সরকারের ব্যর্থতায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে: মির্জা ফখরুল
jugantor
সরকারের ব্যর্থতায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে: মির্জা ফখরুল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের উদাসীনতা, ব্যর্থতায় দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। করোনা মোকাবিলায় সরকারের বাস্তবভিত্তিক ও পরিকল্পিত কোনো পদক্ষেপ নেই। ফলে ‘লকডাউন’ সঠিকভাবে কার্যকর করতে ব্যর্থ হচ্ছে। জোরপূর্বক নির্যাতন-নিপীড়ন চালিয়ে লকডাউন কার্যকর করতে গিয়ে এখন জনগণের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে সরকার। জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই জনগণের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতাও নেই। এক যুগের অধিক ভয়াবহ দুঃশাসনের জন্য জনগণের নিকট সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে গত বছরের তুলনায় করোনাভাইরাস মহামারি এখন আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিদিন জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সংকটময় পরিস্থিতি সামাল দিতে আগের বছরের মতোই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে সরকার। পরিস্থিতির ভয়াবহতা রোধে সরকার কোনো চিন্তা-ভাবনা ছাড়াই তড়িঘড়ি সাত দিনের জন্য লকডাউন/নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

তিনি বলেন, সরকার ঘোষিত লকডাউনের বিরুদ্ধে দেশের সব শ্রেণিপেশার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে। প্রকৃত অর্থে লকডাউন বলতে যা বোঝায় রাস্তাঘাটে তার কোনো সামান্যতম চিত্রও পরিলক্ষিত হচ্ছে না। সবকিছু খোলা। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বড় বড় ব্যবসায়ীসহ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, দোকান কর্মচারী ও নিু আয়ের মানুষ। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ হতাশাগ্রস্ত হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে।

তিনি বলেন, ফরিদপুরের সালথায় ৫ এপ্রিল করোনা মোকাবেলায় সরকারের অপরিকল্পিত লকডাউনের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় একজন পদস্থ সরকারি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে তার কর্মচারী কর্তৃক একজন দোকান কর্মচারীকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে। পরে এর প্রতিবাদে স্থানীয় জনসাধারণ ব্যাপক বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। জনসাধারণের বিক্ষোভ দমন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেপরোয়া গুলিবর্ষণ ও একজনকে হত্যার পর উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে উলটো বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীসহ চার হাজার সাধারণ মানুষকে আসামি করে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এতে প্রমাণ করে সরকার মহামারি করোনা মোকাবিলা নয়, বরং মিথ্যা মামলা দিয়ে রাজনৈতিকভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের দমন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। সালথায় গ্রেফতারের নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশী অভিযানে নিরীহ মানুষকে হয়রানি ও নির্যাতন করা হচ্ছে। ওই ঘটনার সঙ্গে বিএনপি কোনোভাবে জড়িত না থাকলেও কেবলমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অথচ গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে-সালথার ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের উনকানি ছিল। সালথায় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ নামে-বেনামে চার হাজার জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও ইতোমধ্যে ২১ জন গ্রেফতার এবং হয়রানি-নির্যাতনের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারসহ গ্রেফতারদের মুক্তির দাবি জানান।

সরকারের ব্যর্থতায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে: মির্জা ফখরুল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের উদাসীনতা, ব্যর্থতায় দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। করোনা মোকাবিলায় সরকারের বাস্তবভিত্তিক ও পরিকল্পিত কোনো পদক্ষেপ নেই। ফলে ‘লকডাউন’ সঠিকভাবে কার্যকর করতে ব্যর্থ হচ্ছে। জোরপূর্বক নির্যাতন-নিপীড়ন চালিয়ে লকডাউন কার্যকর করতে গিয়ে এখন জনগণের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে সরকার। জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই জনগণের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতাও নেই। এক যুগের অধিক ভয়াবহ দুঃশাসনের জন্য জনগণের নিকট সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে গত বছরের তুলনায় করোনাভাইরাস মহামারি এখন আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিদিন জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সংকটময় পরিস্থিতি সামাল দিতে আগের বছরের মতোই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে সরকার। পরিস্থিতির ভয়াবহতা রোধে সরকার কোনো চিন্তা-ভাবনা ছাড়াই তড়িঘড়ি সাত দিনের জন্য লকডাউন/নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

তিনি বলেন, সরকার ঘোষিত লকডাউনের বিরুদ্ধে দেশের সব শ্রেণিপেশার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে। প্রকৃত অর্থে লকডাউন বলতে যা বোঝায় রাস্তাঘাটে তার কোনো সামান্যতম চিত্রও পরিলক্ষিত হচ্ছে না। সবকিছু খোলা। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বড় বড় ব্যবসায়ীসহ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, দোকান কর্মচারী ও নিু আয়ের মানুষ। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ হতাশাগ্রস্ত হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে।

তিনি বলেন, ফরিদপুরের সালথায় ৫ এপ্রিল করোনা মোকাবেলায় সরকারের অপরিকল্পিত লকডাউনের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় একজন পদস্থ সরকারি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে তার কর্মচারী কর্তৃক একজন দোকান কর্মচারীকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে। পরে এর প্রতিবাদে স্থানীয় জনসাধারণ ব্যাপক বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। জনসাধারণের বিক্ষোভ দমন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেপরোয়া গুলিবর্ষণ ও একজনকে হত্যার পর উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে উলটো বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীসহ চার হাজার সাধারণ মানুষকে আসামি করে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এতে প্রমাণ করে সরকার মহামারি করোনা মোকাবিলা নয়, বরং মিথ্যা মামলা দিয়ে রাজনৈতিকভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের দমন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। সালথায় গ্রেফতারের নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশী অভিযানে নিরীহ মানুষকে হয়রানি ও নির্যাতন করা হচ্ছে। ওই ঘটনার সঙ্গে বিএনপি কোনোভাবে জড়িত না থাকলেও কেবলমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অথচ গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে-সালথার ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের উনকানি ছিল। সালথায় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ নামে-বেনামে চার হাজার জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও ইতোমধ্যে ২১ জন গ্রেফতার এবং হয়রানি-নির্যাতনের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারসহ গ্রেফতারদের মুক্তির দাবি জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন