রাজাপুরে আ.লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
jugantor
রাজাপুরে আ.লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
বাবুগঞ্জ ইউএনওসহ ১৯ জনের নামে মামলা, গ্রেফতার ৩

  ঝালকাঠি ও রাজাপুর প্রতিনিধি  

১৯ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঝালকাঠির রাজাপুরে জমি নিয়ে বিরোধে মো. হালিম খলিফা নামে এক আওয়ামী লীগ নেতা কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার রাতে উপজেলার চরহাইলাকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হালিম মঠবাড়ি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও একই এলাকার মজিদ খলিফার ছেলে। এ ঘটনায় সোমবার রাতেই হালিম খলিফার স্ত্রী সুখি আক্তার বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার এজাহারভুক্ত ১নং আসামি মন্টু খলিফা, ৩নং আসামি মন্টুর স্ত্রী শিউলি বেগম ও ৮নং আসামি সেলিম খানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যার হুকুমদাতা হিসাবে মামলার ১২ নম্বর আসামি করা হয়েছে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে সুমনকে। তিনি চরহাইলাকাঠি গ্রামের আমজেদ শিকদারের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্র ও নিহত হালিম খলিফার বোন ফেরদৌসি আক্তার জানান, হালিম খলিফা ও মামলার প্রধান আসামি মন্টু খলিফা একে অপরের আত্মীয় ও প্রতিবেশী। তাদের মধ্যে বাড়ির পাশেই আড়াই শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। হালিম খলিফার দখলে ছিল ওই জমি। এ জমি কেনার জন্য মন্টুর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন প্রতিবেশী বর্তমানে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম সুমন। সোমবার রাত ৯টার দিকে মন্টু খলিফার নেতৃত্বে আসামিরা হালিম খলিফার ওপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় হালিমের চিৎকারে তার স্ত্রী সুখি আক্তার এগিয়ে এলে তাকেও কোপানো হয়। হালিমকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মঙ্গলবার ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইসলাম সুমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। ওখানে আমার গ্রামের বাড়ি। তাদের উভয় পরিবারের মধ্যে আগে মামলা ছিল। বাদীপক্ষ মনে করে, আমরা অপরপক্ষকে সহযোগিতা করি, এটা তাদের ভুল ধারণা।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

রাজাপুরে আ.লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বাবুগঞ্জ ইউএনওসহ ১৯ জনের নামে মামলা, গ্রেফতার ৩
 ঝালকাঠি ও রাজাপুর প্রতিনিধি 
১৯ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঝালকাঠির রাজাপুরে জমি নিয়ে বিরোধে মো. হালিম খলিফা নামে এক আওয়ামী লীগ নেতা কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার রাতে উপজেলার চরহাইলাকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হালিম মঠবাড়ি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও একই এলাকার মজিদ খলিফার ছেলে। এ ঘটনায় সোমবার রাতেই হালিম খলিফার স্ত্রী সুখি আক্তার বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার এজাহারভুক্ত ১নং আসামি মন্টু খলিফা, ৩নং আসামি মন্টুর স্ত্রী শিউলি বেগম ও ৮নং আসামি সেলিম খানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যার হুকুমদাতা হিসাবে মামলার ১২ নম্বর আসামি করা হয়েছে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে সুমনকে। তিনি চরহাইলাকাঠি গ্রামের আমজেদ শিকদারের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্র ও নিহত হালিম খলিফার বোন ফেরদৌসি আক্তার জানান, হালিম খলিফা ও মামলার প্রধান আসামি মন্টু খলিফা একে অপরের আত্মীয় ও প্রতিবেশী। তাদের মধ্যে বাড়ির পাশেই আড়াই শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। হালিম খলিফার দখলে ছিল ওই জমি। এ জমি কেনার জন্য মন্টুর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন প্রতিবেশী বর্তমানে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম সুমন। সোমবার রাত ৯টার দিকে মন্টু খলিফার নেতৃত্বে আসামিরা হালিম খলিফার ওপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় হালিমের চিৎকারে তার স্ত্রী সুখি আক্তার এগিয়ে এলে তাকেও কোপানো হয়। হালিমকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মঙ্গলবার ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইসলাম সুমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। ওখানে আমার গ্রামের বাড়ি। তাদের উভয় পরিবারের মধ্যে আগে মামলা ছিল। বাদীপক্ষ মনে করে, আমরা অপরপক্ষকে সহযোগিতা করি, এটা তাদের ভুল ধারণা।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন