বড় ১০ প্রকল্পে ৪৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব
jugantor
বাজেট ২০২১-২২
বড় ১০ প্রকল্পে ৪৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব

  হামিদ-উজ-জামান  

১৮ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী অর্থবছরের বাজেটে পদ্মা সেতুসহ বড় ১০ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ প্রস্তাব করা হচ্ছে ৪৩ হাজার ৪৭৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এসব প্রকল্পের অনুকূলে চলতি অর্থবছরে সংশোধিত বরাদ্দ ছিল ৩১ হাজার ৫০৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে তুলনামূলক বরাদ্দ বাড়ছে ১২ হাজার ৩৭৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা। সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প। সর্বনিু পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দরের আনুষঙ্গিক কার্যক্রম প্রকল্পে বরাদ্দ ধরা হয়েছে।

অন্য প্রকল্পগুলো হলো-পদ্মা সেতু, মেট্রোরেললাইন ৬, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্প, কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, সাপোর্ট টু ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রজেক্ট, পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ এবং দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমারের কাছে গুনদুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় এই বরাদ্দ প্রস্তাব জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) বৈঠকে উপস্থাপন করা হচ্ছে আজ মঙ্গলবার।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও এনইসি চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। বৈঠকে আগামী অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি ১৪ লাখ টাকার এডিপি উপস্থাপন করা হচ্ছে। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান যুগান্তরকে বলেন, ফাস্ট ট্র্যাকভুক্তসহ বড় যেসব প্রকল্প উন্নয়নের অন্যতম মাইলফলক, সেসব প্রকল্পে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে আগামী বাজেটে। বর্তমানে চলছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। কিন্তু বড় প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন কাজ চলছে বিশেষ ব্যবস্থায়। আগামী অর্থবছরের এডিপিতে এসব প্রকল্পের অনুকূলে পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব করা হবে।

এক্ষেত্রে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা তাদের প্রয়োজনমতো যতটা চাহিদা দিয়েছে আমরা চেষ্টা করেছি ততটাই বরাদ্দ নিশ্চিত করতে। কেননা পদ্মা সেতুর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এটির যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে বিশেষ গুরুত্বের তালিকায় আছে মেট্রোরেলসহ অন্য বড় প্রকল্পগুলোও।

পরিকল্পনা কমিশনের প্রস্তাবনা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বড় এই ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুরু থেকে গত বছরের জুন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৯৯ হাজার ১৬৫ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছর চলতি অর্থবছরের তুলনায় বরাদ্দ বাড়ছে সাতটিতে আর কমছে তিনটি (মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ ও পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর) প্রকল্পে।

পদ্মা সেতু প্রকল্পে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত এডিপিতে বরাদ্দ আছে ২ হাজার ৯৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা। আগামী অর্থবছরের এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ছে ১ হাজার ৪০০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দ আছে ১০ হাজার ১৬৬ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। আগামী এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ১৮ হাজার ৪২৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। ফলে বরাদ্দ বাড়ছে আট হাজার ২৫৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।

এছাড়া মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্পে চলতি অর্থবছর সংশোধিত বরাদ্দ আছে ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা। নতুন এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ৬ হাজার ১৬২ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ছে ১ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা। কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্পে চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ আছে ১ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। নতুন এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। বরাদ্দ বাড়ছে ২২৫ কোটি টাকা।

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পে চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ আছে ৭১৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। নতুন এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ৩ হাজার ২২৭ কোটি টাকা ২০ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ছে ২ হাজার ৫১২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। সাপোর্ট টু ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রজেক্টে বরাদ্দ আছে ২৫৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। নতুন এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ৫৬৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

এক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ছে ৩০৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমারের কাছে গুনদুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ প্রকল্পে বরাদ্দ আছে ৯৯০ কোটি টাকা। নতুন এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ১ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ছে ৪৩৫ কোটি টাকা।

বরাদ্দ কমছে তিন প্রকল্পে: মেট্রোরেল প্রকল্পে চলতি অর্থবছর বরাদ্দ আছে ৫ হাজার ৫৪২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাব করা হচ্ছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে বরাদ্দ কমছে ৭৪২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ প্রকল্পে বরাদ্দ আছে ৫ হাজার ৪৫৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। নতুন এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ৩ হাজার ৮২৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা।

বরাদ্দ কমছে ১ হাজার ৬৩১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এছাড়া পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে সংশোধিত এডিপিতে বরাদ্দ আছে ৬৫১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আগামী অর্থবছরের এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ৩০০ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে বরাদ্দ কমছে ৩৫১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

নতুন এডিপির আকার: আগামী অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি ১৪ লাখ টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) উপস্থাপন করা হচ্ছে এনইসিতে। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৮৮ হাজার ২৪ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

এডিপির এই আকার চলতি অর্থবছরের মূল এডিপির তুলনায় ২০ হাজার ১৭৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা বেশি। এছাড়া সংশোধিত এডিপির তুলনায় ২৭ হাজার ৬৮১ কোটি ১৪ লাখ টাকা বেশি।

বাজেট ২০২১-২২

বড় ১০ প্রকল্পে ৪৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব

 হামিদ-উজ-জামান 
১৮ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী অর্থবছরের বাজেটে পদ্মা সেতুসহ বড় ১০ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ প্রস্তাব করা হচ্ছে ৪৩ হাজার ৪৭৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এসব প্রকল্পের অনুকূলে চলতি অর্থবছরে সংশোধিত বরাদ্দ ছিল ৩১ হাজার ৫০৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে তুলনামূলক বরাদ্দ বাড়ছে ১২ হাজার ৩৭৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা। সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প। সর্বনিু পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দরের আনুষঙ্গিক কার্যক্রম প্রকল্পে বরাদ্দ ধরা হয়েছে।

অন্য প্রকল্পগুলো হলো-পদ্মা সেতু, মেট্রোরেললাইন ৬, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্প, কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, সাপোর্ট টু ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রজেক্ট, পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ এবং দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমারের কাছে গুনদুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় এই বরাদ্দ প্রস্তাব জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) বৈঠকে উপস্থাপন করা হচ্ছে আজ মঙ্গলবার।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও এনইসি চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। বৈঠকে আগামী অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি ১৪ লাখ টাকার এডিপি উপস্থাপন করা হচ্ছে। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান যুগান্তরকে বলেন, ফাস্ট ট্র্যাকভুক্তসহ বড় যেসব প্রকল্প উন্নয়নের অন্যতম মাইলফলক, সেসব প্রকল্পে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে আগামী বাজেটে। বর্তমানে চলছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। কিন্তু বড় প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন কাজ চলছে বিশেষ ব্যবস্থায়। আগামী অর্থবছরের এডিপিতে এসব প্রকল্পের অনুকূলে পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব করা হবে।

এক্ষেত্রে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা তাদের প্রয়োজনমতো যতটা চাহিদা দিয়েছে আমরা চেষ্টা করেছি ততটাই বরাদ্দ নিশ্চিত করতে। কেননা পদ্মা সেতুর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এটির যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে বিশেষ গুরুত্বের তালিকায় আছে মেট্রোরেলসহ অন্য বড় প্রকল্পগুলোও।

পরিকল্পনা কমিশনের প্রস্তাবনা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বড় এই ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুরু থেকে গত বছরের জুন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৯৯ হাজার ১৬৫ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছর চলতি অর্থবছরের তুলনায় বরাদ্দ বাড়ছে সাতটিতে আর কমছে তিনটি (মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ ও পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর) প্রকল্পে।

পদ্মা সেতু প্রকল্পে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত এডিপিতে বরাদ্দ আছে ২ হাজার ৯৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা। আগামী অর্থবছরের এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ছে ১ হাজার ৪০০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দ আছে ১০ হাজার ১৬৬ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। আগামী এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ১৮ হাজার ৪২৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। ফলে বরাদ্দ বাড়ছে আট হাজার ২৫৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।

এছাড়া মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্পে চলতি অর্থবছর সংশোধিত বরাদ্দ আছে ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা। নতুন এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ৬ হাজার ১৬২ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ছে ১ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা। কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্পে চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ আছে ১ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। নতুন এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। বরাদ্দ বাড়ছে ২২৫ কোটি টাকা।

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পে চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ আছে ৭১৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। নতুন এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ৩ হাজার ২২৭ কোটি টাকা ২০ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ছে ২ হাজার ৫১২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। সাপোর্ট টু ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রজেক্টে বরাদ্দ আছে ২৫৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। নতুন এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ৫৬৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

এক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ছে ৩০৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমারের কাছে গুনদুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ প্রকল্পে বরাদ্দ আছে ৯৯০ কোটি টাকা। নতুন এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ১ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ছে ৪৩৫ কোটি টাকা।

বরাদ্দ কমছে তিন প্রকল্পে: মেট্রোরেল প্রকল্পে চলতি অর্থবছর বরাদ্দ আছে ৫ হাজার ৫৪২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাব করা হচ্ছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে বরাদ্দ কমছে ৭৪২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ প্রকল্পে বরাদ্দ আছে ৫ হাজার ৪৫৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। নতুন এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ৩ হাজার ৮২৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা।

বরাদ্দ কমছে ১ হাজার ৬৩১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এছাড়া পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে সংশোধিত এডিপিতে বরাদ্দ আছে ৬৫১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আগামী অর্থবছরের এডিপিতে প্রস্তাব করা হচ্ছে ৩০০ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে বরাদ্দ কমছে ৩৫১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

নতুন এডিপির আকার: আগামী অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি ১৪ লাখ টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) উপস্থাপন করা হচ্ছে এনইসিতে। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৮৮ হাজার ২৪ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

এডিপির এই আকার চলতি অর্থবছরের মূল এডিপির তুলনায় ২০ হাজার ১৭৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা বেশি। এছাড়া সংশোধিত এডিপির তুলনায় ২৭ হাজার ৬৮১ কোটি ১৪ লাখ টাকা বেশি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন