শিগগিরই টিকার যৌথ উৎপাদনে যাবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
jugantor
শিগগিরই টিকার যৌথ উৎপাদনে যাবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১১ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শিগগিরই দেশে করোনাভাইরাসের টিকার যৌথ উৎপাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ফিলিস্তিনকে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির জরুরি ওষুধ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত

ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সম্পাদক এসএম শফিউজ্জামান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে করোনা টিকার যৌথ উৎপাদন নিয়ে আলোচনা চলছে। খুব শিগগিরই যৌথভাবে টিকার উৎপাদন শুরুর বিষয়টি ঘোষণা করা হবে। বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। তবে দেশের কোন ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির সঙ্গে হবে, এটা সংশ্লিষ্টরা দেখবেন। যেসব কোম্পানির সক্ষমতা আছে, পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তারা উৎপাদনে যেতে পারে। টিকা উৎপাদনে সফল হলে বাংলাদেশ পরবর্তী সময়ে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে টিকা রপ্তানি করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। বিভিন্ন দেশের কাছে টিকা চাওয়া হয়েছে জানিয়ে মোমেন বলেন, সবাই আমাদের বলে টিকা দেবে, তবে কবে দেবে, সেটা বলে না।

চীন থেকে টিকা আনার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৩ জুন চীন থেকে ছয় লাখ উপহারের টিকা দেশে আসবে। তবে চীন থেকে টিকা আসার বিষয়ে বিস্তারিত আমি বলতে পারব না, এটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, তারা প্রথমে দিতে রাজি ছিল না, কেননা তাদের অগ্রাধিকারে যাদের মৃত্যুর সংখ্যা বেশি তাদের দেবে। পরে তারা রাজি হয়েছে। কবে দেবে, এটা বলেনি।

ফিলিস্তিনিদের ওপর অত্যাচার বন্ধ না হলে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেব না : এ আয়োজনে ফিলিস্তিনের সঙ্গে আত্মার আত্মীয় সম্পর্ক জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ফিলিস্তিনের স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্বীকৃতি না পাওয়া অবধি ইসরাইলকে গ্রহণ করবে না বাংলাদেশ। শুধু সরকার নয়, তাদের প্রতি দেশের মানুষেরও সহানুভূতি রয়েছে। ফিলিস্তিন আমাদের বড় বন্ধু। আমরা বিশ্বাস করি যতদিন স্বাধীন সার্বভৌম ফিলিস্তিন প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততদিন আমরা তাদের সঙ্গে আছি এবং আমরা ইসরাইলকে গ্রহণ করব না। এখনো তাদের স্বীকৃতি দিইনি। ড. মোমেন বলেন, তারা (ইসরাইল) বারবার আমাদের অ্যাপ্রোস (স্বীকৃতি) করেছে। আমাদের ফিলিস্তিন ভাইদের ওপর অথ্যাচার বন্ধ না হওয়া অবধি আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ওদের স্বীকৃতি দিব না।

বাংলাদেশ দুই রাষ্ট্রের সমাধান চায়। চলমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দেশকে সরকারি সাহায্য পাঠানো হয়েছে। ফিলিস্তিনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জনগণও অনুভূতির জায়গা থেকে দেশটির জন্য সাহায্য পাঠাচ্ছে। বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনকে ১৪শ কেজি ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। এসব ওষুধের মূল্য ৪০ লাখ টাকা।

বাংলাদেশের সহযোগিতা ভুলবে না ফিলিস্তিন -রাষ্ট্রদূত : গাজায় ইসরাইলি হামলার পর রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান বলেছেন, কঠিন সময়ে ফিলিস্তিনের জনগণের পাশে থাকায় বাংলাদেশের মানুষ ও সরকারকে কখনো ভুলব না। রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার মতো শব্দ আমার অভিধানে নেই। আমরা এই সহযোগিতার কথা কখনো ভুলব না। আর এটাই হচ্ছে আমাদের দুদেশের জনগণের গভীর সম্পর্ক।

শিগগিরই টিকার যৌথ উৎপাদনে যাবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১১ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শিগগিরই দেশে করোনাভাইরাসের টিকার যৌথ উৎপাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ফিলিস্তিনকে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির জরুরি ওষুধ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত

ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সম্পাদক এসএম শফিউজ্জামান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে করোনা টিকার যৌথ উৎপাদন নিয়ে আলোচনা চলছে। খুব শিগগিরই যৌথভাবে টিকার উৎপাদন শুরুর বিষয়টি ঘোষণা করা হবে। বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। তবে দেশের কোন ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির সঙ্গে হবে, এটা সংশ্লিষ্টরা দেখবেন। যেসব কোম্পানির সক্ষমতা আছে, পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তারা উৎপাদনে যেতে পারে। টিকা উৎপাদনে সফল হলে বাংলাদেশ পরবর্তী সময়ে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে টিকা রপ্তানি করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। বিভিন্ন দেশের কাছে টিকা চাওয়া হয়েছে জানিয়ে মোমেন বলেন, সবাই আমাদের বলে টিকা দেবে, তবে কবে দেবে, সেটা বলে না।

চীন থেকে টিকা আনার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৩ জুন চীন থেকে ছয় লাখ উপহারের টিকা দেশে আসবে। তবে চীন থেকে টিকা আসার বিষয়ে বিস্তারিত আমি বলতে পারব না, এটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, তারা প্রথমে দিতে রাজি ছিল না, কেননা তাদের অগ্রাধিকারে যাদের মৃত্যুর সংখ্যা বেশি তাদের দেবে। পরে তারা রাজি হয়েছে। কবে দেবে, এটা বলেনি।

ফিলিস্তিনিদের ওপর অত্যাচার বন্ধ না হলে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেব না : এ আয়োজনে ফিলিস্তিনের সঙ্গে আত্মার আত্মীয় সম্পর্ক জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ফিলিস্তিনের স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্বীকৃতি না পাওয়া অবধি ইসরাইলকে গ্রহণ করবে না বাংলাদেশ। শুধু সরকার নয়, তাদের প্রতি দেশের মানুষেরও সহানুভূতি রয়েছে। ফিলিস্তিন আমাদের বড় বন্ধু। আমরা বিশ্বাস করি যতদিন স্বাধীন সার্বভৌম ফিলিস্তিন প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততদিন আমরা তাদের সঙ্গে আছি এবং আমরা ইসরাইলকে গ্রহণ করব না। এখনো তাদের স্বীকৃতি দিইনি। ড. মোমেন বলেন, তারা (ইসরাইল) বারবার আমাদের অ্যাপ্রোস (স্বীকৃতি) করেছে। আমাদের ফিলিস্তিন ভাইদের ওপর অথ্যাচার বন্ধ না হওয়া অবধি আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ওদের স্বীকৃতি দিব না।

বাংলাদেশ দুই রাষ্ট্রের সমাধান চায়। চলমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দেশকে সরকারি সাহায্য পাঠানো হয়েছে। ফিলিস্তিনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জনগণও অনুভূতির জায়গা থেকে দেশটির জন্য সাহায্য পাঠাচ্ছে। বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনকে ১৪শ কেজি ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। এসব ওষুধের মূল্য ৪০ লাখ টাকা।

বাংলাদেশের সহযোগিতা ভুলবে না ফিলিস্তিন -রাষ্ট্রদূত : গাজায় ইসরাইলি হামলার পর রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান বলেছেন, কঠিন সময়ে ফিলিস্তিনের জনগণের পাশে থাকায় বাংলাদেশের মানুষ ও সরকারকে কখনো ভুলব না। রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার মতো শব্দ আমার অভিধানে নেই। আমরা এই সহযোগিতার কথা কখনো ভুলব না। আর এটাই হচ্ছে আমাদের দুদেশের জনগণের গভীর সম্পর্ক।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন