। ওমর ফারুক নামে একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। আহত গোলাম হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ওই ঘটনায় দুজন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন ২২ জন।

বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের মেডিকেল অফিসার নজরুল ইসলাম জানান, এখানে আহত ১৮ জন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে ১৪ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তারা পরে বহির্বিভাগে দেখাবেন। ওমর ফারুক নামের একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তিনি কম দগ্ধ হয়েছেন। কিন্তু বুকে ব্যথাসহ অন্যান্য জটিলতা থাকায় তাকে স্থানান্তর করা হয়েছে। গোলাম হোসেনের শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে।

এদিকে বিস্ফোরণের ঘটনায় শুক্রবার দাউদকান্দি মডেল থানার এসআই মোস্তফা কামাল বাদী হয়ে মতলব এক্সপ্রেস বাসের মালিক মিজানুর রহমান ও চালকের (অজ্ঞাত) বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তবে এ ঘটনায় কোনো তদন্ত কমিটি হয়নি। ফায়ার সার্ভিস বলছে, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুর্ঘটনা ঘটেছে এমন ধারণা করা হয়েছিল। তবে এ বিস্ফোরণ হয়েছে শর্টসার্কিট থেকে।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, আসামিদের অবহেলার কারণে বাসের মধ্যে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নিহত দুজনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

দাউদকান্ডি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ফয়েজ আহমেদ জানান, বাসের ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। যদি সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হতো তাহলে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উড়ে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ত। তাছাড়া বাসের গ্যাস সিলিন্ডারগুলো অক্ষত আছে।

একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক : শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে ভর্তি গোলাম হোসেনের শরীরের ৩১ শতাংশ পুড়ে গেছে। পাশাপাশি তার শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

তার মেয়ে শাহিনুর আক্তার জানান, ঢাকার আরামবাগ থেকে বাবাকে নিয়ে চাঁদপুরের মতলবে যাচ্ছিলেন। আগুন লাগার পর তারা জানালা দিয়ে বের হয়েছেন। এতে তিনি এবং তার মেয়ে সানজানাও আহত হয়েছেন। তারা সামান্য আহত হয়েছেন। তবে গোলাম হোসেন গুরুতর আহত হন।

দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা উজ্জ্বল মিয়ার বাবা প্রাণ হারিয়েছেন। তিনিসহ পরিবারের আরও সাত সদস্য কম-বেশি আহত হয়েছেন।

উজ্জ্বল বলেন, একদিকে আমার বড় মেয়েটা বলছিল, ‘বাবা, আমাকে বাঁচাও’। অন্যদিকে আমার বাবা পুড়ে যাচ্ছিল। আমি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখেছি। আমার কিছুই করার ছিল না। মেয়েকে জানালা নিয়ে নামাতে পেরেছি। তবে বাবাকে আর বাঁচাতে পারলাম না।

উজ্জ্বলের স্ত্রী মোহসিনা বেগম বার্ন ইউনিটের ৯ নম্বর, ১২ নম্বর ও ১৩ নম্বর শয্যায় ছোটাছুটি করেই দিন পার করেছেন। তার দুই মেয়ের মধ্যে ১০ বছরের তাহিয়া আহমেদ ৯ নম্বর শয্যায়, ৬ বছর বয়সী মেয়ে তাসনিয়া আহমেদ ১২ নম্বর শয্যায় চিকিৎসাধীন ছিল। শুক্রবার দুই মেয়েকে ছাড়পত্র দেওয়া হলেও ১৩ নম্বর শয্যায় শাশুড়ি শামসুন্নাহার বেগম (৬৫) চিকিৎসাধীন। তার মুখমণ্ডল পুড়ে গেছে। তিনি মাথায়ও আঘাত পেয়েছেন। তার শরীরের ১০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তিনি শঙ্কামুক্ত নন। তাকে চিকিৎসকরা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।

বার্ন ইনস্টিটিউটের ১৬ নম্বর শয্যায় শুয়ে আছেন দগ্ধ বাসের যাত্রী রওশন আরা বেগম (৪৫)। তার ছেলে মোহন কাজী বলেন, ‘আমার মা ৪ বছর বয়সি নাতি (আমার ভাইয়ের ছেলে) সাফিনকে সঙ্গে নিয়ে ছোট ভাইয়ের বাসা ঢাকা থেকে মতলবে যাচ্ছিলেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ছিলেন। মাগরিবের নামাজের সময় খবর পেয়ে গৌরীপুর যাই। আমার ভাইয়ের ছেলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছে।’

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রওশন আরা বেগম শঙ্কামুক্ত নন। তিনি ১২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন। তার শ্বাসনালি আক্রান্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দাউদকান্দিতে বাসে আগুন

‘বাবা পুড়ছে, চেয়ে দেখা ছাড়া উপায় ছিল না’

আহত ২২ জনের মধ্যে বার্ন ইনস্টিটিউটে ৩ জন এবং ঢাকা মেডিকেলে ১ জন চিকিৎসাধীন * চালক ও মালিকের বিরুদ্ধে মামলা
 যুগান্তর প্রতিবেদন ও দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
১৩ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক উজ্জ্বল মিয়ার পুরো পরিবার (৮ সদস্য) মতলব এক্সপ্রেসের বাসে চড়ে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দির তিনপাড়ায় যাচ্ছিলেন। দাউদকান্দির গৌরীপুরে একজন যাত্রী নামানোর জন্য বাসটি ব্রেক কষে। এরপর হঠাৎ করেই বিকট শব্দ। মুহূর্তেই বাসে আগুন ধরে যায়। তখন বাসের দরজা দিয়ে নামার মতো অবস্থা ছিল না। তাই জানালার কাচ ভেঙে উজ্জ্বল তার দুই মেয়েসহ অন্যদের নিয়ে নেমে আসেন।

তবে তার বাবা রফিকুল ইসলাম (৭০) তখনও বাসের মধ্যে ছিলেন। আগুন এত দ্রুত বাসে ছড়িয়ে পড়েছিল যে, তাদের আর কিছুই করার ছিল না। চোখের সামনেই পরিবারের বায়োজ্যেষ্ঠ সদস্যের মৃত্যু দেখতে হলো তাদের। আগুনে দগ্ধ হয়ে উজ্জ্বলের মা শামসুন্নাহার রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নিচ্ছেন। পরিবারের ৬ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার এ দুর্ঘটনায় বাসে দগ্ধ হওয়া ১৮ জনকে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ১৪ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অন্য চারজনের মধ্যে শামসুন্নাহার (৬৫), রওশন আরা (৪৫) এবং গোলাম হোসেন (৭৫) বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছেন। ওমর ফারুক নামে একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। আহত গোলাম হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ওই ঘটনায় দুজন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন ২২ জন।

বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের মেডিকেল অফিসার নজরুল ইসলাম জানান, এখানে আহত ১৮ জন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে ১৪ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তারা পরে বহির্বিভাগে দেখাবেন। ওমর ফারুক নামের একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তিনি কম দগ্ধ হয়েছেন। কিন্তু বুকে ব্যথাসহ অন্যান্য জটিলতা থাকায় তাকে স্থানান্তর করা হয়েছে। গোলাম হোসেনের শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে।

এদিকে বিস্ফোরণের ঘটনায় শুক্রবার দাউদকান্দি মডেল থানার এসআই মোস্তফা কামাল বাদী হয়ে মতলব এক্সপ্রেস বাসের মালিক মিজানুর রহমান ও চালকের (অজ্ঞাত) বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তবে এ ঘটনায় কোনো তদন্ত কমিটি হয়নি। ফায়ার সার্ভিস বলছে, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুর্ঘটনা ঘটেছে এমন ধারণা করা হয়েছিল। তবে এ বিস্ফোরণ হয়েছে শর্টসার্কিট থেকে।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, আসামিদের অবহেলার কারণে বাসের মধ্যে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নিহত দুজনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

দাউদকান্ডি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ফয়েজ আহমেদ জানান, বাসের ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। যদি সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হতো তাহলে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উড়ে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ত। তাছাড়া বাসের গ্যাস সিলিন্ডারগুলো অক্ষত আছে।

একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক : শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে ভর্তি গোলাম হোসেনের শরীরের ৩১ শতাংশ পুড়ে গেছে। পাশাপাশি তার শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

তার মেয়ে শাহিনুর আক্তার জানান, ঢাকার আরামবাগ থেকে বাবাকে নিয়ে চাঁদপুরের মতলবে যাচ্ছিলেন। আগুন লাগার পর তারা জানালা দিয়ে বের হয়েছেন। এতে তিনি এবং তার মেয়ে সানজানাও আহত হয়েছেন। তারা সামান্য আহত হয়েছেন। তবে গোলাম হোসেন গুরুতর আহত হন।

দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা উজ্জ্বল মিয়ার বাবা প্রাণ হারিয়েছেন। তিনিসহ পরিবারের আরও সাত সদস্য কম-বেশি আহত হয়েছেন।

উজ্জ্বল বলেন, একদিকে আমার বড় মেয়েটা বলছিল, ‘বাবা, আমাকে বাঁচাও’। অন্যদিকে আমার বাবা পুড়ে যাচ্ছিল। আমি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখেছি। আমার কিছুই করার ছিল না। মেয়েকে জানালা নিয়ে নামাতে পেরেছি। তবে বাবাকে আর বাঁচাতে পারলাম না।

উজ্জ্বলের স্ত্রী মোহসিনা বেগম বার্ন ইউনিটের ৯ নম্বর, ১২ নম্বর ও ১৩ নম্বর শয্যায় ছোটাছুটি করেই দিন পার করেছেন। তার দুই মেয়ের মধ্যে ১০ বছরের তাহিয়া আহমেদ ৯ নম্বর শয্যায়, ৬ বছর বয়সী মেয়ে তাসনিয়া আহমেদ ১২ নম্বর শয্যায় চিকিৎসাধীন ছিল। শুক্রবার দুই মেয়েকে ছাড়পত্র দেওয়া হলেও ১৩ নম্বর শয্যায় শাশুড়ি শামসুন্নাহার বেগম (৬৫) চিকিৎসাধীন। তার মুখমণ্ডল পুড়ে গেছে। তিনি মাথায়ও আঘাত পেয়েছেন। তার শরীরের ১০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তিনি শঙ্কামুক্ত নন। তাকে চিকিৎসকরা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।

বার্ন ইনস্টিটিউটের ১৬ নম্বর শয্যায় শুয়ে আছেন দগ্ধ বাসের যাত্রী রওশন আরা বেগম (৪৫)। তার ছেলে মোহন কাজী বলেন, ‘আমার মা ৪ বছর বয়সি নাতি (আমার ভাইয়ের ছেলে) সাফিনকে সঙ্গে নিয়ে ছোট ভাইয়ের বাসা ঢাকা থেকে মতলবে যাচ্ছিলেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ছিলেন। মাগরিবের নামাজের সময় খবর পেয়ে গৌরীপুর যাই। আমার ভাইয়ের ছেলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছে।’

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রওশন আরা বেগম শঙ্কামুক্ত নন। তিনি ১২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন। তার শ্বাসনালি আক্রান্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন