সরকার সারা দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে: মির্জা ফখরুল
jugantor
সরকার সারা দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে: মির্জা ফখরুল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সরকার সারা দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে বলে অভিযোগ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। তিনি বলেন, নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করতে ব্লক রেইড করছে।

তারা বলছে, বিএনপির সঙ্গে নাকি হেফাজতের সম্পর্ক রয়েছে। বিএনপি নয়, হেফাজতের সঙ্গে সম্পর্ক তো সরকারের।

তারাই হেফাজতের সঙ্গে বৈঠক করছে। জেএসডি আয়োজিত করোনা মোকাবিলায় স্থানীয় সরকারের ভূমিকা শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশ নিয়ে বৃহস্পতিবার তিনি এ অভিযোগ করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, দানবের হাত থেকে মুক্তির উপায় খুঁজতে হবে। বর্তমান ত্রাসের রাজত্বের অবসান ঘটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণ করতে আমরা সবাই ব্যর্থ হয়েছি। ৫০ বছরে ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যদিয়ে আমরা যা অর্জন করেছিলাম তার সবকিছু সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে। এখন প্রয়োজন জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা।

জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও অংশ নেন সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, অ্যাডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, সা কা ম আনিছুর রহমান খান, মো. সিরাজ মিয়া এবং তৌহিদ হোসেন। আলোচনা সভায় প্রস্তাব উত্থাপন করেন শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।

আ স ম আবদুর রব বলেন, করোনা মোকাবিলায় জনগণকে সম্পৃক্ত ও জাতীয় ঐক্য স্থাপনের লক্ষ্যে বিদ্যমান মডেল পরিবর্তন করে নতুন কৌশলগত পরিকল্পনা প্রয়োজন।

করোনার বিরুদ্ধে ভয়ংকর যুদ্ধ মোকাবিলায় ৫টি লক্ষ্যকে সামনে রেখে কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

এগুলো হচ্ছে, করোনা মোকাবিলায় বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিরোধ ও মানসম্পন্ন চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ, স্থানীয় সরকারের নেতৃত্বে জনগণকে সম্পৃক্তকরণ, দারিদ্র্য সীমার নিচে প্রায় ৫ কোটি জনগণকে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাসহ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, স্থানীয় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সব পর্যায়ে জাতীয় ঐক্য স্থাপন এবং হার্ড ইমিউনিটি অর্জনের লক্ষ্যে টিকার বিকল্প উৎসের সন্ধানসহ জাতীয় পর্যায়ে টিকা উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, স্থানীয় সমস্যা স্থানীয় পর্যায়ে সমাধান করাই হচ্ছে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কাজ। আমাদের সংবিধানে স্থানীয় সরকার প্রশ্নে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তা স্বাধীনতার পর কখনও বাস্তবায়ন করা হয়নি।

আলোচনা সভায় করোনা মোকাবিলায় জেএসডি চার দাবি উত্থাপন করে। সেগুলো হলো- করোনা মোকাবিলায় জাতিকে সম্পৃক্তকরণের প্রয়োজনে সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি সমন্ব^য়ে একটি ‘জাতীয় কমিটি’ ও করোনা যোদ্ধাদের নিয়ে ‘জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি’ গঠন, দুর্নীতিমুক্ত দক্ষ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘জাতীয় স্বাস্থ্য কাউন্সিল’ গঠন, বিদ্যমান স্থানীয় সরকার কাঠামোগুলো জনগণের সব অংশের অর্থাৎ অংশীজন সমাজ শক্তি ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব সম্পৃক্ত এবং দুর্বল স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী ও ক্ষমতায়ন করা।

সরকার সারা দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে: মির্জা ফখরুল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সরকার সারা দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে বলে অভিযোগ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। তিনি বলেন, নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করতে ব্লক রেইড করছে।

তারা বলছে, বিএনপির সঙ্গে নাকি হেফাজতের সম্পর্ক রয়েছে। বিএনপি নয়, হেফাজতের সঙ্গে সম্পর্ক তো সরকারের।

তারাই হেফাজতের সঙ্গে বৈঠক করছে। জেএসডি আয়োজিত করোনা মোকাবিলায় স্থানীয় সরকারের ভূমিকা শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশ নিয়ে বৃহস্পতিবার তিনি এ অভিযোগ করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, দানবের হাত থেকে মুক্তির উপায় খুঁজতে হবে। বর্তমান ত্রাসের রাজত্বের অবসান ঘটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণ করতে আমরা সবাই ব্যর্থ হয়েছি। ৫০ বছরে ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যদিয়ে আমরা যা অর্জন করেছিলাম তার সবকিছু সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে। এখন প্রয়োজন জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা।

জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও অংশ নেন সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, অ্যাডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, সা কা ম আনিছুর রহমান খান, মো. সিরাজ মিয়া এবং তৌহিদ হোসেন। আলোচনা সভায় প্রস্তাব উত্থাপন করেন শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।

আ স ম আবদুর রব বলেন, করোনা মোকাবিলায় জনগণকে সম্পৃক্ত ও জাতীয় ঐক্য স্থাপনের লক্ষ্যে বিদ্যমান মডেল পরিবর্তন করে নতুন কৌশলগত পরিকল্পনা প্রয়োজন।

করোনার বিরুদ্ধে ভয়ংকর যুদ্ধ মোকাবিলায় ৫টি লক্ষ্যকে সামনে রেখে কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

এগুলো হচ্ছে, করোনা মোকাবিলায় বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিরোধ ও মানসম্পন্ন চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ, স্থানীয় সরকারের নেতৃত্বে জনগণকে সম্পৃক্তকরণ, দারিদ্র্য সীমার নিচে প্রায় ৫ কোটি জনগণকে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাসহ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, স্থানীয় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সব পর্যায়ে জাতীয় ঐক্য স্থাপন এবং হার্ড ইমিউনিটি অর্জনের লক্ষ্যে টিকার বিকল্প উৎসের সন্ধানসহ জাতীয় পর্যায়ে টিকা উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, স্থানীয় সমস্যা স্থানীয় পর্যায়ে সমাধান করাই হচ্ছে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কাজ। আমাদের সংবিধানে স্থানীয় সরকার প্রশ্নে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তা স্বাধীনতার পর কখনও বাস্তবায়ন করা হয়নি।

আলোচনা সভায় করোনা মোকাবিলায় জেএসডি চার দাবি উত্থাপন করে। সেগুলো হলো- করোনা মোকাবিলায় জাতিকে সম্পৃক্তকরণের প্রয়োজনে সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি সমন্ব^য়ে একটি ‘জাতীয় কমিটি’ ও করোনা যোদ্ধাদের নিয়ে ‘জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি’ গঠন, দুর্নীতিমুক্ত দক্ষ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘জাতীয় স্বাস্থ্য কাউন্সিল’ গঠন, বিদ্যমান স্থানীয় সরকার কাঠামোগুলো জনগণের সব অংশের অর্থাৎ অংশীজন সমাজ শক্তি ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব সম্পৃক্ত এবং দুর্বল স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী ও ক্ষমতায়ন করা।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন