সরকারের দোষ খোঁজা বিএনপির মজ্জাগত স্বভাব: ওবায়দুল কাদের
jugantor
সরকারের দোষ খোঁজা বিএনপির মজ্জাগত স্বভাব: ওবায়দুল কাদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সরকারের সব কিছুতে দোষ-ত্রুটি খুঁজে বের করা বিএনপির মজ্জাগত স্বভাবে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন বিএনপি নেতারা পূর্ণিমার আলো ঝলঝল রাতেও অমাবস্যার অন্ধকার দেখতে পায়।

রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মঙ্গলবার ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলা বিএনপির মুখে শোভা পায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকতে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনের কলঙ্কিত অধ্যায়ও এ দেশে সৃষ্টি করেছে।

নির্বাচন ব্যবস্থাকে দলীয়করণ করার রেকর্ডে বিএনপি চ্যাম্পিয়ন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা এক কোটি সোয়া লাখ ভুয়া ভোটার দিয়ে আজিজ মার্কা প্রহসনের নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিয়েছিল, যার কারণে দেশে এক-এগারোর মতো অবস্থা তৈরি হয়েছে। মাগুরা ও ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনের সেই জালিয়াতির কথা দেশের মানুষ এখনো ভুলে যায়নি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আমলে সকাল ১০টার মধ্যেই ভোট প্রদান শেষ করে দেওয়া হয়েছিল, তখন চট্টগ্রামের একটি কেন্দ্রে ভোট গণনার আগেই চূড়ান্ত ফলাফল রেডিও, টিভিতে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। বিএনপির মুখে নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থার বুলি ভূতের মুখে রাম রাম ধ্বনির মতো।

অসহায় কর্মহীন, খেটে খাওয়া নিু আয়ের মানুষের জন্য সাড়ে ছত্রিশ লাখ পরিবারকে নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ বা দলীয় নেতাকর্মীদের আত্মীয়স্বজন দেখে নয়, বরং নিু আয়ের খেটে খাওয়া পরিবারের তালিকা করে এবং যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এসব সাহায্য দেওয়া হচ্ছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, মুখ দেখে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা এবার যেন কোনোভাবেই বেহাতে না যায় সে ব্যাপারেও ইতোমধ্যে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেন, নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা বিতরণে কেউ কোনো অপকর্ম ও অনিয়ম করলে তাকে কঠোর শাস্তি পেতে হবে।

বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রেখে বলেন, গণমাধ্যমের ওপর সরকারের যদি নিয়ন্ত্রণই থাকবে তাহলে প্রতিদিন তারা সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার আর মিথ্যাচার করেন কেমন করে? তিনি আরও বলেন, আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ বিএনপি এখনও টিকে আছে স্বাধীন গণমাধ্যম আছে বলেই।

শেখ হাসিনা সরকার দিন-রাত করোনাপীড়িত মানুষের চিকিৎসা, সংক্রমণ রোধ এবং অসহায় মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান অব্যাহত রেখে কর্মহীনদের সুরক্ষায় আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। অথচ বিএনপি শুধু তাদের কথাই বলে যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারের কোনো উদ্যোগ বিএনপির চোখে পড়ে না। এ সংকটে জনগণের জীবন ও জীবিকার মাঝে ভারসাম্য তৈরিতে সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা না করে তারা তোতা পাখির মতো শেখানো বুলি অবিরাম আওড়িয়ে যাচ্ছে।

সরকারের দোষ খোঁজা বিএনপির মজ্জাগত স্বভাব: ওবায়দুল কাদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সরকারের সব কিছুতে দোষ-ত্রুটি খুঁজে বের করা বিএনপির মজ্জাগত স্বভাবে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন বিএনপি নেতারা পূর্ণিমার আলো ঝলঝল রাতেও অমাবস্যার অন্ধকার দেখতে পায়।

রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মঙ্গলবার ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলা বিএনপির মুখে শোভা পায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকতে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনের কলঙ্কিত অধ্যায়ও এ দেশে সৃষ্টি করেছে।

নির্বাচন ব্যবস্থাকে দলীয়করণ করার রেকর্ডে বিএনপি চ্যাম্পিয়ন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা এক কোটি সোয়া লাখ ভুয়া ভোটার দিয়ে আজিজ মার্কা প্রহসনের নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিয়েছিল, যার কারণে দেশে এক-এগারোর মতো অবস্থা তৈরি হয়েছে। মাগুরা ও ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনের সেই জালিয়াতির কথা দেশের মানুষ এখনো ভুলে যায়নি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আমলে সকাল ১০টার মধ্যেই ভোট প্রদান শেষ করে দেওয়া হয়েছিল, তখন চট্টগ্রামের একটি কেন্দ্রে ভোট গণনার আগেই চূড়ান্ত ফলাফল রেডিও, টিভিতে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। বিএনপির মুখে নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থার বুলি ভূতের মুখে রাম রাম ধ্বনির মতো।

অসহায় কর্মহীন, খেটে খাওয়া নিু আয়ের মানুষের জন্য সাড়ে ছত্রিশ লাখ পরিবারকে নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ বা দলীয় নেতাকর্মীদের আত্মীয়স্বজন দেখে নয়, বরং নিু আয়ের খেটে খাওয়া পরিবারের তালিকা করে এবং যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এসব সাহায্য দেওয়া হচ্ছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, মুখ দেখে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা এবার যেন কোনোভাবেই বেহাতে না যায় সে ব্যাপারেও ইতোমধ্যে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেন, নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা বিতরণে কেউ কোনো অপকর্ম ও অনিয়ম করলে তাকে কঠোর শাস্তি পেতে হবে।

বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রেখে বলেন, গণমাধ্যমের ওপর সরকারের যদি নিয়ন্ত্রণই থাকবে তাহলে প্রতিদিন তারা সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার আর মিথ্যাচার করেন কেমন করে? তিনি আরও বলেন, আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ বিএনপি এখনও টিকে আছে স্বাধীন গণমাধ্যম আছে বলেই।

শেখ হাসিনা সরকার দিন-রাত করোনাপীড়িত মানুষের চিকিৎসা, সংক্রমণ রোধ এবং অসহায় মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান অব্যাহত রেখে কর্মহীনদের সুরক্ষায় আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। অথচ বিএনপি শুধু তাদের কথাই বলে যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারের কোনো উদ্যোগ বিএনপির চোখে পড়ে না। এ সংকটে জনগণের জীবন ও জীবিকার মাঝে ভারসাম্য তৈরিতে সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা না করে তারা তোতা পাখির মতো শেখানো বুলি অবিরাম আওড়িয়ে যাচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন