কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইচক্রে চান্দগাঁওয়ে নাভিশ্বাস
jugantor
বেশ কয়েকটি গ্রুপ সক্রিয়
কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইচক্রে চান্দগাঁওয়ে নাভিশ্বাস
রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দিনদিন ভয়ংকর হয়ে উঠছে * কারাগার থেকে বের হয়ে ফের অপরাধে

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

১০ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও এলাকায় কয়েকটি ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাং গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। এসব গ্রুপের নেতৃত্বদানকারী একাধিক সদস্য হাতেনাতে বিভিন্ন সময়ে ধরা পড়ার পরও কারাগার থেকে বের হয়ে ফের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে।

ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও দখল-বেদখলে ভাড়াটে হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে গ্রুপগুলোর সদস্যরা। তাদের তৎপরতায় এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তাদের সামাল দিতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও!

রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা ও সরকারি দলের কথিত বড়ভাইদের আশ্রয়-প্রশ্রয় পাওয়ায় দিনদিন ভয়ংকর হয়ে উঠছে চক্রগুলো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বহদ্দারহাট এলাকায় দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী গ্রুপ রয়েছে চারটি। নেতৃত্ব দিচ্ছে শহীদুল আলম ওরফে বুইশ্যা, শাহাদাত হোসেন ওরফে ল্যাংড়া রিফাত, ধামা জুয়েল ও ইমন বড়ুয়া।

এদের মধ্যে ইমন বড়ুয়া চান্দগাঁও থানা পুলিশের হাতে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আটক হয়ে কারাগারে আছেন। ইমন বড়ুয়া চাঞ্চল্যকর সবুর হত্যা মামলার প্রধান আসামি। বহদ্দারহাট ও আশপাশ এলাকার ত্রাস ছিনতাইকারী বুইশ্যা।

তার নেতৃত্বাধীন চক্রটি সামান্য মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতে ছুরিকাঘাত করতেও দ্বিধা করে না। অনেকটা ফিল্মি স্টাইলে ছিনতাই করে গ্রুপটি। গত বছরে ১৭ জানুয়ারি ছিনতাইকালে মুরাদপুর এলাকা থেকে অস্ত্রসহ আটক হয় পাঁচলাইশ থানা পুলিশের হাতে।

প্রায় সাত মাস আগে জামিনে বের হয়ে ফের বেপরোয়া হয়ে ওঠে বুইশ্যা। তার প্রধান সহযোগী ঘাসিয়া পাড়ার ইমরান হোসেন ওরফে পিচ্ছি ইমন। তার বিরুদ্ধেও নগরীর চান্দগাঁওসহ বিভিন্ন থানায় রয়েছে একাধিক মামলা।

মোবাইল কিংবা নগদ টাকা ছিনতাইয়ের পাশাপাশি সিএনজি অটোরিকশা এবং মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ে জড়িত এই ছিনতাইকারী ও তার গ্রুপের সদস্যরা।

সিএনজি অটোরিকশা বা মোটরসাইকেল চুরি ও ছিনতাই করে সংশ্লিষ্টদের কাছে নানা কৌশলে পৌঁছায় মোবাইল ফোন নম্বর। ওই নম্বরে যোগাযোগ করে মোটা অঙ্কের অর্থ দিলে তবেই মালিককে তার অটোরিকশা বা মোটরসাইকেল ফেরত দেওয়া হয়।

সম্প্রতি হানিফ নামে এক ব্যক্তির মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় চান্দগাঁও থানায় একটি মামলাও হয়েছে বুইশ্যার বিরুদ্ধে।

এর আগে পাঁচলাইশ কাতালগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর পাঁচ লাখ টাকা ছিনিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছিল গণমাধ্যমে। সে মামলায় তারা দুই ভাই আসামি।

ছিনতাইয়ের পাশাপাশি চক্রটি বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও হানা দিচ্ছে বলে জানা গেছে। পাঁচলাইশ থানাধীন ডায়মন্ড ক্লাবের ওপর একটি গার্মেন্টসে চাঁদার জন্য হানা দিয়েছে বুইশ্যা ও তার সহযোগীরা।

সহযোগীদের মধ্যে তার আরও দুই ভাই আইয়ুব ও হীরা রয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। জানা গেছে, বহদ্দারহাট পুলিশ ফাঁড়ির বিপরীতে লোহা কলোনির গলিতে সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় ইয়াবা বিক্রির হাট।

সড়কটি জনসাধারণের চলাচল সীমিত। ফলে এখানে আইয়ুবের নেতৃত্বে চলে মাদক ব্যবসা।

গত ৫ এপ্রিল পুলিশের হাতে আটক হয় আরেক দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী শাহাদাত হোসেন ওরফে ল্যাংড়া রিফাত। তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি চারটি মামলা হয়েছে। এ নিয়ে এখন এক ডজন মামলার আসামি ল্যাংড়া রিফাত।

পুলিশের হাতে আটকের এক দিন পরই জামিনে বেরিয়ে যায় ল্যাংড়া রিফাত। বারই পাড়ায় এক যুবককে কুপিয়ে হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়েছিল।

অভিযোগ করেছে, ল্যাংড়া রিফাতের নেতৃত্বাধীন কিশোর গ্যাং গ্রুপটি মোটরসাইকেলে চান্দগাঁও থানা এলাকাসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ছিনতাই করছে। তার দুই ভাইও ইয়াবা ও মাদক কারবারে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বহদ্দারহাটের আরেক ত্রাস হামকা রাজু। গত বছর ৩ নভেম্বর বিদেশি পিস্তলসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন তিনি। রাজু কারাগারে থাকায় পুরো গ্রুপটি নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার ভাই ধামা জুয়েল।

তারা চান্দগাঁও কসাই পাড়ার জয়নাল আবেদীনের ছেলে। জুয়েল পেশাদার ছিনতাইকারী। তার নেতৃত্বে অন্তত ১৫-২০ জনের গ্রুপ সক্রিয় দীর্ঘদিন। সম্প্রতি জুয়েলের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র, মাদক ও জুয়ার পৃথক তিনটি মামলা করে।

এ ছাড়া বারই পাড়ায় আনোয়ার নামে এক যুবককে কুপিয়ে হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার ঘটনায় এজাহারনামীয় আসামি তারা।

বহদ্দারহাটের অপরাধ জগতের নেপথ্যে রয়েছে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ফ্রুট সোহেল। তার বিরুদ্ধে চারটি মামলা হলেও এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে তিনি।

সক্রিয় অপরাধীদের মধ্যে রয়েছে : ফ্রুট সোহেলের ভাই মো. রুবেল ওরফে পাঙাশ, ছিনতাইকারী ল্যাংড়া রিফাতের ভাই বাবু, ভাগিনা মহিউদ্দিনসহ অনেকে।

এসব অপরাধী অনেকটা নির্বিঘ্নে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এলাকায়, অথচ পুলিশ তাদের খুঁজে পাচ্ছে না। এখানকার স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা এসব অপরাধীর কারণে রীতিমতো অতিষ্ঠ।

এসব সন্ত্রাসীর প্রসঙ্গে চান্দগাঁও থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ছিনতাই-চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ সক্রিয় আছে। কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে।

গ্রেফতার করা হচ্ছে। তবে আদালত থেকে কেউ জামিনে বের হয়ে এলে পুলিশের কিছু করার থাকে না।

বেশ কয়েকটি গ্রুপ সক্রিয়

কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইচক্রে চান্দগাঁওয়ে নাভিশ্বাস

রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দিনদিন ভয়ংকর হয়ে উঠছে * কারাগার থেকে বের হয়ে ফের অপরাধে
 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
১০ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও এলাকায় কয়েকটি ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাং গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। এসব গ্রুপের নেতৃত্বদানকারী একাধিক সদস্য হাতেনাতে বিভিন্ন সময়ে ধরা পড়ার পরও কারাগার থেকে বের হয়ে ফের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে।

ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও দখল-বেদখলে ভাড়াটে হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে গ্রুপগুলোর সদস্যরা। তাদের তৎপরতায় এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তাদের সামাল দিতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও!

রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা ও সরকারি দলের কথিত বড়ভাইদের আশ্রয়-প্রশ্রয় পাওয়ায় দিনদিন ভয়ংকর হয়ে উঠছে চক্রগুলো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বহদ্দারহাট এলাকায় দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী গ্রুপ রয়েছে চারটি। নেতৃত্ব দিচ্ছে শহীদুল আলম ওরফে বুইশ্যা, শাহাদাত হোসেন ওরফে ল্যাংড়া রিফাত, ধামা জুয়েল ও ইমন বড়ুয়া।

এদের মধ্যে ইমন বড়ুয়া চান্দগাঁও থানা পুলিশের হাতে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আটক হয়ে কারাগারে আছেন। ইমন বড়ুয়া চাঞ্চল্যকর সবুর হত্যা মামলার প্রধান আসামি। বহদ্দারহাট ও আশপাশ এলাকার ত্রাস ছিনতাইকারী বুইশ্যা।

তার নেতৃত্বাধীন চক্রটি সামান্য মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতে ছুরিকাঘাত করতেও দ্বিধা করে না। অনেকটা ফিল্মি স্টাইলে ছিনতাই করে গ্রুপটি। গত বছরে ১৭ জানুয়ারি ছিনতাইকালে মুরাদপুর এলাকা থেকে অস্ত্রসহ আটক হয় পাঁচলাইশ থানা পুলিশের হাতে।

প্রায় সাত মাস আগে জামিনে বের হয়ে ফের বেপরোয়া হয়ে ওঠে বুইশ্যা। তার প্রধান সহযোগী ঘাসিয়া পাড়ার ইমরান হোসেন ওরফে পিচ্ছি ইমন। তার বিরুদ্ধেও নগরীর চান্দগাঁওসহ বিভিন্ন থানায় রয়েছে একাধিক মামলা।

মোবাইল কিংবা নগদ টাকা ছিনতাইয়ের পাশাপাশি সিএনজি অটোরিকশা এবং মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ে জড়িত এই ছিনতাইকারী ও তার গ্রুপের সদস্যরা।

সিএনজি অটোরিকশা বা মোটরসাইকেল চুরি ও ছিনতাই করে সংশ্লিষ্টদের কাছে নানা কৌশলে পৌঁছায় মোবাইল ফোন নম্বর। ওই নম্বরে যোগাযোগ করে মোটা অঙ্কের অর্থ দিলে তবেই মালিককে তার অটোরিকশা বা মোটরসাইকেল ফেরত দেওয়া হয়।

সম্প্রতি হানিফ নামে এক ব্যক্তির মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় চান্দগাঁও থানায় একটি মামলাও হয়েছে বুইশ্যার বিরুদ্ধে।

এর আগে পাঁচলাইশ কাতালগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর পাঁচ লাখ টাকা ছিনিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছিল গণমাধ্যমে। সে মামলায় তারা দুই ভাই আসামি।

ছিনতাইয়ের পাশাপাশি চক্রটি বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও হানা দিচ্ছে বলে জানা গেছে। পাঁচলাইশ থানাধীন ডায়মন্ড ক্লাবের ওপর একটি গার্মেন্টসে চাঁদার জন্য হানা দিয়েছে বুইশ্যা ও তার সহযোগীরা।

সহযোগীদের মধ্যে তার আরও দুই ভাই আইয়ুব ও হীরা রয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। জানা গেছে, বহদ্দারহাট পুলিশ ফাঁড়ির বিপরীতে লোহা কলোনির গলিতে সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় ইয়াবা বিক্রির হাট।

সড়কটি জনসাধারণের চলাচল সীমিত। ফলে এখানে আইয়ুবের নেতৃত্বে চলে মাদক ব্যবসা।

গত ৫ এপ্রিল পুলিশের হাতে আটক হয় আরেক দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী শাহাদাত হোসেন ওরফে ল্যাংড়া রিফাত। তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি চারটি মামলা হয়েছে। এ নিয়ে এখন এক ডজন মামলার আসামি ল্যাংড়া রিফাত।

পুলিশের হাতে আটকের এক দিন পরই জামিনে বেরিয়ে যায় ল্যাংড়া রিফাত। বারই পাড়ায় এক যুবককে কুপিয়ে হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়েছিল।

অভিযোগ করেছে, ল্যাংড়া রিফাতের নেতৃত্বাধীন কিশোর গ্যাং গ্রুপটি মোটরসাইকেলে চান্দগাঁও থানা এলাকাসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ছিনতাই করছে। তার দুই ভাইও ইয়াবা ও মাদক কারবারে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বহদ্দারহাটের আরেক ত্রাস হামকা রাজু। গত বছর ৩ নভেম্বর বিদেশি পিস্তলসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন তিনি। রাজু কারাগারে থাকায় পুরো গ্রুপটি নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার ভাই ধামা জুয়েল।

তারা চান্দগাঁও কসাই পাড়ার জয়নাল আবেদীনের ছেলে। জুয়েল পেশাদার ছিনতাইকারী। তার নেতৃত্বে অন্তত ১৫-২০ জনের গ্রুপ সক্রিয় দীর্ঘদিন। সম্প্রতি জুয়েলের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র, মাদক ও জুয়ার পৃথক তিনটি মামলা করে।

এ ছাড়া বারই পাড়ায় আনোয়ার নামে এক যুবককে কুপিয়ে হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার ঘটনায় এজাহারনামীয় আসামি তারা।

বহদ্দারহাটের অপরাধ জগতের নেপথ্যে রয়েছে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ফ্রুট সোহেল। তার বিরুদ্ধে চারটি মামলা হলেও এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে তিনি।

সক্রিয় অপরাধীদের মধ্যে রয়েছে : ফ্রুট সোহেলের ভাই মো. রুবেল ওরফে পাঙাশ, ছিনতাইকারী ল্যাংড়া রিফাতের ভাই বাবু, ভাগিনা মহিউদ্দিনসহ অনেকে।

এসব অপরাধী অনেকটা নির্বিঘ্নে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এলাকায়, অথচ পুলিশ তাদের খুঁজে পাচ্ছে না। এখানকার স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা এসব অপরাধীর কারণে রীতিমতো অতিষ্ঠ।

এসব সন্ত্রাসীর প্রসঙ্গে চান্দগাঁও থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ছিনতাই-চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ সক্রিয় আছে। কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে।

গ্রেফতার করা হচ্ছে। তবে আদালত থেকে কেউ জামিনে বের হয়ে এলে পুলিশের কিছু করার থাকে না।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন