দোকান খোলা না রাখলে ব্যবসায়ীরা নিঃস্ব হয়ে যাবে
jugantor
ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন
দোকান খোলা না রাখলে ব্যবসায়ীরা নিঃস্ব হয়ে যাবে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৪ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আড়াই কোটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীকে নিঃস্ব হওয়া থেকে বাঁচাতে লকডাউনে নিদিষ্ট সময়ে দোকান করতে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে সম্মিলিত দোকান ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে সুবাস্তু অর্কেড আইসিটি ভবনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক তৌফিক এহেসান।

তিনি বলেন, দেশে ২ কোটি ৫০ লাখ ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ী রয়েছেন। তারা দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল এবং এ আয় থেকেই দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় চাহিদা ও জীবন নির্বাহ করে থাকেন। লকডাউনের কারণে যদি ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায় তা হলে তারা পথে বসে যাবেন। তাই ব্যবসায়ীবান্ধব প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন, ব্যবসায়ীদের অভিভাবক হিসাবে তিনি যেন দোকানদারদের কথা সদয় বিবেচনা করে সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নেন। কারণ দোকানপাট বন্ধ রাখলে ব্যবসায়ীরা দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। লকডাইনের মধ্যেও আইটি পণ্য, কৃষি পণ্য ও যন্ত্রাংশ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি গার্মেন্ট শিল্প, কুরিয়ার সেবা, অনলাইনে পণ্য সরবরাহ সেবাসহ অন্যান্য জরুরি পণ্য সেবা যাতে খোলা থাকে সেদিকে দৃষ্টি দিতে আপনার প্রতি অনুরোধ জানাই।

তিনি আরও বলেন, করোনারভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত সঠিক বলে মনে করি। আশা করছি এই সিদ্ধান্তে করোনাভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। কিন্তু এই লকডাউনে সবচেয়ে কষ্টকর পরিস্থিতিতে পড়ে দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল মানুষ এবং সাধারণ দোকানদাররা। রমজান ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা পুঁজি বিনিয়োগ করেছেন। এ অবস্থায় দোকানপাট বন্ধ থাকলে তারা নিঃস্ব হয়ে যাবেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার দাবি না মানলে আমরা কষ্ট পাব। কিন্তু আন্দোলনে যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। সরকার যদি একেবারেই দোকান খোলা না রাখতে দেয় তা হলে প্রণোদনার ব্যবস্থা করতে হবে। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন ছোট, মাঝারি ও বড় মিলে প্রায় ৪ কোটি ব্যবসায়ী রয়েছেন। লকডাউনে সবাই ক্ষতির মুখে পড়বেন। এজন্য সীমিত সময়ের জন্য দোকান খোলা রাখার দাবি জানাচ্ছি।

ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন

দোকান খোলা না রাখলে ব্যবসায়ীরা নিঃস্ব হয়ে যাবে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৪ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আড়াই কোটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীকে নিঃস্ব হওয়া থেকে বাঁচাতে লকডাউনে নিদিষ্ট সময়ে দোকান করতে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে সম্মিলিত দোকান ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে সুবাস্তু অর্কেড আইসিটি ভবনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক তৌফিক এহেসান।

তিনি বলেন, দেশে ২ কোটি ৫০ লাখ ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ী রয়েছেন। তারা দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল এবং এ আয় থেকেই দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় চাহিদা ও জীবন নির্বাহ করে থাকেন। লকডাউনের কারণে যদি ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায় তা হলে তারা পথে বসে যাবেন। তাই ব্যবসায়ীবান্ধব প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন, ব্যবসায়ীদের অভিভাবক হিসাবে তিনি যেন দোকানদারদের কথা সদয় বিবেচনা করে সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নেন। কারণ দোকানপাট বন্ধ রাখলে ব্যবসায়ীরা দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। লকডাইনের মধ্যেও আইটি পণ্য, কৃষি পণ্য ও যন্ত্রাংশ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি গার্মেন্ট শিল্প, কুরিয়ার সেবা, অনলাইনে পণ্য সরবরাহ সেবাসহ অন্যান্য জরুরি পণ্য সেবা যাতে খোলা থাকে সেদিকে দৃষ্টি দিতে আপনার প্রতি অনুরোধ জানাই।

তিনি আরও বলেন, করোনারভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত সঠিক বলে মনে করি। আশা করছি এই সিদ্ধান্তে করোনাভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। কিন্তু এই লকডাউনে সবচেয়ে কষ্টকর পরিস্থিতিতে পড়ে দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল মানুষ এবং সাধারণ দোকানদাররা। রমজান ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা পুঁজি বিনিয়োগ করেছেন। এ অবস্থায় দোকানপাট বন্ধ থাকলে তারা নিঃস্ব হয়ে যাবেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার দাবি না মানলে আমরা কষ্ট পাব। কিন্তু আন্দোলনে যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। সরকার যদি একেবারেই দোকান খোলা না রাখতে দেয় তা হলে প্রণোদনার ব্যবস্থা করতে হবে। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন ছোট, মাঝারি ও বড় মিলে প্রায় ৪ কোটি ব্যবসায়ী রয়েছেন। লকডাউনে সবাই ক্ষতির মুখে পড়বেন। এজন্য সীমিত সময়ের জন্য দোকান খোলা রাখার দাবি জানাচ্ছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন