যুদ্ধের প্রস্তুতি নিন ক্ষমতা ছিনিয়ে আনতে হবে
jugantor
নেতাকর্মীদের মির্জা ফখরুল
যুদ্ধের প্রস্তুতি নিন ক্ষমতা ছিনিয়ে আনতে হবে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১০ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগের কাছ থেকে লড়াই করে ক্ষমতা ছিনিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নেতাকর্মীদের যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শর্টকাট কোনো রাস্তা নেই। যুদ্ধ করতেই হবে। মেধা ও প্রজ্ঞার লড়াইয়ের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে আনতে হবে। এমনি এমনি আওয়ামী লীগ ক্ষমতা দেবে না। এরা একেবারেই ডিক্টেটর বনে গেছে। নির্বাচন করে এরা কোনোদিন জিততে পারবে না। এরা নির্বাচন নিয়ে তামাশা করবে। সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে নিজেদের জয়ী করবে। যেমনটা ২০১৮ ও ২০১৪ সালে করেছে।

নয়াপল্টনে বুধবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বই প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কার্যালয়ের নিচতলায় জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ও জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থার যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, নির্বাচন করে কখনো আওয়ামী লীগ জিততে পারবে না জেনেই স্বৈরাচারী কায়দায় ক্ষমতায় টিকে আছে। নির্বাচনের সময় এলেই জনগণকে ধোঁকা দিয়ে তারা নির্বাচনি খেলা তৈরি করে।

তিনি বলেন, দেশে এখন দুই শত্রু। একদিকে আওয়ামী লীগ, আরেকদিকে করোনা। এই এই দুই দানব তছনছ করে দিচ্ছে আমাদের সবকিছু। সেজন্য আমরা বাধাগ্রস্ত হচ্ছি। কিন্তু একে জয় করতে হবে। পৃথিবীর সব বড় বড় বিজয়, বড় বড় বিপ্লব, বড় বড় অর্জন কিন্তু একটা স্লোগানে-‘আমরা করব জয়’। এই স্লোগান দিয়েই আমাদের জয় করতে হবে।

বিএনপিকে নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ওদের কথার কী উত্তর দেব। ওবায়দুল কাদের সাহেবদের কথায় এখন ঘোড়াও হাসে। কখন কী বলে না বলে, তারা নিজেরাও জানে না। আর মিথ্যা বলতে বলতে এমন একটা জায়গায় চলে গেছে ওই যে গোয়েবলসীয় প্রচারের মতো।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, গোয়েবলস ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জার্মানের নাৎসিবাদী ফ্যাসিস্ট হিটলারের প্রচারমন্ত্রী। হাছান মাহমুদের মতো। অনর্গল মিথ্যা বলেই যাচ্ছেন অবলীলায়, খুব শান্ত মেজাজে বলে কিন্তু। জোরে বলে না, রাগ করে বলে, মনে হয় যেন না ঠিকই বলছে। এটাকেই বলে যে, গোয়েবলসীয় প্রচার।

মিথ্যা প্রচার করতে করতে ওরা জিয়াউর রহমানকে এখন মুক্তিযোদ্ধা দূরের কথা, স্বাধীনতার ঘোষক দূরের কথা, বলছে পাকিস্তানের চর ছিল। এতে সবাই হাসে। আজ স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে ওরা ইতিহাসকে এভাবে বিকৃত করছে। দলের নেতাকর্মীদের জিয়াউর রহমানের জীবনকর্মের ওপর লেখা বইগুলো বেশি করে পড়ার পরামর্শ দেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘আমাদের বেশি করে বই পড়তে হবে। জিয়াউর রহমানকে জানতে হলে তার ওপর লেখা বই পড়তে হবে। আমাদের স্বাধীনতা জানতে হলে বই পড়তে হবে।

জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জহির দিপ্তীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সহসাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল প্রমুখ।

নেতাকর্মীদের মির্জা ফখরুল

যুদ্ধের প্রস্তুতি নিন ক্ষমতা ছিনিয়ে আনতে হবে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১০ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগের কাছ থেকে লড়াই করে ক্ষমতা ছিনিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নেতাকর্মীদের যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শর্টকাট কোনো রাস্তা নেই। যুদ্ধ করতেই হবে। মেধা ও প্রজ্ঞার লড়াইয়ের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে আনতে হবে। এমনি এমনি আওয়ামী লীগ ক্ষমতা দেবে না। এরা একেবারেই ডিক্টেটর বনে গেছে। নির্বাচন করে এরা কোনোদিন জিততে পারবে না। এরা নির্বাচন নিয়ে তামাশা করবে। সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে নিজেদের জয়ী করবে। যেমনটা ২০১৮ ও ২০১৪ সালে করেছে।

নয়াপল্টনে বুধবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বই প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কার্যালয়ের নিচতলায় জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ও জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থার যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, নির্বাচন করে কখনো আওয়ামী লীগ জিততে পারবে না জেনেই স্বৈরাচারী কায়দায় ক্ষমতায় টিকে আছে। নির্বাচনের সময় এলেই জনগণকে ধোঁকা দিয়ে তারা নির্বাচনি খেলা তৈরি করে।

তিনি বলেন, দেশে এখন দুই শত্রু। একদিকে আওয়ামী লীগ, আরেকদিকে করোনা। এই এই দুই দানব তছনছ করে দিচ্ছে আমাদের সবকিছু। সেজন্য আমরা বাধাগ্রস্ত হচ্ছি। কিন্তু একে জয় করতে হবে। পৃথিবীর সব বড় বড় বিজয়, বড় বড় বিপ্লব, বড় বড় অর্জন কিন্তু একটা স্লোগানে-‘আমরা করব জয়’। এই স্লোগান দিয়েই আমাদের জয় করতে হবে।

বিএনপিকে নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ওদের কথার কী উত্তর দেব। ওবায়দুল কাদের সাহেবদের কথায় এখন ঘোড়াও হাসে। কখন কী বলে না বলে, তারা নিজেরাও জানে না। আর মিথ্যা বলতে বলতে এমন একটা জায়গায় চলে গেছে ওই যে গোয়েবলসীয় প্রচারের মতো।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, গোয়েবলস ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জার্মানের নাৎসিবাদী ফ্যাসিস্ট হিটলারের প্রচারমন্ত্রী। হাছান মাহমুদের মতো। অনর্গল মিথ্যা বলেই যাচ্ছেন অবলীলায়, খুব শান্ত মেজাজে বলে কিন্তু। জোরে বলে না, রাগ করে বলে, মনে হয় যেন না ঠিকই বলছে। এটাকেই বলে যে, গোয়েবলসীয় প্রচার।

মিথ্যা প্রচার করতে করতে ওরা জিয়াউর রহমানকে এখন মুক্তিযোদ্ধা দূরের কথা, স্বাধীনতার ঘোষক দূরের কথা, বলছে পাকিস্তানের চর ছিল। এতে সবাই হাসে। আজ স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে ওরা ইতিহাসকে এভাবে বিকৃত করছে। দলের নেতাকর্মীদের জিয়াউর রহমানের জীবনকর্মের ওপর লেখা বইগুলো বেশি করে পড়ার পরামর্শ দেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘আমাদের বেশি করে বই পড়তে হবে। জিয়াউর রহমানকে জানতে হলে তার ওপর লেখা বই পড়তে হবে। আমাদের স্বাধীনতা জানতে হলে বই পড়তে হবে।

জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জহির দিপ্তীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সহসাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন