বাংলাদেশ রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারছে না
jugantor
চীনের বাজারে অংশীদারত্ব মাত্র ০.০৫ শতাংশ
বাংলাদেশ রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারছে না

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১০ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও তা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। চীন গত বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ২ দশমিক ৪৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করে। এখানে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব মাত্র ০.০৫ শতাংশ। পণ্য রপ্তানিতে চীন বাংলাদেশকে যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে, এর ব্যবহার এবং দেশটি থেকে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা (এফটিএ) নিতে পারলে রপ্তানি অনেক বেড়ে যাবে। চীনের আমদানি বাজারের মাত্র ১ শতাংশ দখল করতে পারলেই বাংলাদেশ বছরে ২৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করতে পারবে। দেশটিতে বর্তমানে ১ বিলিয়ন ডলারের কম মূল্যের পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে বাংলাদেশ। বুধবার ‘বাংলাদেশ-চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড রিলেশনস ইন দ্য আফটারমাথ অব দ্য কোভিড-১৯ গ্লোবাল প্যান্ডেমিক’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) ও বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই) যৌথভাবে সেমিনারের আয়োজন করে।

ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এসএম রাশিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লিজিমিং, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ও চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্স ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআরআই) গবেষণা পরিচালক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। আলোচনায় অংশ নেন বিসিসিসিআই সভাপতি গাজী গোলাম মর্তুজা, ইআরএফ সভাপতি শারমীন রিনভী, বিসিসিসিআই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল মামুন মৃধা, সিনিয়র সহসভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহ মো. সুলতান উদ্দীন ইকবাল প্রমুখ।

মূল প্রবন্ধে ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতা বলছে, ২০২৮ সালে চীন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ হবে। অন্যদিকে চীন এখনই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক দেশ। দেশটি বর্তমান বৈশ্বিক রপ্তানি বাণিজ্যের এক-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। রপ্তানির পাশাপাশি চীনের আমদানি বাজারও বেশ বড়। সর্বশেষ বছরে দেশটি ২ দশমিক ৬৯ ট্রিলিয়ন ডলার রপ্তানির বিপরীতে ২ দশমিক ৪৮ ট্রিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। বিপুল ভোক্তাবাজারে বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, চীন বৈশ্বিক বাজার থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি করছে, বাংলাদেশ তার মাত্র ০ দশমিক ০৫ শতাংশ সরবরাহ করছে। এটি যদি ১ শতাংশে উন্নীত করা যায়, তবে চীনের বাজারে অতিরিক্ত ২৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি সম্ভব। এক্ষেত্রে তৈরি পোশাকের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

ড. রাজ্জাক বলেন, তৈরি পোশাকের বাজারের জন্য চীন একটি বড় আমদানিকেন্দ্র হিসাবে রূপান্তরিত হচ্ছে। চীনের আরএমজি বাজারের বর্তমানে ৭ শতাংশ বাংলাদেশের দখলে। যেখানে ভিয়েতনামের দখলে ১৯ শতাংশের বেশি। এখানে একটু নজর দিলেই বিশাল বাজার খুঁজে পাওয়া যাবে।

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে দেশটিতে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিপুল সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। গত বছর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে মোট বাণিজ্য ছিল ১২ দশমিক ০৯ বিলিয়ন। এর মধ্যে চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানি ছিল ১১ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন এবং চীন থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি ৬০ মিলিয়ন ডলার। উভয় দেশের বর্তমান বাণিজ্য সম্পর্ক চীনের পক্ষে। ২০২০ সালে চীন আমাদের জন্য ৯৭ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে। এ সুযোগটি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশও বাণিজ্যে সুবিধা নিতে পারবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের অ্যাম্বাসেডর লিজি মিং বলেন, চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বহুদিনের। ৪৫ বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের লেনদেনে সুষম গতি বজায় রয়েছে। অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে সহায়তা ক্রমাগত গভীর হচ্ছে। গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশকে ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে চীন। ফলে চীনের বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্যের জন্য এটি নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গত বছর বাংলাদেশ থেকে চীনের পণ্য আমদানি ২৮ শতাংশ বেড়েছে। ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। দুই দেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য তৈরি হবে। তিনি বলেন, ‘উভয় দেশের বাণিজ্য বাড়াতে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা ছাড়াও এফটিএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে আরও বেশি কাজ করতে হবে।’

লিজি মিং আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে চীনের অভ্যন্তরে কারোনা ভ্যাকসিনের বিপুল চাহিদা রয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সরবরাহও খুব সীমিত। এর মধ্যেও বন্ধুত্বের কারণে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন। সিনোফার্মের ৫ লাখ টিকা উপহার দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশকে। উপহারের আরও ৬ লাখ টিকা আসার অপেক্ষায় রয়েছে। আমরা এখন চীনের ভ্যাকসিনের প্রকিউরমেন্টের বিষয়টি নিয়ে অপেক্ষা করছি। বাংলাদেশ-চীনের যৌথ উৎপাদনের আলোচনার অগ্রগতিও আশাব্যঞ্জক।’

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বলেন, চীন-বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক প্রাচীনকাল থেকেই রয়েছে। সিল্করুট থেকে বর্তমান ডিপ্লোম্যাটিক সময়ে এ সম্পর্ক আরও বেড়েছে। আমাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক এখন একটি মজবুত ভিতের ওপর রয়েছে। বাণিজ্যের পাশাপাশি আমাদের বড় বড় প্রকল্পে চীনের সহায়তা সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

চীনের বাজারে অংশীদারত্ব মাত্র ০.০৫ শতাংশ

বাংলাদেশ রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারছে না

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১০ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও তা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। চীন গত বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ২ দশমিক ৪৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করে। এখানে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব মাত্র ০.০৫ শতাংশ। পণ্য রপ্তানিতে চীন বাংলাদেশকে যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে, এর ব্যবহার এবং দেশটি থেকে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা (এফটিএ) নিতে পারলে রপ্তানি অনেক বেড়ে যাবে। চীনের আমদানি বাজারের মাত্র ১ শতাংশ দখল করতে পারলেই বাংলাদেশ বছরে ২৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করতে পারবে। দেশটিতে বর্তমানে ১ বিলিয়ন ডলারের কম মূল্যের পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে বাংলাদেশ। বুধবার ‘বাংলাদেশ-চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড রিলেশনস ইন দ্য আফটারমাথ অব দ্য কোভিড-১৯ গ্লোবাল প্যান্ডেমিক’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) ও বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই) যৌথভাবে সেমিনারের আয়োজন করে।

ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এসএম রাশিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লিজিমিং, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ও চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্স ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআরআই) গবেষণা পরিচালক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। আলোচনায় অংশ নেন বিসিসিসিআই সভাপতি গাজী গোলাম মর্তুজা, ইআরএফ সভাপতি শারমীন রিনভী, বিসিসিসিআই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল মামুন মৃধা, সিনিয়র সহসভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহ মো. সুলতান উদ্দীন ইকবাল প্রমুখ।

মূল প্রবন্ধে ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতা বলছে, ২০২৮ সালে চীন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ হবে। অন্যদিকে চীন এখনই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক দেশ। দেশটি বর্তমান বৈশ্বিক রপ্তানি বাণিজ্যের এক-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। রপ্তানির পাশাপাশি চীনের আমদানি বাজারও বেশ বড়। সর্বশেষ বছরে দেশটি ২ দশমিক ৬৯ ট্রিলিয়ন ডলার রপ্তানির বিপরীতে ২ দশমিক ৪৮ ট্রিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। বিপুল ভোক্তাবাজারে বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, চীন বৈশ্বিক বাজার থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি করছে, বাংলাদেশ তার মাত্র ০ দশমিক ০৫ শতাংশ সরবরাহ করছে। এটি যদি ১ শতাংশে উন্নীত করা যায়, তবে চীনের বাজারে অতিরিক্ত ২৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি সম্ভব। এক্ষেত্রে তৈরি পোশাকের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

ড. রাজ্জাক বলেন, তৈরি পোশাকের বাজারের জন্য চীন একটি বড় আমদানিকেন্দ্র হিসাবে রূপান্তরিত হচ্ছে। চীনের আরএমজি বাজারের বর্তমানে ৭ শতাংশ বাংলাদেশের দখলে। যেখানে ভিয়েতনামের দখলে ১৯ শতাংশের বেশি। এখানে একটু নজর দিলেই বিশাল বাজার খুঁজে পাওয়া যাবে।

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে দেশটিতে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিপুল সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। গত বছর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে মোট বাণিজ্য ছিল ১২ দশমিক ০৯ বিলিয়ন। এর মধ্যে চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানি ছিল ১১ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন এবং চীন থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি ৬০ মিলিয়ন ডলার। উভয় দেশের বর্তমান বাণিজ্য সম্পর্ক চীনের পক্ষে। ২০২০ সালে চীন আমাদের জন্য ৯৭ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে। এ সুযোগটি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশও বাণিজ্যে সুবিধা নিতে পারবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের অ্যাম্বাসেডর লিজি মিং বলেন, চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বহুদিনের। ৪৫ বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের লেনদেনে সুষম গতি বজায় রয়েছে। অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে সহায়তা ক্রমাগত গভীর হচ্ছে। গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশকে ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে চীন। ফলে চীনের বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্যের জন্য এটি নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গত বছর বাংলাদেশ থেকে চীনের পণ্য আমদানি ২৮ শতাংশ বেড়েছে। ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। দুই দেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য তৈরি হবে। তিনি বলেন, ‘উভয় দেশের বাণিজ্য বাড়াতে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা ছাড়াও এফটিএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে আরও বেশি কাজ করতে হবে।’

লিজি মিং আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে চীনের অভ্যন্তরে কারোনা ভ্যাকসিনের বিপুল চাহিদা রয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সরবরাহও খুব সীমিত। এর মধ্যেও বন্ধুত্বের কারণে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন। সিনোফার্মের ৫ লাখ টিকা উপহার দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশকে। উপহারের আরও ৬ লাখ টিকা আসার অপেক্ষায় রয়েছে। আমরা এখন চীনের ভ্যাকসিনের প্রকিউরমেন্টের বিষয়টি নিয়ে অপেক্ষা করছি। বাংলাদেশ-চীনের যৌথ উৎপাদনের আলোচনার অগ্রগতিও আশাব্যঞ্জক।’

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বলেন, চীন-বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক প্রাচীনকাল থেকেই রয়েছে। সিল্করুট থেকে বর্তমান ডিপ্লোম্যাটিক সময়ে এ সম্পর্ক আরও বেড়েছে। আমাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক এখন একটি মজবুত ভিতের ওপর রয়েছে। বাণিজ্যের পাশাপাশি আমাদের বড় বড় প্রকল্পে চীনের সহায়তা সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন