পশ্চিমবঙ্গের চার নেতা-মন্ত্রীর জামিন স্থগিত
jugantor
পশ্চিমবঙ্গের চার নেতা-মন্ত্রীর জামিন স্থগিত

  কৃষ্ণকুমার দাস, কলকাতা  

১৯ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নারদকাণ্ড মামলায় নাটকীয়ভাবে সকালে গ্রেফতার, সন্ধ্যায় নিম্ন আদালতে জামিন, কিন্তু রাত সাড়ে ১০টায় সেই নির্দেশের ওপরই স্থগিতাদেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের নির্দেশে বুধবার পর্যন্ত প্রেসিডেন্সি জেলেই যেতে হচ্ছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। কিন্তু সোমবার গভীর রাতে জেলে গেলেও মঙ্গলবার ভোরে শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা হওয়ায় মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়কে পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন অসুস্থ হয়ে সেখানেই ভর্তি হয়েছেন ৭৬ বছরের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। গ্রেফতার তিন হেভিওয়েট নেতার চিকিৎসায় তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে পিজি।

‘কাজের পরিবেশ’ না থাকায় সারদা মামলার মতোই নারদকাণ্ডের শুনানিতেও ভারতের অন্য রাজ্যে নিয়ে যেতে চেয়ে হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে আবেদন করে সিবিআই। দুটি বিষয়েরই শুনানি হওয়ার কথা বুধবার। মঙ্গলবার ফের হাইকোর্টেই জামিনের পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছেন গ্রেফতার হওয়া চার নেতা-মন্ত্রী। মন্ত্রীদের পক্ষের আইনজীবী অনিন্দ্য রাউত জানিয়েছেন, ‘সব শুনানিই বুধবার হবে।’ স্বভাবতই ফিরহাদ হাকিমরা জামিন পাবেন কিনা এবং মামলা কলকাতা থেকে সরে অন্য শহরে চলে যাবে কিনা তা আজ জানা যেতে পারে। গ্রেফতারদের আইনজীবী ও তৃণমূল সংসদ সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ‘আমাদের কাউকে না জানিয়ে একতরফা শুনানি করে এ স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। পুরোটার পেছনে কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপির গভীর চক্রান্ত রয়েছে।’

প্রায় ১১ ঘণ্টার নাটকীয় মুহূর্ত পেরিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় নারদ মামলায় শর্তসাপেক্ষে জামিন পান পশ্চিমবঙ্গের দুই হেভিওয়েট মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিম। জামিন পান ফিরহাদদের সঙ্গেই পৃথকভাবে বাড়ি থেকে গ্রেফতার হওয়া দুই সাবেক মন্ত্রী মদন মিত্র ও সাবেক মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ও। এদিন মামলায় এ চারজন ছাড়াও সাসপেন্ড আইপিএস মির্জার বিরুদ্ধেও চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। গ্রেফতার চারজনকেই যেহেতু রাখা হয়েছিল নিজাম প্যালেসে, তাই মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে তৃণমূলের একাধিক সংসদ সদস্য, বিধায়কের দফায় দফায় উপস্থিতি ছিল সিবিআই দফতরেই। তৃণমূল শিবিরের অভিযোগ, ‘ভোটে হেরে যাওয়ার পর প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে বিজেপি সিবিআইকে দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে প্রতিশোধ নিচ্ছে।’ প্রায় ৬ ঘণ্টা থাকার পরে কোর্টে শুনানি শেষ হতেই আদালতেই আস্থার কথা জানিয়ে নবান্নে যান মমতা ব্যানার্জি।

পশ্চিমবঙ্গের চার নেতা-মন্ত্রীর জামিন স্থগিত

 কৃষ্ণকুমার দাস, কলকাতা 
১৯ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নারদকাণ্ড মামলায় নাটকীয়ভাবে সকালে গ্রেফতার, সন্ধ্যায় নিম্ন আদালতে জামিন, কিন্তু রাত সাড়ে ১০টায় সেই নির্দেশের ওপরই স্থগিতাদেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের নির্দেশে বুধবার পর্যন্ত প্রেসিডেন্সি জেলেই যেতে হচ্ছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। কিন্তু সোমবার গভীর রাতে জেলে গেলেও মঙ্গলবার ভোরে শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা হওয়ায় মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়কে পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন অসুস্থ হয়ে সেখানেই ভর্তি হয়েছেন ৭৬ বছরের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। গ্রেফতার তিন হেভিওয়েট নেতার চিকিৎসায় তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে পিজি।

‘কাজের পরিবেশ’ না থাকায় সারদা মামলার মতোই নারদকাণ্ডের শুনানিতেও ভারতের অন্য রাজ্যে নিয়ে যেতে চেয়ে হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে আবেদন করে সিবিআই। দুটি বিষয়েরই শুনানি হওয়ার কথা বুধবার। মঙ্গলবার ফের হাইকোর্টেই জামিনের পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছেন গ্রেফতার হওয়া চার নেতা-মন্ত্রী। মন্ত্রীদের পক্ষের আইনজীবী অনিন্দ্য রাউত জানিয়েছেন, ‘সব শুনানিই বুধবার হবে।’ স্বভাবতই ফিরহাদ হাকিমরা জামিন পাবেন কিনা এবং মামলা কলকাতা থেকে সরে অন্য শহরে চলে যাবে কিনা তা আজ জানা যেতে পারে। গ্রেফতারদের আইনজীবী ও তৃণমূল সংসদ সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ‘আমাদের কাউকে না জানিয়ে একতরফা শুনানি করে এ স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। পুরোটার পেছনে কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপির গভীর চক্রান্ত রয়েছে।’

প্রায় ১১ ঘণ্টার নাটকীয় মুহূর্ত পেরিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় নারদ মামলায় শর্তসাপেক্ষে জামিন পান পশ্চিমবঙ্গের দুই হেভিওয়েট মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিম। জামিন পান ফিরহাদদের সঙ্গেই পৃথকভাবে বাড়ি থেকে গ্রেফতার হওয়া দুই সাবেক মন্ত্রী মদন মিত্র ও সাবেক মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ও। এদিন মামলায় এ চারজন ছাড়াও সাসপেন্ড আইপিএস মির্জার বিরুদ্ধেও চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। গ্রেফতার চারজনকেই যেহেতু রাখা হয়েছিল নিজাম প্যালেসে, তাই মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে তৃণমূলের একাধিক সংসদ সদস্য, বিধায়কের দফায় দফায় উপস্থিতি ছিল সিবিআই দফতরেই। তৃণমূল শিবিরের অভিযোগ, ‘ভোটে হেরে যাওয়ার পর প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে বিজেপি সিবিআইকে দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে প্রতিশোধ নিচ্ছে।’ প্রায় ৬ ঘণ্টা থাকার পরে কোর্টে শুনানি শেষ হতেই আদালতেই আস্থার কথা জানিয়ে নবান্নে যান মমতা ব্যানার্জি।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন