বাঘিনী পরীর ঘরে তিন নতুন অতিথি
jugantor
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা 
বাঘিনী পরীর ঘরে তিন নতুন অতিথি

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

১১ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ‘পরী’ ও ‘জয়া’ নামে দুই বাঘিনী গত দুই দিনে পাঁচটি শাবকের জন্ম দিয়েছে। এর মধ্যে দুটি শাবক মারা গেছে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার শাবকগুলোর জন্ম হলেও সোমবার বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানায় কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ও চিকিৎসক শাহাদাত হোসেন শুভ বলেন, বৃহস্পতিবার বাঘিনী ‘পরী’ তিনটি এবং শুক্রবার আরেক বাঘিনী ‘জয়া’ দুটি শাবকের জন্ম দেয়। কিন্তু জন্মের পর দুধ না দেওয়ায় ‘জয়ার’ দুটি শাবকই মারা গেছে। মারা যাওয়া দুই শাবকের একটি সাদা বাঘ ছিল। আমরা বাচ্চাগুলোকে আলাদা করার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু কাছে যেতে পারিনি। তবে পরীর তিনটি শাবক ভালো আছে। তারা মায়ের সঙ্গেই আছে। পরী তাদের দুধ দিচ্ছে।

শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, পরী যে তিনটি শাবক জন্ম দিয়েছে এখনো তাদের লিঙ্গ নির্ধারণ করা যায়নি। আরও কিছুদিন পর তা বোঝা যাবে। এর আগেও দুবার বাচ্চা প্রসব করেছিল সে। সেগুলো থেকে তিনটি বেঁচে আছে। এই তিনটিসহ পরী এখন ৬ সন্তানের মা।

২০১৬ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ‘রাজ ও পরী’কে আনা হয়েছিল। ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পরী প্রথম তিনটি বাচ্চা প্রসব করে। তার একদিন পর একটি শাবক মারা যায়। বেঁচে থাকা দুটির মধ্যে একটি বিরল সাদা বাঘ। যার নাম রাখা হয় ‘শুভ্রা’।

অপরটির নাম ‘জয়া’। এরপর ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে আবার বাচ্চা প্রসব করে পরী। ওই মেয়ে শাবকটির নাম দেওয়া হয়েছিল ‘করোনা’। তার বয়স এখন এক বছর চার মাস। চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় সদ্য জন্ম নেওয়া তিন শাবক ছাড়া আগে থেকে থাকা ছয়টির মধ্যে দুটি বাঘ ও চারটি বাঘিনী রয়েছে। এ নিয়ে বাঘিনী ‘পরী’ তিনবার ও ‘জয়া’ দুবার শাবকের জন্ম দিল। ‘শুভ্রা’ এখনো কোনো শাবকের জন্ম দেয়নি।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা 

বাঘিনী পরীর ঘরে তিন নতুন অতিথি

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
১১ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ‘পরী’ ও ‘জয়া’ নামে দুই বাঘিনী গত দুই দিনে পাঁচটি শাবকের জন্ম দিয়েছে। এর মধ্যে দুটি শাবক মারা গেছে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার শাবকগুলোর জন্ম হলেও সোমবার বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানায় কর্তৃপক্ষ। 

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ও চিকিৎসক শাহাদাত হোসেন শুভ বলেন, বৃহস্পতিবার বাঘিনী ‘পরী’ তিনটি এবং শুক্রবার আরেক বাঘিনী ‘জয়া’ দুটি শাবকের জন্ম দেয়। কিন্তু জন্মের পর দুধ না দেওয়ায় ‘জয়ার’ দুটি শাবকই মারা গেছে। মারা যাওয়া দুই শাবকের একটি সাদা বাঘ ছিল। আমরা বাচ্চাগুলোকে আলাদা করার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু কাছে যেতে পারিনি। তবে পরীর তিনটি শাবক ভালো আছে। তারা মায়ের সঙ্গেই আছে। পরী তাদের দুধ দিচ্ছে।

শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, পরী যে তিনটি শাবক জন্ম দিয়েছে এখনো তাদের লিঙ্গ নির্ধারণ করা যায়নি। আরও কিছুদিন পর তা বোঝা যাবে। এর আগেও দুবার বাচ্চা প্রসব করেছিল সে। সেগুলো থেকে তিনটি বেঁচে আছে। এই তিনটিসহ পরী এখন ৬ সন্তানের মা। 

২০১৬ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ‘রাজ ও পরী’কে আনা হয়েছিল। ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পরী প্রথম তিনটি বাচ্চা প্রসব করে। তার একদিন পর একটি শাবক মারা যায়। বেঁচে থাকা দুটির মধ্যে একটি বিরল সাদা বাঘ। যার নাম রাখা হয় ‘শুভ্রা’।

অপরটির নাম ‘জয়া’। এরপর ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে আবার বাচ্চা প্রসব করে পরী। ওই মেয়ে শাবকটির নাম দেওয়া হয়েছিল ‘করোনা’। তার বয়স এখন এক বছর চার মাস। চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় সদ্য জন্ম নেওয়া তিন শাবক ছাড়া আগে থেকে থাকা ছয়টির মধ্যে দুটি বাঘ ও চারটি বাঘিনী রয়েছে। এ নিয়ে বাঘিনী ‘পরী’ তিনবার ও ‘জয়া’ দুবার শাবকের জন্ম দিল। ‘শুভ্রা’ এখনো কোনো শাবকের জন্ম দেয়নি।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন