ঈদযাত্রা যেন অন্তিম যাত্রা না হয়: ওবায়দুল কাদের
jugantor
ঈদযাত্রা যেন অন্তিম যাত্রা না হয়: ওবায়দুল কাদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৬ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লকডাউনের নিষেধ ভেঙে ঈদে ‘চোরাই পথে’ গ্রামে না ছুটতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, সবাইকে মনে রাখতে হবে, আগে জীবন পরে জীবিকা। তাই উৎসব আনন্দের কী দাম আছে, যদি জীবন থেকেই দূরে সরে যেতে হয়? বেঁচে থাকলে ভবিষ্যতে অনেক উৎসব, আনন্দ করা যাবে। ঈদযাত্রা যেন অন্তিম যাত্রায় পরিণত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির আয়োজনে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ ও অসহায়-দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে বুধবার মন্ত্রী এ কথা বলেন। রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবন থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তিনি। এ সময় নিয়ম না মেনে স্পিডবোটে পদ্মা পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনায় দুই ডজন মানুষের মৃত্যুর কথা মনে করিয়ে দেন মন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, লকডাউনে অনেকেই চোরাইপথে আসা-যাওয়ার সুযোগ নিচ্ছেন, সম্প্রতি পদ্মায় স্পিডবোটডুবিতে ২৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকারকে ফাঁকি দেওয়া যায় কিন্তু মৃত্যুকে ফাঁকি দেওয়া যায় না। এ ধরনের ঝুঁকি নিলে উৎসবের আগেই মৃত্যুর ট্র্যাজেডি অনিবার্য হয়ে পড়ে, কাজেই এ ধরনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানাই।

সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্যোগ দুর্বিপাকে বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়িয়ে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন ‘৭৫ পরবর্তীকালে কোনো সরকারপ্রধান বা রাজনৈতিক নেতা এমন নজির স্থাপন করতে পারেননি। বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একটা দল সরকারের বিরুদ্ধে গলাবাজি করছে। তাদের আর কোনো কাজ নেই। করোনার এই দুঃসময়ে তারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে-এমন একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেনি। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তা করে দেখিয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সারাদেশে দলীয় নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিরা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু একটা দল ঢাকায় বসে শুধু লিপ সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে। তারা একেক সময় একেক আন্দোলনের ওপর ভর করে ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতায় লিপ্ত। তারা করোনার এই সংকটের সময়েও সহিংসতায় উসকানি দিচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, শিক্ষা সম্পাদক সামছুন্নাহার চাঁপা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল এমপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঈদযাত্রা যেন অন্তিম যাত্রা না হয়: ওবায়দুল কাদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৬ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লকডাউনের নিষেধ ভেঙে ঈদে ‘চোরাই পথে’ গ্রামে না ছুটতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, সবাইকে মনে রাখতে হবে, আগে জীবন পরে জীবিকা। তাই উৎসব আনন্দের কী দাম আছে, যদি জীবন থেকেই দূরে সরে যেতে হয়? বেঁচে থাকলে ভবিষ্যতে অনেক উৎসব, আনন্দ করা যাবে। ঈদযাত্রা যেন অন্তিম যাত্রায় পরিণত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির আয়োজনে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ ও অসহায়-দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে বুধবার মন্ত্রী এ কথা বলেন। রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবন থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তিনি। এ সময় নিয়ম না মেনে স্পিডবোটে পদ্মা পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনায় দুই ডজন মানুষের মৃত্যুর কথা মনে করিয়ে দেন মন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, লকডাউনে অনেকেই চোরাইপথে আসা-যাওয়ার সুযোগ নিচ্ছেন, সম্প্রতি পদ্মায় স্পিডবোটডুবিতে ২৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকারকে ফাঁকি দেওয়া যায় কিন্তু মৃত্যুকে ফাঁকি দেওয়া যায় না। এ ধরনের ঝুঁকি নিলে উৎসবের আগেই মৃত্যুর ট্র্যাজেডি অনিবার্য হয়ে পড়ে, কাজেই এ ধরনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানাই।

সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্যোগ দুর্বিপাকে বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়িয়ে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন ‘৭৫ পরবর্তীকালে কোনো সরকারপ্রধান বা রাজনৈতিক নেতা এমন নজির স্থাপন করতে পারেননি। বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একটা দল সরকারের বিরুদ্ধে গলাবাজি করছে। তাদের আর কোনো কাজ নেই। করোনার এই দুঃসময়ে তারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে-এমন একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেনি। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তা করে দেখিয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সারাদেশে দলীয় নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিরা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু একটা দল ঢাকায় বসে শুধু লিপ সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে। তারা একেক সময় একেক আন্দোলনের ওপর ভর করে ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতায় লিপ্ত। তারা করোনার এই সংকটের সময়েও সহিংসতায় উসকানি দিচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, শিক্ষা সম্পাদক সামছুন্নাহার চাঁপা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল এমপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন