এসআই আকবরকে প্রধান আসামি করে অভিযোগপত্র আজ
jugantor
সিলেটে পুলিশ হেফাজতে রায়হান হত্যা
এসআই আকবরকে প্রধান আসামি করে অভিযোগপত্র আজ

  সিলেট ব্যুরো  

০৫ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেট নগরীর বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে রায়হান আহমদ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আজ আদালতে দাখিল করা হবে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিলেটেরে পুলিশ সুপার খালেদ-উজ-জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পিবিআইয়ের একটি সূত্র জানায়, তদন্তে রায়হানকে নির্যাতনের সঙ্গে বন্দরবাজার ফাঁড়ির বরখাস্ত ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া, টুআইসি এসআই হাসান আলীসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। অভিযোগপত্রে তাদের আসামি করা হয়েছে।

গত বছরের ১১ অক্টোবর রাতে পুলিশি হেফাজতে নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা যান নগরীর আখালিয়া এলাকার বাসিন্দা রায়হান আহমদ। এই ঘটনায় মামলা দায়েরের সাড়ে ৬ মাস পর অভিযোগপত্র দাখিল করা হচ্ছে।

রায়হান আহমদকে কাষ্টঘর সুইপার কলোনি থেকে ধরে নিয়ে যায় বন্দরবাজার ফাঁড়ির পুলিশ। এ সময় পুলিশের টিমে ছিলেন ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ও তার সঙ্গীয় ফোর্সরা। ফাঁড়িতে নিয়ে রায়হানের ওপর চলে নির্যাতন। ভোরে রায়হানের নিথর দেহ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় দেশ-বিদেশে নিন্দার ঝড় ওঠে। জড়িত পুলিশ সদস্যদের গ্রেফতারের দাবিতে বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি পালিত হয়। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেরও টনক নড়ে। ১২ অক্টোবর রাতে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী। ইতোমধ্যেই ফাঁড়ির সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক পরিবর্তন করেন এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া। পরে গ্রেফতার হন পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া, টুআইসি এসআই হাসান আলী, এএসআই আশেকে এলাহী, কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, কনস্টেবল তৌহিদ মিয়া ও টিটু চন্দ্র দাস।

সিলেটে পুলিশ হেফাজতে রায়হান হত্যা

এসআই আকবরকে প্রধান আসামি করে অভিযোগপত্র আজ

 সিলেট ব্যুরো 
০৫ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেট নগরীর বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে রায়হান আহমদ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আজ আদালতে দাখিল করা হবে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিলেটেরে পুলিশ সুপার খালেদ-উজ-জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পিবিআইয়ের একটি সূত্র জানায়, তদন্তে রায়হানকে নির্যাতনের সঙ্গে বন্দরবাজার ফাঁড়ির বরখাস্ত ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া, টুআইসি এসআই হাসান আলীসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। অভিযোগপত্রে তাদের আসামি করা হয়েছে।

গত বছরের ১১ অক্টোবর রাতে পুলিশি হেফাজতে নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা যান নগরীর আখালিয়া এলাকার বাসিন্দা রায়হান আহমদ। এই ঘটনায় মামলা দায়েরের সাড়ে ৬ মাস পর অভিযোগপত্র দাখিল করা হচ্ছে।

রায়হান আহমদকে কাষ্টঘর সুইপার কলোনি থেকে ধরে নিয়ে যায় বন্দরবাজার ফাঁড়ির পুলিশ। এ সময় পুলিশের টিমে ছিলেন ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ও তার সঙ্গীয় ফোর্সরা। ফাঁড়িতে নিয়ে রায়হানের ওপর চলে নির্যাতন। ভোরে রায়হানের নিথর দেহ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় দেশ-বিদেশে নিন্দার ঝড় ওঠে। জড়িত পুলিশ সদস্যদের গ্রেফতারের দাবিতে বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি পালিত হয়। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেরও টনক নড়ে। ১২ অক্টোবর রাতে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী। ইতোমধ্যেই ফাঁড়ির সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক পরিবর্তন করেন এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া। পরে গ্রেফতার হন পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া, টুআইসি এসআই হাসান আলী, এএসআই আশেকে এলাহী, কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, কনস্টেবল তৌহিদ মিয়া ও টিটু চন্দ্র দাস।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন