যানজট ও গরমে নগরজীবনে নাভিশ্বাস
jugantor
‘লকডাউন’র ১৯তম দিন
যানজট ও গরমে নগরজীবনে নাভিশ্বাস

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৩ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাস টেস্ট করাতে রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালের সামনে রোগীদের দীর্ঘ লাইন। ফাইল ছবি

‘লকডাউন’-এর ১৯তম দিন রোববার রাজধানীর সড়কগুলোয় মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। বিশেষ করে মার্কেটমুখো সড়কগুলোয় ছিল তীব্র যানজট। প্রচণ্ড গরম ও যানজটে বাইরে বের হওয়া মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, রাজধানীর মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, বাংলামোটর, কাওরানবাজার এলাকার প্রধান সড়ক, অলিগলিতে প্রচুর গাড়ি এবং মানুষের ভিড়। কেউ হেঁটে চলছেন, কেউ রিকশা বা সিএনজিচালিত অটোরিকশায়। আর ব্যক্তিগত গাড়িতে বাইরে বের হওয়া মানুষের উপস্থিতিও ছিল অনেক। বাইরে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতির কারণে ট্রাফিক সিগনালে দীর্ঘসময় আটকে থাকতে হয়েছে। এসব ধকল মাড়িয়ে কর্মব্যস্ত মানুষকে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছতে সময় লেগেছে স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।

গত কয়েকদিনের মতো রাজধানীর ট্রাফিক সিগনালগুলোয় পুলিশের উপস্থিতি ছিল না। মানুষ ইচ্ছেমতোই চলাচল করেছে। গাড়ি চেক করতে দেখা যায়নি পুলিশকে। অনেক প্রাইভেট কারে যাত্রী পরিবহণ করতে দেখা গেছে।

রোববার মহানগরীর মতিঝিল, মালিবাগ, মৌচাক, মিরপুর, উত্তরা, কুড়িল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়কে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। বাইরে বের হওয়া কিছু মানুষকে স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে বরাবরের মতো উদাসীন দেখা গেছে। কেউ মাস্ক পরছেন, কেউ পরছেন না। কেউ পরলেও থুতনির নিচে রেখে হাঁটাচলা করছেন।

তেজগাঁওয়ের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ইমন হাসান যুগান্তরকে বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর সড়কগুলোয় তীব্র যানজট লেগে থাকে। বিশেষ করে বেলা ৩টা পর্যন্ত এত যানজট থাকে যে, প্রচণ্ড গরমে এ সময় রাজধানীতে চলাচল করা দুরূহ হয়ে পড়ে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, রাজধানীর সড়কগুলোয় ভিড় তত বাড়ছে।

প্রান্থপথ এলাকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা সোহেল মামুন বলেন, রাজধানীতে স্বাভাবিক সময়ের মতো ৭০ ভাগ মানুষ চলাচল করছে। গণপরিবহণ ছেড়ে দিলে পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। তবে সরকার ঘোষিত ‘লকডাউন’ মানুষ এখন অনেকটা মানছে। এ কারণে বাইরে চলাচল করা মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে দেখা যায়। দৈনিক করোনা সংক্রমণও কমে আসছে। রোববার রাজধানীর নিউমার্কেট, গাউছিয়া, মোহাম্মদপুর, পান্থপথ, গুলশান, বনানী, মিরপুর ও উত্তরার মার্কেটমুখো সড়কে সর্বত্র মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যায়। মার্কেটমুখো মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করার প্রবণতাও দেখা গেছে।

‘লকডাউন’র ১৯তম দিন

যানজট ও গরমে নগরজীবনে নাভিশ্বাস

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৩ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
করোনাভাইরাস টেস্ট করাতে রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালের সামনে রোগীদের দীর্ঘ লাইন। ফাইল ছবি
করোনাভাইরাস টেস্ট করাতে রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালের সামনে রোগীদের দীর্ঘ লাইন। ফাইল ছবি

‘লকডাউন’-এর ১৯তম দিন রোববার রাজধানীর সড়কগুলোয় মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। বিশেষ করে মার্কেটমুখো সড়কগুলোয় ছিল তীব্র যানজট। প্রচণ্ড গরম ও যানজটে বাইরে বের হওয়া মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, রাজধানীর মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, বাংলামোটর, কাওরানবাজার এলাকার প্রধান সড়ক, অলিগলিতে প্রচুর গাড়ি এবং মানুষের ভিড়। কেউ হেঁটে চলছেন, কেউ রিকশা বা সিএনজিচালিত অটোরিকশায়। আর ব্যক্তিগত গাড়িতে বাইরে বের হওয়া মানুষের উপস্থিতিও ছিল অনেক। বাইরে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতির কারণে ট্রাফিক সিগনালে দীর্ঘসময় আটকে থাকতে হয়েছে। এসব ধকল মাড়িয়ে কর্মব্যস্ত মানুষকে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছতে সময় লেগেছে স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।

গত কয়েকদিনের মতো রাজধানীর ট্রাফিক সিগনালগুলোয় পুলিশের উপস্থিতি ছিল না। মানুষ ইচ্ছেমতোই চলাচল করেছে। গাড়ি চেক করতে দেখা যায়নি পুলিশকে। অনেক প্রাইভেট কারে যাত্রী পরিবহণ করতে দেখা গেছে।

রোববার মহানগরীর মতিঝিল, মালিবাগ, মৌচাক, মিরপুর, উত্তরা, কুড়িল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়কে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। বাইরে বের হওয়া কিছু মানুষকে স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে বরাবরের মতো উদাসীন দেখা গেছে। কেউ মাস্ক পরছেন, কেউ পরছেন না। কেউ পরলেও থুতনির নিচে রেখে হাঁটাচলা করছেন।

তেজগাঁওয়ের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ইমন হাসান যুগান্তরকে বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর সড়কগুলোয় তীব্র যানজট লেগে থাকে। বিশেষ করে বেলা ৩টা পর্যন্ত এত যানজট থাকে যে, প্রচণ্ড গরমে এ সময় রাজধানীতে চলাচল করা দুরূহ হয়ে পড়ে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, রাজধানীর সড়কগুলোয় ভিড় তত বাড়ছে।

প্রান্থপথ এলাকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা সোহেল মামুন বলেন, রাজধানীতে স্বাভাবিক সময়ের মতো ৭০ ভাগ মানুষ চলাচল করছে। গণপরিবহণ ছেড়ে দিলে পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। তবে সরকার ঘোষিত ‘লকডাউন’ মানুষ এখন অনেকটা মানছে। এ কারণে বাইরে চলাচল করা মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে দেখা যায়। দৈনিক করোনা সংক্রমণও কমে আসছে। রোববার রাজধানীর নিউমার্কেট, গাউছিয়া, মোহাম্মদপুর, পান্থপথ, গুলশান, বনানী, মিরপুর ও উত্তরার মার্কেটমুখো সড়কে সর্বত্র মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যায়। মার্কেটমুখো মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করার প্রবণতাও দেখা গেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন