করোনা সংক্রান্ত সব কেনাকাটায় ৪৬ কর্মকর্তা
jugantor
করোনা সংক্রান্ত সব কেনাকাটায় ৪৬ কর্মকর্তা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১০ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সব ধরনের কেনাকাটা, নির্মাণ, মেরামত ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারের দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৪৬ কর্মকর্তা। বুধবার বিকালে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আনজুমান আরা স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।

আদেশে কর্মকর্তাদের কর্মপরিধি প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক সমাধানের উদ্যোগ নেবেন তারা। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের চলমান মেরামত, ক্রয়, নির্মাণ কার্যক্রম পরিবীক্ষণ করবেন। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, যন্ত্রপাতি ব্যবহার, আউট সোর্স জনবল, খাদ্য ও ওষুধ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম দেখবেন। কর্মকর্তারা তাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ মাসে অন্তত একবার পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শন করতে না পারলে যোগাযোগের মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদন করবেন। অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিজ এলাকার বাইরে অন্য জেলা পরিদর্শন করতে পারবেন। উপসচিবরা মেডিকেল কলেজে যেতে পারবেন না। তবে জেলার অন্যসব চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারবেন। পরিদর্শনের ৭ দিনের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশ প্রতিবেদন আকারে দাখিল করতে হবে।

তালিকায় ঢাকা মহানগরে দাযিত্ব পেয়েছেন অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগম, চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বে মোহাম্মদ শাহদাত হোসেন। ঢাকা অঞ্চল-১ (ঢাকা, নরসিংদী, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ) নাজমুল হক খান, রাজশাহী বিভাগে সাইদুর রহমান, রংপুর বিভাগে বেগম রাশেদা আক্তার, সিলেট বিভাগে মুহিবুর রহমান, বরিশাল বিভাগে এনামুল হক, ময়মনসিংহ বিভাগে তাহমিদুল ইসলাম, ঢাকা অঞ্চল-২-এ (মুন্সীগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও রাজবাড়ী) হেলাল উদ্দিন, খুলনা বিভাগে হোসেন আলী খোন্দকার।

এছাড়া জামালপুর জেলার দায়িত্বে যুগ্ম সচিব বেগম নিলুফার নাজনীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জে মো. অলিউল্লাহ, ঝালকাঠি ও ভোলায় মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটিতে ডা. এএম পারভেজ রহিম, গোপালগঞ্জ ও শরীয়তপুরে এসএম আলম, সিরাজগঞ্জ ও খাগড়াছড়িতে সাইফুল্লাহিল আজম, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে ড. এনামুল হক, রংপুর ও দিনাজপুরে মনোজ কুমার রায়, ঠাকুরগাঁও ও জয়পুরহাটে সাবিনা আলম, নাটোর ও রাজবাড়ীতে বেগম উম্মে সালমা তানজিয়া, নেত্রকোনা ও ফেনীতে মজিবুর রহমান, নড়াইল ও বাগেরহাটে আলমগীর হোসাইন। কুমিল্লা জেলার দায়িত্বে উপসচিব ডা. শিব্বির আহমেদ ওসমানী, ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গায় বেগম রোকেয়া বেগম, মাদারীপুর ও সুনামগঞ্জে রফিকুল ইসলাম, কক্সবাজারে মু জসীম উদ্দীন খান, পিরোজপুর ও রাজশাহী মিনা মাসুদ উজ্জামান খান, মানিকগঞ্জ ও বান্দরবান ড. বিলকিস বেগম, পঞ্চগড় ও নীলফামারীতে আবু রায়হান মিয়া, বরগুনা ও মুন্সীগঞ্জে আবদুস ছালাম, সিলেট ও পটুয়াখালীতে বেগম জাকিয়া পারভিন, ফরিদপুর ও মাগুরায় বেগম আনজুমান আরা, নোয়াখালী ও চাঁদপুরে মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন, কুষ্টিয়া ও পাবনায় খোন্দকার জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ ও লক্ষ্মীপুরে সাইফুল ইসলাম, মৌলভীবাজারে রিয়াজুল হক, বরিশাল ও নারায়ণগঞ্জে কামরুল হাসান, টাঙ্গাইল ও শেরপুর এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, লালমনিরহাট ও মেহেরপুরে সাদেকুল ইসলাম, গাজীপুর ও নরসিংদীতে শাহাদাত খোন্দকার, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইকবাল হোসেন, সাতক্ষীরায় বেগম উম্মে হাবিবা, কিশোরগঞ্জে শাহদত হোসেন, ঢাকায় বেগম শায়লা শার্মিন জামান, নওগাঁয় বেগম নুরুন নাহার, খুলনা ও যশোরে মোছা. সুস্মিতা ইসলাম।

করোনা সংক্রান্ত সব কেনাকাটায় ৪৬ কর্মকর্তা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১০ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সব ধরনের কেনাকাটা, নির্মাণ, মেরামত ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারের দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৪৬ কর্মকর্তা। বুধবার বিকালে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আনজুমান আরা স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।

আদেশে কর্মকর্তাদের কর্মপরিধি প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক সমাধানের উদ্যোগ নেবেন তারা। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের চলমান মেরামত, ক্রয়, নির্মাণ কার্যক্রম পরিবীক্ষণ করবেন। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, যন্ত্রপাতি ব্যবহার, আউট সোর্স জনবল, খাদ্য ও ওষুধ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম দেখবেন। কর্মকর্তারা তাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ মাসে অন্তত একবার পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শন করতে না পারলে যোগাযোগের মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদন করবেন। অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিজ এলাকার বাইরে অন্য জেলা পরিদর্শন করতে পারবেন। উপসচিবরা মেডিকেল কলেজে যেতে পারবেন না। তবে জেলার অন্যসব চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারবেন। পরিদর্শনের ৭ দিনের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশ প্রতিবেদন আকারে দাখিল করতে হবে।

তালিকায় ঢাকা মহানগরে দাযিত্ব পেয়েছেন অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগম, চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বে মোহাম্মদ শাহদাত হোসেন। ঢাকা অঞ্চল-১ (ঢাকা, নরসিংদী, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ) নাজমুল হক খান, রাজশাহী বিভাগে সাইদুর রহমান, রংপুর বিভাগে বেগম রাশেদা আক্তার, সিলেট বিভাগে মুহিবুর রহমান, বরিশাল বিভাগে এনামুল হক, ময়মনসিংহ বিভাগে তাহমিদুল ইসলাম, ঢাকা অঞ্চল-২-এ (মুন্সীগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও রাজবাড়ী) হেলাল উদ্দিন, খুলনা বিভাগে হোসেন আলী খোন্দকার।

এছাড়া জামালপুর জেলার দায়িত্বে যুগ্ম সচিব বেগম নিলুফার নাজনীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জে মো. অলিউল্লাহ, ঝালকাঠি ও ভোলায় মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটিতে ডা. এএম পারভেজ রহিম, গোপালগঞ্জ ও শরীয়তপুরে এসএম আলম, সিরাজগঞ্জ ও খাগড়াছড়িতে সাইফুল্লাহিল আজম, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে ড. এনামুল হক, রংপুর ও দিনাজপুরে মনোজ কুমার রায়, ঠাকুরগাঁও ও জয়পুরহাটে সাবিনা আলম, নাটোর ও রাজবাড়ীতে বেগম উম্মে সালমা তানজিয়া, নেত্রকোনা ও ফেনীতে মজিবুর রহমান, নড়াইল ও বাগেরহাটে আলমগীর হোসাইন। কুমিল্লা জেলার দায়িত্বে উপসচিব ডা. শিব্বির আহমেদ ওসমানী, ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গায় বেগম রোকেয়া বেগম, মাদারীপুর ও সুনামগঞ্জে রফিকুল ইসলাম, কক্সবাজারে মু জসীম উদ্দীন খান, পিরোজপুর ও রাজশাহী মিনা মাসুদ উজ্জামান খান, মানিকগঞ্জ ও বান্দরবান ড. বিলকিস বেগম, পঞ্চগড় ও নীলফামারীতে আবু রায়হান মিয়া, বরগুনা ও মুন্সীগঞ্জে আবদুস ছালাম, সিলেট ও পটুয়াখালীতে বেগম জাকিয়া পারভিন, ফরিদপুর ও মাগুরায় বেগম আনজুমান আরা, নোয়াখালী ও চাঁদপুরে মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন, কুষ্টিয়া ও পাবনায় খোন্দকার জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ ও লক্ষ্মীপুরে সাইফুল ইসলাম, মৌলভীবাজারে রিয়াজুল হক, বরিশাল ও নারায়ণগঞ্জে কামরুল হাসান, টাঙ্গাইল ও শেরপুর এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, লালমনিরহাট ও মেহেরপুরে সাদেকুল ইসলাম, গাজীপুর ও নরসিংদীতে শাহাদাত খোন্দকার, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইকবাল হোসেন, সাতক্ষীরায় বেগম উম্মে হাবিবা, কিশোরগঞ্জে শাহদত হোসেন, ঢাকায় বেগম শায়লা শার্মিন জামান, নওগাঁয় বেগম নুরুন নাহার, খুলনা ও যশোরে মোছা. সুস্মিতা ইসলাম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন