বিদ্যালয়ে ঝোপঝাড় সাপের আস্তানা
jugantor
সরেজমিন সিলেট বিভাগ
বিদ্যালয়ে ঝোপঝাড় সাপের আস্তানা
মাঠ গোচারণ ভূমি * বেঞ্চে ধুলাবালির আস্তরণ * লতা-পাতা-ঝোপ জন্মে ভূতুড়ে পরিবেশ * বাসা-বাড়ি হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান

  যুগান্তর ডেস্ক  

১২ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জরাজীর্ণ

করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় সিলেট বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চগুলোতে ধুলোর আস্তরণ পড়ে আছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের মাঠ গরু-ছাগলের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে।

কোনো কোনো বিদ্যালয় ভবনে আস্তানা গেড়েছে সাপ। বাসা-বাড়ি হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে অনেক প্রতিষ্ঠানের ভবন। নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়েছে কোনো স্কুলের মাঠে। আবার সবজির চাষ করা হয়েছে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের মাঠে।

কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের মাঠ ও আঙ্গিনায় লতা-পাতা ও ঝোপ জন্মে ভূতুড়ে রূপ নিয়েছে। আর এমন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে স্থানীয় বখাটে ও মাদকসেবীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তাদের আখড়ায় পরিণত করেছে।

এদিকে করোনার কারণে সিলেটের শিক্ষা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আর্থিক সংকটে একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বেসরকারি অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

হাজার হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা বেকার হয়ে এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। যুগান্তরের ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

সিলেট : জেলার জগন্নাথপুর পৌরসভার আব্দুল খালিক উচ্চ বিদ্যালয়, আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জগন্নাথপুর সরকারি গার্লস হাই স্কুল, ইসহাক পুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, হবিবপুর ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসা, ছিক্কা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জগন্নাথপুর স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে তালা ঝুলছে। স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে দূর্বাঘাসের স্তূপ।

কৃষকরা প্রতিদিন এখান থেকে গরুর জন্য ঘাস কেটে নিয়ে যান। বিদ্যালয়ের পূর্ব দিকের এক তলা ভবনে সাপ আস্তানা গেড়েছে। বিদ্যালয়ের প্রহরী কৃপেষ রায় জানান, স্কুলের পূর্ব দিকের ভবনের ভেতর সাপের আস্তানা। সেদিকে যেতে ভয় হয়।

গোলাপগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকার রণকেলী সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের রয়েছে একটি পরিত্যক্ত ভবন। ভবনের চারিদিকে শুধু ঘাস আর আবর্জনার ভাগাড়। স্কুল বন্ধ থাকার ফলে এ স্কুলের আশপাশ আবর্জনায় পরিণত হয়। সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার স্কুলগুলোর মাঠ কচু আর ঘাসের দখলে।

মৌলভীবাজার : জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালিঘাট ও জানাউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ গরু ও ছাগলের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। উপজেলার সিন্দুর খান ইউনিয়নের হাজী আব্দুল গফুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠজুড়ে চাষ করা হয়েছে বিভিন্ন জাতের সবজি।

রাজনগর উপজেলার পশ্চিমভাগ সরকারি প্রাথমিক সামনে পাথর, বালু, মিকচার মেশিন, গালার ড্রাম ও সিলিন্ডার রাখা হয়েছে। কচুরিপানায় স্কুল মাঠ ভরে গেছে। শ্রেণিকক্ষে থাকছেন শ্রমিকরা। কুলাউড়া উপজেলার জাব্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায় খড় রাখা হয়েছে।

কমলগঞ্জ উপজেলায় বনগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ও শহিদমিনার ঝোপে আচ্ছাদিত হয়ে আছে। এমএ ওহাব উচচ বিদ্যালয়ের চারদিকে ঝোপ। মধ্যভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এলাকাবাসী ধান শুকানোর কাজ করছেন। কালারায় বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আঙ্গিনা ঘাস, লতাপাতা জন্মে ঝোপের সৃষ্টি হয়েছে। গোবর্দ্ধপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে গরু বিচরণ করছে। কুলাউড়া উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের উত্তর চুনঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যেন পরিত্যক্ত একটি বাড়ি।

হবিগঞ্জ : জেলা শহরের রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভেঙে যাচ্ছে বেঞ্চ, ডেস্ক, দরজা, জানালা। নিরাপদ আস্তানা হওয়ায় এখানে বসে গাঁজা সেবন আর জুয়ার আড্ডা। শহরের কয়েকটি স্কুলের মাঠে রাখা হয়েছে নির্মাণ সামগ্রী।

জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বাউসা সরকারি বিদ্যালয় মাঠে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নির্মাণসামগ্রী। তিনটি শ্রেণি কক্ষ দখল করে রেখেছেন শ্রমিকরা। খেলার মাঠে চরানো হচ্ছে গরু-ছাগল।

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার মোজাহের উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে রাখা হয়েছে বালু, ক্লাসরুমে রাখা হয়েছে সিমেন্ট, কাঠ ও রড। নুরপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে গেল ধানের মৌসুমে শুকানো হয় খড়।

শায়েস্তাগঞ্জ মডেল কামিল মাদ্রাসার বেঞ্চগুলোতে ধুলার আস্তরণ। চুনারুঘাট উপজেলার পাকুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবন গরু ছাগল আর জ্বালানি কাঠ রাখার ঘর হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে।

দিনে মাঠে চরানো হয় গরু। মিরাশী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠেও চড়ানো হয় গরু। এ অবস্থা দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিদ্যালয়ের।

সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের ব্রজেন্দ্রগঞ্জ আরসি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ দখল করে সিমেন্টের বস্তা রাখা হয়েছে। একটি শ্রেণিকক্ষে থাকছেন শ্রমিকরা।

অন্য আরেকটি কক্ষে বাসাবাড়ি মতো ব্যবহার করছেন বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক। দিরাই মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে বাসাবাড়ির মতো করে পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকছেন বিদ্যালয়ের নাইটগার্ড।

রাজানগর কৃষ্ণ চন্দ্র পাবলিক উচ্চ বিদ্যলয়ের শ্রেণিকক্ষে ভূতুড়ে পরিবেশ বিরাজ করছে।

সরেজমিন সিলেট বিভাগ

বিদ্যালয়ে ঝোপঝাড় সাপের আস্তানা

মাঠ গোচারণ ভূমি * বেঞ্চে ধুলাবালির আস্তরণ * লতা-পাতা-ঝোপ জন্মে ভূতুড়ে পরিবেশ * বাসা-বাড়ি হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান
 যুগান্তর ডেস্ক 
১২ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
জরাজীর্ণ
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে ব্রজেন্দ্রগঞ্জ আরসি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ দখল করেছেন ঠিকাদারের লোকজন। নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। বৃহস্পতিবারের ছবি -যুগান্তর

করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় সিলেট বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চগুলোতে ধুলোর আস্তরণ পড়ে আছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের মাঠ গরু-ছাগলের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে।

কোনো কোনো বিদ্যালয় ভবনে আস্তানা গেড়েছে সাপ। বাসা-বাড়ি হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে অনেক প্রতিষ্ঠানের ভবন। নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়েছে কোনো স্কুলের মাঠে। আবার সবজির চাষ করা হয়েছে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের মাঠে।

কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের মাঠ ও আঙ্গিনায় লতা-পাতা ও ঝোপ জন্মে ভূতুড়ে রূপ নিয়েছে। আর এমন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে স্থানীয় বখাটে ও মাদকসেবীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তাদের আখড়ায় পরিণত করেছে।

এদিকে করোনার কারণে সিলেটের শিক্ষা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আর্থিক সংকটে একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বেসরকারি অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

হাজার হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা বেকার হয়ে এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। যুগান্তরের ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

সিলেট : জেলার জগন্নাথপুর পৌরসভার আব্দুল খালিক উচ্চ বিদ্যালয়, আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জগন্নাথপুর সরকারি গার্লস হাই স্কুল, ইসহাক পুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, হবিবপুর ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসা, ছিক্কা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জগন্নাথপুর স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে তালা ঝুলছে। স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে দূর্বাঘাসের স্তূপ।

কৃষকরা প্রতিদিন এখান থেকে গরুর জন্য ঘাস কেটে নিয়ে যান। বিদ্যালয়ের পূর্ব দিকের এক তলা ভবনে সাপ আস্তানা গেড়েছে। বিদ্যালয়ের প্রহরী কৃপেষ রায় জানান, স্কুলের পূর্ব দিকের ভবনের ভেতর সাপের আস্তানা। সেদিকে যেতে ভয় হয়। 

গোলাপগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকার রণকেলী সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের রয়েছে একটি পরিত্যক্ত ভবন। ভবনের চারিদিকে শুধু ঘাস আর আবর্জনার ভাগাড়। স্কুল বন্ধ থাকার ফলে এ স্কুলের আশপাশ আবর্জনায় পরিণত হয়। সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার স্কুলগুলোর মাঠ কচু আর ঘাসের দখলে। 

মৌলভীবাজার : জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালিঘাট ও জানাউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ গরু ও ছাগলের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। উপজেলার সিন্দুর খান ইউনিয়নের হাজী আব্দুল গফুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠজুড়ে চাষ করা হয়েছে বিভিন্ন জাতের সবজি।

রাজনগর উপজেলার পশ্চিমভাগ সরকারি প্রাথমিক সামনে পাথর, বালু, মিকচার মেশিন, গালার ড্রাম ও সিলিন্ডার রাখা হয়েছে। কচুরিপানায় স্কুল মাঠ ভরে গেছে। শ্রেণিকক্ষে থাকছেন শ্রমিকরা। কুলাউড়া উপজেলার জাব্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায় খড় রাখা হয়েছে। 

কমলগঞ্জ উপজেলায় বনগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ও শহিদমিনার ঝোপে আচ্ছাদিত হয়ে আছে। এমএ ওহাব উচচ বিদ্যালয়ের চারদিকে ঝোপ। মধ্যভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এলাকাবাসী ধান শুকানোর কাজ করছেন। কালারায় বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আঙ্গিনা ঘাস, লতাপাতা জন্মে ঝোপের সৃষ্টি হয়েছে। গোবর্দ্ধপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে গরু বিচরণ করছে। কুলাউড়া উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের উত্তর চুনঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যেন পরিত্যক্ত একটি বাড়ি। 

হবিগঞ্জ : জেলা শহরের রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভেঙে যাচ্ছে বেঞ্চ, ডেস্ক, দরজা, জানালা। নিরাপদ আস্তানা হওয়ায় এখানে বসে গাঁজা সেবন আর জুয়ার আড্ডা। শহরের কয়েকটি স্কুলের মাঠে রাখা হয়েছে নির্মাণ সামগ্রী।

জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বাউসা সরকারি বিদ্যালয় মাঠে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নির্মাণসামগ্রী। তিনটি শ্রেণি কক্ষ দখল করে রেখেছেন শ্রমিকরা। খেলার মাঠে চরানো হচ্ছে গরু-ছাগল।

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার মোজাহের উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে রাখা হয়েছে বালু, ক্লাসরুমে রাখা হয়েছে সিমেন্ট, কাঠ ও রড। নুরপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে গেল ধানের মৌসুমে শুকানো হয় খড়।

শায়েস্তাগঞ্জ মডেল কামিল মাদ্রাসার বেঞ্চগুলোতে ধুলার আস্তরণ। চুনারুঘাট উপজেলার পাকুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবন গরু ছাগল আর জ্বালানি কাঠ রাখার ঘর হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে।

দিনে মাঠে চরানো হয় গরু। মিরাশী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠেও চড়ানো হয় গরু। এ অবস্থা দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিদ্যালয়ের।

সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের ব্রজেন্দ্রগঞ্জ আরসি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ দখল করে সিমেন্টের বস্তা রাখা হয়েছে। একটি শ্রেণিকক্ষে থাকছেন শ্রমিকরা।

অন্য আরেকটি কক্ষে বাসাবাড়ি মতো ব্যবহার করছেন বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক। দিরাই মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে বাসাবাড়ির মতো করে পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকছেন বিদ্যালয়ের নাইটগার্ড।

রাজানগর কৃষ্ণ চন্দ্র পাবলিক উচ্চ বিদ্যলয়ের শ্রেণিকক্ষে ভূতুড়ে পরিবেশ বিরাজ করছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন