দেশে করোনার ৪ ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত
jugantor
জিনোম সিকোয়েন্সিং
দেশে করোনার ৪ ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৮ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং (নমুনা বিশ্লেষণ) করে চারটি ভ্যারিয়েন্ট (ধরন) শনাক্ত করা হয়েছে। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর, আন্তর্জাতিক উদারাময় গবেষণা কেন্দ্র-আইসিডিডিআর,বি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আইদেশি সম্প্রতি ২০০ নমুনা পরীক্ষা করে এই চারটি ধরন শনাক্ত করে। এগুলো হলো বি.১.১.৭ (ইউকে ভ্যারিয়েন্ট), বি.১.৩৫১ (সাউথ আফ্রিকা ভ্যারিয়েন্ট), বি.১.৫২৫ (নাইজেরিয়া ভ্যারিয়েন্ট) এবং বি.১.৬১৭.২ (ইন্ডিয়া ভ্যারিয়েন্ট)। ইতোমধ্যে শনাক্তকৃত এসব সিকোয়েন্স বৈশ্বিক ডেটাবেজ জিআইএসএআইডিতে জমা দেওয়া হয়েছে। আইইডিসিআর-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোভিড-১৯ মহামারির শুরু থেকে অ্যাক্টিভ কেস সার্চ, রোগ শনাক্তকরণ, কন্টাক্ট ট্রেসিং ও জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হচ্ছে। সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বিশ্বের সর্বোচ্চ কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আইইডিসিআর ভারত থেকে আগত ব্যক্তিদের মধ্যে রোগতাত্ত্বিক তদন্ত ও সন্দেহজনক রোগীদের জিনোম সিকোয়েন্সিং করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আইইডিসিআর এপ্রিলে ভারত থেকে আসা ২৬ সন্দেহজনক কোভিড-১৯ রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে ৬ জনের নমুনায় ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট বি.১.৬১৭.২ শনাক্ত করে। এই ভ্যারিয়েন্টকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন’ হিসাবে ঘোষণা দিয়েছে। ইতোমধ্যে ভ্যারিয়েন্টটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৪৪টি দেশে শনাক্ত হয়েছে।

আইইডিসিআর জানায়, আক্রান্ত রোগীদের সবাই ১ থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে ভারতের চেন্নাই, ব্যাঙ্গালোর, হরিয়ানা এবং পশ্চিমবঙ্গে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন। এই ছয়জনের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের সদস্য। বয়স ৭ থেকে ৭৫ বছর। সবাই এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন এবং বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশনে ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন বয়স্ক ব্যক্তি ক্যানসারসহ অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং পরে মারা যান।

জিনোম সিকোয়েন্সিং

দেশে করোনার ৪ ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৮ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং (নমুনা বিশ্লেষণ) করে চারটি ভ্যারিয়েন্ট (ধরন) শনাক্ত করা হয়েছে। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর, আন্তর্জাতিক উদারাময় গবেষণা কেন্দ্র-আইসিডিডিআর,বি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আইদেশি সম্প্রতি ২০০ নমুনা পরীক্ষা করে এই চারটি ধরন শনাক্ত করে। এগুলো হলো বি.১.১.৭ (ইউকে ভ্যারিয়েন্ট), বি.১.৩৫১ (সাউথ আফ্রিকা ভ্যারিয়েন্ট), বি.১.৫২৫ (নাইজেরিয়া ভ্যারিয়েন্ট) এবং বি.১.৬১৭.২ (ইন্ডিয়া ভ্যারিয়েন্ট)। ইতোমধ্যে শনাক্তকৃত এসব সিকোয়েন্স বৈশ্বিক ডেটাবেজ জিআইএসএআইডিতে জমা দেওয়া হয়েছে। আইইডিসিআর-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোভিড-১৯ মহামারির শুরু থেকে অ্যাক্টিভ কেস সার্চ, রোগ শনাক্তকরণ, কন্টাক্ট ট্রেসিং ও জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হচ্ছে। সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বিশ্বের সর্বোচ্চ কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আইইডিসিআর ভারত থেকে আগত ব্যক্তিদের মধ্যে রোগতাত্ত্বিক তদন্ত ও সন্দেহজনক রোগীদের জিনোম সিকোয়েন্সিং করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আইইডিসিআর এপ্রিলে ভারত থেকে আসা ২৬ সন্দেহজনক কোভিড-১৯ রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে ৬ জনের নমুনায় ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট বি.১.৬১৭.২ শনাক্ত করে। এই ভ্যারিয়েন্টকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন’ হিসাবে ঘোষণা দিয়েছে। ইতোমধ্যে ভ্যারিয়েন্টটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৪৪টি দেশে শনাক্ত হয়েছে।

আইইডিসিআর জানায়, আক্রান্ত রোগীদের সবাই ১ থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে ভারতের চেন্নাই, ব্যাঙ্গালোর, হরিয়ানা এবং পশ্চিমবঙ্গে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন। এই ছয়জনের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের সদস্য। বয়স ৭ থেকে ৭৫ বছর। সবাই এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন এবং বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশনে ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন বয়স্ক ব্যক্তি ক্যানসারসহ অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং পরে মারা যান।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন