উন্মুক্ত স্থানে বিনোদনপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড়
jugantor
উন্মুক্ত স্থানে বিনোদনপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড়

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৭ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঈদের ছুটিতে প্রতিবছর বিনোদনকেন্দ্রগুলো দর্শনার্থীতে ঠাসা থাকলেও এবারের চিত্র ভিন্ন। চট্টগ্রাম নগরীর সব কটি বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকায় বিনোদনপ্রেমীরা ভিড় করেন পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত, নেভাল একাডেমি, সিআরবি, চট্টগ্রাম শাহ আমানত সেতুর মতো উন্মুক্ত স্থানে। যদিও সেখানে পুলিশের ‘বিড়ম্বনা’র মুখে পড়তে হয়েছে তাদের। বরিশাল নগরী ও জেলার বিভিন্ন উন্মুক্ত স্থানে মানুষের ভিড় ছিল উপচে পড়া। বরিশালের বঙ্গবন্ধু উদ্যান, ত্রিশ গোডাউন, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, গৌরনদীর বাটাজোরের শাহী ৯৯ পার্ক, কটকস্থলের ফারিহা পার্ক, আগৈলঝাড়ার পয়সারহাট সেতু ও বারপাইকা এলাকার নূর পার্কে সব বয়সের নারী-পুরুষ ও শিশুদের উপস্থিতি ছিল ব্যাপক। সিলেটের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকলেও বিভিন্ন উন্মুক্ত স্থানে মানুষ জড়ো হয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করেন। খবর ব্যুরোর

চট্টগ্রাম : করোনা সংক্রমণ রোধে পুলিশ উন্মুক্ত স্থানে জড়ো হওয়া দর্শনার্থীদের বারবার সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। দর্শনার্থীরা বলছেন, মানুষ দীর্ঘদিন ঘরবন্দি। সব কটি বিনোদনকেন্দ্রে ঝুলছে তালা। অন্য বছর ঈদের দিন এসব বিনোদনকেন্দ্রে মানুষের ভিড়ের কারণে হাঁটাই দায় ছিল, এবার সেখানে সুনসান নীরবতা। তাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থানে দর্শনার্থীরা ভিড় করেন।

বরিশাল : করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ঘোষিত ‘লকডাউনের’ মধ্যে নগরী ও জেলার বিভিন্ন স্থানে গত দুদিন ধরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। এর মধ্যে প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে ঘুরে বেড়ান। দর্শনার্থীরা বলেন, বছর ঘুরে একবার ঈদের আনন্দ আসে, তাই পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ও সময় কাটাতে বিনোদনকেন্দ্রে ঘুরতে বেরিয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করা নিয়ে দর্শনার্থীরা বলেন, মাস্ক সঙ্গে আছে, তবে প্রশাসনের তৎপরতা না-থাকায় মাস্ক ব্যবহার করা হচ্ছে না। সচেতন নাগরিক কমিটির জেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর শাহ সাজেদা বলেন, বর্তমান মহামারি করোনা সংকটে কিছু মানুষের অসচেতনতা, জ্ঞানহীনতা ও অপরিপক্ব কার্যক্রমের জন্য সবার জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে।

সিলেট : সরকারি বিধিনিষেধ অনুযায়ী সারা দেশের মতো বন্ধ রয়েছে সিলেটের সব পর্যটন কেন্দ্র। এর মধ্যেও পর্যটন এলাকা ছিল মানুষের পদচারণায় মুখর। ঈদের আনন্দকে উপভোগ্য করতে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে মানুষজন চলে যায় প্রকৃতির সান্নিধ্যে। এর মধ্যে কেউ গিয়েছেন সুরমার তীরঘেঁষা ক্বীন ব্রিজের নিচে, কেউ গিয়েছেন সিলেটের লাক্কাতুড়া চা-বাগানে। কেউ কেউ ছুটে গেছেন জাফলং, সাদাপাথর, বিছানাকান্দি কিংবা লালাখাল পর্যন্ত। ঈদের দ্বিতীয় দিন বিকালে লাক্কাতুড়া চা-বাগান, বাইশটিলা এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন বয়সি মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। একই অবস্থা সুরমার তীরঘেঁষা ক্বীন ব্রিজের নিচ, সেলফি ব্রিজ বলে পরিচিত কাজীরবাজার ব্রিজ। যেখানে শহরের মানুষজন মিলেছেন চায়ের আড্ডায়। সঙ্গে রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তুলছেন সেলফি।

উন্মুক্ত স্থানে বিনোদনপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড়

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৭ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঈদের ছুটিতে প্রতিবছর বিনোদনকেন্দ্রগুলো দর্শনার্থীতে ঠাসা থাকলেও এবারের চিত্র ভিন্ন। চট্টগ্রাম নগরীর সব কটি বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকায় বিনোদনপ্রেমীরা ভিড় করেন পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত, নেভাল একাডেমি, সিআরবি, চট্টগ্রাম শাহ আমানত সেতুর মতো উন্মুক্ত স্থানে। যদিও সেখানে পুলিশের ‘বিড়ম্বনা’র মুখে পড়তে হয়েছে তাদের। বরিশাল নগরী ও জেলার বিভিন্ন উন্মুক্ত স্থানে মানুষের ভিড় ছিল উপচে পড়া। বরিশালের বঙ্গবন্ধু উদ্যান, ত্রিশ গোডাউন, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, গৌরনদীর বাটাজোরের শাহী ৯৯ পার্ক, কটকস্থলের ফারিহা পার্ক, আগৈলঝাড়ার পয়সারহাট সেতু ও বারপাইকা এলাকার নূর পার্কে সব বয়সের নারী-পুরুষ ও শিশুদের উপস্থিতি ছিল ব্যাপক। সিলেটের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকলেও বিভিন্ন উন্মুক্ত স্থানে মানুষ জড়ো হয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করেন। খবর ব্যুরোর

চট্টগ্রাম : করোনা সংক্রমণ রোধে পুলিশ উন্মুক্ত স্থানে জড়ো হওয়া দর্শনার্থীদের বারবার সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। দর্শনার্থীরা বলছেন, মানুষ দীর্ঘদিন ঘরবন্দি। সব কটি বিনোদনকেন্দ্রে ঝুলছে তালা। অন্য বছর ঈদের দিন এসব বিনোদনকেন্দ্রে মানুষের ভিড়ের কারণে হাঁটাই দায় ছিল, এবার সেখানে সুনসান নীরবতা। তাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থানে দর্শনার্থীরা ভিড় করেন।

বরিশাল : করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ঘোষিত ‘লকডাউনের’ মধ্যে নগরী ও জেলার বিভিন্ন স্থানে গত দুদিন ধরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। এর মধ্যে প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে ঘুরে বেড়ান। দর্শনার্থীরা বলেন, বছর ঘুরে একবার ঈদের আনন্দ আসে, তাই পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ও সময় কাটাতে বিনোদনকেন্দ্রে ঘুরতে বেরিয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করা নিয়ে দর্শনার্থীরা বলেন, মাস্ক সঙ্গে আছে, তবে প্রশাসনের তৎপরতা না-থাকায় মাস্ক ব্যবহার করা হচ্ছে না। সচেতন নাগরিক কমিটির জেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর শাহ সাজেদা বলেন, বর্তমান মহামারি করোনা সংকটে কিছু মানুষের অসচেতনতা, জ্ঞানহীনতা ও অপরিপক্ব কার্যক্রমের জন্য সবার জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে।

সিলেট : সরকারি বিধিনিষেধ অনুযায়ী সারা দেশের মতো বন্ধ রয়েছে সিলেটের সব পর্যটন কেন্দ্র। এর মধ্যেও পর্যটন এলাকা ছিল মানুষের পদচারণায় মুখর। ঈদের আনন্দকে উপভোগ্য করতে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে মানুষজন চলে যায় প্রকৃতির সান্নিধ্যে। এর মধ্যে কেউ গিয়েছেন সুরমার তীরঘেঁষা ক্বীন ব্রিজের নিচে, কেউ গিয়েছেন সিলেটের লাক্কাতুড়া চা-বাগানে। কেউ কেউ ছুটে গেছেন জাফলং, সাদাপাথর, বিছানাকান্দি কিংবা লালাখাল পর্যন্ত। ঈদের দ্বিতীয় দিন বিকালে লাক্কাতুড়া চা-বাগান, বাইশটিলা এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন বয়সি মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। একই অবস্থা সুরমার তীরঘেঁষা ক্বীন ব্রিজের নিচ, সেলফি ব্রিজ বলে পরিচিত কাজীরবাজার ব্রিজ। যেখানে শহরের মানুষজন মিলেছেন চায়ের আড্ডায়। সঙ্গে রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তুলছেন সেলফি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন